স্ত্রী সালমা হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকা-৪ আসনের মহাজোটের প্রার্থী ও জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ৫৪ নং ওয়ার্ডের শাহাদাত হোসেন সড়কে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জাপা নেতাদের উদ্যোগে গণসংযোগ করেন বাবলা। এসময় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মাসুদ, জাপা নেতা ইব্রাহীম মোল্লাসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মুরাদপুরে স্থানীয় শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক পার্টি আয়োজিত প্রচারণা মিছিল শেষ করে এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন বাবলা। বিকালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত প্রচারণা মিছিলে অংশ নেন তিনি। একই সময়ে বাবলার স্ত্রী সালমা ইসলাম মহিলা লীগ ও মহিলা পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ৪৭ নং ওয়ার্ডের রিভারভিউ, ফরিদাবদ, গোসাইবাড়ী এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় নারী নেতৃবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সালমা হোসেনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ৫৪, ৫১ এবং ৫৮ নং ওয়ার্ডে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রচার মিছিল করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, জাপা, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলালীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ। বিকালে জাতীয় ছাত্রসমাজ দুই শতাধিক মোটর সাইকেল নিয়ে লাঙ্গলের পক্ষে প্রচার মিছিল করে। মিছিলটি ধোলাইপাড় থেকে শুরু হয়ে জুরাইন, পোস্তাগোলা হয়ে শ্যামপুর বালুর মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এছাড়া ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঢাকা-৪ নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে বাবলার পক্ষে প্রচার মিছিল করবেন।
বিভিন্ন পথসভায় বাবলা তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিজয়ের এ মাসে জামায়াতের জন্য ভোট চাওয়া দুঃখজনক। যে জামায়াত আমাদের এ বিজয় ঠেকাতে চেয়েছিল, যে জামায়াত আজও আমাদের স্বাধীন বাংলাকে মন থেকে মেনে নিতে পারছে না, সে জামায়াতের পক্ষে আজ তথাকথিত ঐক্যফ্রন্ট ভোট চাচ্ছে।’
Blog
-

স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় বাবলা
-

নতুন যুগসন্ধিক্ষণে
১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য সবচেয়ে গৌরবের দিন। এই দিন আমরা দীর্ঘ পরাধীনতার শেকল ছিঁড়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা করেছি। যে আত্মগৌরব অর্জনের পথে আমাদের এই দীর্ঘযাত্রা- ঔপনিবেশিক অপশক্তির শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনার এই পথ ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের, রক্তক্ষরণের। প্রায় দু’শতাব্দীর ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসন-শোষণ- এই সুদীর্ঘকালের পরাধীনতার নাগপাশ ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। বিশ্বে বাঙালি জাতির এক অদম্য বিজয়গাথা ঘোষিত হয়ে যায়।
স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর আজকের এ বিজয় দিবসে আমরা যেন এক নতুন যুগসন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এবারের বিজয় দিবস আমার কাছে এবং বোধকরি দেশের সব নাগরিকের কাছেই অনেক বেশি গুরুত্ববহ হয়ে উঠেছে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি। বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্রের জন্য স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- কারণ আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল একটি বিশেষ ঘটনা। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র পাকিস্তান ভেঙে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের যে জন্ম, সেই জন্মসুতোর সঙ্গে গাঁথা ছিল অসাম্প্রদায়িকতা নির্ভর গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি স্বপ্ন। আমরা যেন ভুলে না যাই ১৯৭২ সালের সংবিধানের চারটি প্রধান স্তম্ভের কথা। গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র- এই চারটি স্তম্ভের ভিত্তিতেই গড়ে ওঠে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমার প্রত্যাশা থাকবে, আমরা যেন আমাদের ভিত্তিমূলের দিকে ফিরে যাই। সব মত, শ্রেণি, ধর্ম, লিঙ্গ, বর্ণ নির্বিশেষে নিজের রাষ্ট্রে মানুষ যাতে তার অধিকারের স্বাক্ষর রাখতে পারে। আগামী নির্বাচনে সেই অধিকার চাই।
কর্তৃত্ববাদী মনোভাব কখনই আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। আমাদের অবশ্যই পরমতসহিষ্ণু হতে হবে। প্রত্যেককে প্রত্যেকের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। সেই জায়গা থেকে আগামী নির্বাচন যেন গণতান্ত্রিক সহনশীলতার একটা উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে- এবারের বিজয় দিবসে আমার সেটাই কামনা। দেশের জন্য আমার এই প্রার্থনা।
আরেকটি বিষয় আমাদের রাজনীতির ক্ষেত্রে গত কয়েক দশকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তা হলো, মেধার চেয়ে অর্থের ভূমিকাই প্রধান হয়ে ওঠা। অর্থই যে সমাজ নিয়ন্ত্রণ করে, সে সমাজ মেধাহীন হয়ে পড়ে। রাজনীতিতে রাজনীতিবিদদেরই অংশগ্রহণ থাকার কথা, বুদ্ধিবৃত্তিক অংশগ্রহণ থাকার কথা বুদ্ধিজীবীদের। আমরা সেই অংশগ্রহণের জায়গাটি গত ৪৭ বছরে তৈরি করতে পারিনি। বরং যত দিন গড়িয়েছে রাজনীতিতে পেশি আর অর্থশক্তির গর্জনই তীব্র হয়ে উঠেছে। আমাদের গণতান্ত্রিক সহিষ্ণুতার সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতিরও অনুশীলন করার প্রয়োজন আছে। আজকের নাগরিকরা, বিশেষ করে তারুণ্য রাজনীতিবিমুখ বলে অনেকে মনে করে। আমি তা মনে করি না। আমি মনে করি, মেধাবী তরুণরা রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়ে তখনই, যখন রাজনীতিতে বা সমাজে তাদের মেধার মূল্যায়ন থাকে না। সমাজে সে জায়গাটি তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে সচেতন হতে হবে, যেন তরুণ মেধাবীরা তাদের সৃজনশীলতা নিয়ে দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অংশগ্রহণ করতে পারে। সে জায়গাটা একদিনে প্রতিষ্ঠা পায় না, সে জায়গা আমাদের তৈরি করে নিতে হবে। তার জন্য সবার আগে চাই সদিচ্ছা এবং অঙ্গীকার। আগামীতে যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবেন, তারা যেন এই সৃজনশীল বুদ্ধিদীপ্ত তরুণ প্রজন্মকে সত্যিকারেই নিজেদের করে নিতে পারেন, এই আহ্বানও আমার থাকল।
লাখ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ। আমরা যেন ভুলে না যাই, আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে দেশের জন্য। যার যার অবস্থান থেকে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য অবদান রাখতে হবে। এবং এই অবদান রাখার জন্য আমরা কেউই আমাদের নিজেদের দায় অস্বীকার করতে পারি না। নির্লিপ্ত থেকে কিংবা শরীর বাঁচিয়ে চলার মধ্যে কোনো সমাধান নেই। এ দেশ থেকেই পুষ্টি-শক্তি সংগ্রহ করে, বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে নিজের সন্তান-সন্ততিকে রাখব, তারা সেখানে নিজেদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে- এত সহজ এবং পাশ কাটানো রাস্তাই যেন আমরা খুঁজে না ফিরি। আমাদের সবার দায় আছে এ দেশের প্রতি, প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের সে দায় পূরণের জন্য কাজ করার আছে। সেই দায়বোধ থেকেই আমাদের অংশগ্রহণ জরুরি। রাজনীতি-সচেতন হয়ে আমাদের যার যার জায়গা থেকে ভোট দিতে যাওয়াটাও জরুরি। এবং সেই ভোটটি এমন উপযুক্ত স্থানে দিতে হবে, যাতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষুণ্ণ থাকে এবং আমাদের রাষ্ট্রীয় চার নীতি ভূলুণ্ঠিত না হয়। পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ তৈরিই হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে। অথচ যত দিন যাচ্ছে, আমাদের এ দেশে মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গিবাদ এবং ধর্মীয় হিংসা ও আক্রোশের বশবর্তী হয়ে একে অন্যের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ছি। রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের জন্যও দিনের পর দিন ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাঙালি হয়ে বাঙালির বিরুদ্ধে আমরা দাঁড়িয়ে পড়ছি মিথ্যা হিংসার আগুনে পুড়ে। অথচ আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ কখনও ধর্ম দ্বারা গঠিত রাষ্ট্রের সদস্য থাকতে পারে না। সেই জায়গাটিতেও আমাদের বারবার ফিরে তাকাতে হবে। নিজেদের স্বার্থেই নিজেদের এগিয়ে আসতে হবে এই হিংসাকে নির্মূল করার জন্য। অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরির জন্য আমাদের সবার সচেতনতা ও অংশগ্রহণ জরুরি।
আমরা বলছি, আমাদের দেশ উন্নত হচ্ছে। দেশে প্রচুর স্থাপনা তৈরি হচ্ছে। দেশের উন্নয়নে নতুন এসব স্থাপনা যেমন জরুরি, শ্রেণিতে শ্রেণিতে ভেদাভেদ কমিয়ে আনাও তার চেয়ে অধিক জরুরি। একটি গোষ্ঠী কেবল মুনাফা লাভের মাধ্যমে অর্থে ও বিত্তে ফুলে-ফেঁপে উঠবে, আরেকটি গোষ্ঠী কেবল মাটিতে পড়ে থেকে থেকে ক্রমশ নিচের দিকে চলে যেতে থাকবে; এবং তাদের স্বপ্নই থাকবে কেবল কোনোমতে বেঁচে থাকা- এটিও কোনো যুক্তিগ্রাহ্য ও ন্যায্য মীমাংসা নয়। আমাদের যেটুকুই সম্পদ আছে, স্বপ্ন আছে- তার সুষম বণ্টন জরুরি। সেই সুষম বণ্টনের মাধ্যমে একটি শ্রেণিবৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থারই চূড়ান্ত আকাঙ্ক্ষা। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে একটি গণতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থা। আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বৈষম্য কমিয়ে দেশকে অগ্রসর করবে। তার ভেতর দিয়েই আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বা আরও পরে ১০০ বছর পূর্তির উদযাপন করব অধিকতর উন্নত এক বাংলাদেশের বাস্তবতায়। বাংলাদেশ সেই স্বপ্নের দিকে তাকিয়ে আছে।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন তার মৌলিক অধিকারগুলো জন্মলগ্নেই অর্জন করতে পারে, সেরকম একটি সুষম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা আমরা তৈরি করব। এ বিজয় দিবসে এটাই আমার চাওয়া। এবং সে অর্জনগুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেশের রাজনীতিবিদদের। তাদের আমরা নির্বাচিত করব আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। নাগরিকদের দায়িত্ব সচেতন থেকে তার যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করা। সেই কাজটি আমাদের সঠিকভাবে সম্পাদন করতে হবে। তার ভেতর দিয়েই সুষম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পথে আমরা এগিয়ে যাব।
-

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায় , ছাত্র নেতা মোঃ ইব্রাহীম খাঁন জুয়েল
ছাত্র নেতা মোঃ ইব্রাহীম খাঁন জুয়েল দেশ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিনের ৬২নং ওয়ার্ডের সকলের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তু
আজ ১৬ ডিসেম্বর। ৪৮তম মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্য-বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার চিরস্মরণীয় দিন।
৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে যৌথ বাহিনীর কাছে। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যালোকে উদ্ভাসিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। সেই থেকে ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যে দিবসটি সাড়ম্বরে উদযাপন করা হয়। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত ও দুই লক্ষ মা ও বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীনতার বিজয় দিবসে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে স্বাধীন ও সার্বভৌম সুন্দর সবুজ বাংলা গড়তে দীপ্ত শপথ নিতে হবে ।মোঃ ইব্রাহীম খাঁন জুয়েল সিনিয়ার সহ সভাপতি জাতীয় ছাত্র সমাজ, ঢাকা মহানগর দক্ষীন । বাংলাদেশের ও ঢাকা মহানগর দক্ষিনের ৬২ নং ওয়ার্ডের সকল মানুষের প্রতি রহিল বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও তাদের সকলের প্রতি রহিল সশ্রদ্ধ সালাম ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি যারা এই বিজয় ছিনিয়ে এনে আমাদের একটি লাল সবুজের পতাকা ও স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।
-

যদি মনে করেন হিজাব আপনার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে তবে আপনি ভুল করছেন: মার্সেলা ডেজা
আপনি যদি মনে করেন হিজাব বিশ্ব সম্পর্কে জানতে আপনার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে তবে আপনি ভুল করছেন। আপনার পুনরায় চিন্তা করা উচিত। আমি এ পর্যন্ত যত পোশাক পরিধান করেছি তার মধ্যে একজন নারী হিসেবে আমার ক্ষমতায়নে হিজাব সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
হিজাব আমার হয়ে কথা বলে। আমি যখন হিজাব পরিধান করি এটি তখন বিশ্বকে জানিয়ে দেয় যে- আমি একজন মুসলিম নারী, আমি আল্লাহ-তায়ালাকে বিশ্বাস করি এবং আমি নবী মুহাম্মদ(সাঃ) এর শিক্ষাসমূহ মেনে চলতে চেষ্টা করি।
হিজাব এমনকি অন্যদেরকে মুসলিম নারীদের পোশাক পরিধানের সুন্নত সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং আমার চিন্তার চাইতেও দ্রুত গতিতে এটি অন্যদের উপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়। হিজাব আমাকে সারা বিশ্বের সাথে যুক্ত হওয়ার মত অনুভূতি দেয়, কেননা একজন মুসলিম নারী হিসেবে সমাজের প্রতি আমার কিছু নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। একই সাথে হিজাব আমাকে জান্নাতে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কর্মগুলো সম্পাদন করতে উৎসাহ যোগায়।
হিজাব অনেক সময় বরফ ভেঙ্গে দেয়ার মত কাজ করে এবং কিছু কৌতূহলী মনের নিকটে আসার জন্য আমাকে সহযোগিতা করে এটি কিছু কিছু সময় আমাকে জনবহুল স্থানের বিরক্তিকর শব্দ থেকে রক্ষা করে।
হিজাব আমার নিজস্ব মুকুট, আমার শিরস্ত্রাণ, আমার সবচেয়ে দামী অলঙ্কার এবং একই সাথে এটি আমার সম্মান রক্ষাকারী। হিজাব তা নয় যা আমি পরিধান করি বরং এটি তাই যা আমি নিজে।
সূত্রঃ কলম্বিয়ান মুসলিম হিজাবী নারী মার্সেলা ডেজা এর কলাম থেকে।
-

সত্যের পথের জন্য ভয় পাওয়া উচিৎ নয়, ধর্মান্তরিত মার্কিন নারী
আমি ২০১৭ সালের অক্টোবরে ইসলামে ধর্মান্তরিত হই। আমি ক্যাথলিক হিসেবে বড় হয়েছি এবং আমি ছিলাম একজন গোঁড়া ক্যাথলিক। আমি খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়ার মাধ্যমে এ বিষয়ে শিক্ষা দিতাম এবং চার্চে খুবই সক্রিয় ছিলাম।
এই সময়ে আমার জীবন সম্পর্কে আমার মনে নানা প্রশ্নের জন্ম নিতে শুরু করে এবং আমি আমার প্রশ্নের উত্তর পেতে চার্চের শরণাপন্ন হই এবং এই কারণে আমি সেখানে অনেকের প্রতিরোধের সম্মুখীন হই।
চার্চ থেকে বাধার সম্মুখীন হওয়ায় আমি কিছু দিন সময় নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে জানার সিদ্ধান্ত নেই। আমি ইহুদি ধর্ম, হিন্দুধর্ম, তাওবাদ, জৈন ধর্ম এবং অবশেষে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে গবেষণা করি।
ইসলাম গ্রহণ করার পর আমার জীবনে ভিন্নতা আসে। এ পর্যন্ত আমার জীবনে পাওয়া সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আমার ইসলাম গ্রহণ। একই সঙ্গে এটি আমার জন্য তার নিজের ‘কষ্টের ন্যায্য পাওনা’ নিয়ে এসেছে। আমার পরিবার ইসলাম গ্রহণ করেনি। তাই তারা আমার সঙ্গে কথা বলেন না এবং ফলস্বরূপ, তারা আমার মেয়েকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে।
চাকরি হারিয়ে আমাকে কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে। অর্থের অভাবে আমাকে আমার কলেজ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আমি ছিলাম কলেজের সেরা ছাত্রীদের মধ্যে একজন।
জীবনে কোনো কিছুই স্থিতিশীল নয়। আপনার অনেক টাকা থাকতে পারে, আপনার কাজ থাকতে পারে, আপনার পারিবার থাকতে পারে, আপনার অনেক কিছুই থাকতে পারে এবং এগুলো একসময় চলেও যেতে পারে। কিন্তু ধর্ম সবসময়ই স্থায়ী একটি জিনিস যা আপনার কাছে আছে। সুতরাং, আপনার জীবনে কোনো কষ্ট বা অসুবিধা নেমে আসলে আপনার উচিৎ হবে তাৎক্ষণিক আপনার ঈশ্বরের কাছে যাওয়া।
প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য চার্চে গেলাম এবং বলা হলো যে, ‘ঈশ্বর এভাবেই বলেছেন এবং তা নিয়ে আমাদের এই প্রশ্ন করা উচিত নয়’। এটা এমন কিছু যা আসলেই গ্রহণযোগ্য নয়। যদি আমার উত্তর প্রয়োজন হয়, তাহলে আমি এর জন্য কোথায় যাব?
মূল দ্বন্দ্ব হচ্ছে যে আপনি ‘ট্রিনিটি’তে বিশ্বাস করেন (খ্রিস্ট ধর্মে এক ঈশ্বর হিসাবে: পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মাকে ট্রিনিটি বলে) এবং যিশু ঈশ্বরের পুত্র এবং তিনিই হচ্ছেন ঈশ্বর। আপনি যখন বিষয়টি একটু গভীরভাবে চিন্তা করবেন, তখন আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এটি আসলেই কোনো অর্থ তৈরি করে না।
ইসলাম সম্পর্কে দীর্ঘ সময় নিয়ে আমি অধ্যয়ন করেছি। ইসলাম সম্পর্কে আমার ভিতরেও অনেক ভুল ধারণা ছিল এবং এক পর্যায়ে আমি মুসলমানদেরকে ঘৃণা করতাম। আমি মনে করতাম যে সকল মুসলমানদের মরে যাওয়া উচিৎ এবং মুসলমানদের অস্তিত্ব থাকা উচিৎ নয়, তাদেরকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো দরকার। ইসলাম নিয়ে আমার মতো এই ধারণাটি আমেরিকায় খুবই সাধারণ একটি ধারণা। কিন্তু এটি ছিল আমার নিজের অজ্ঞতা।
আমি প্রায়ই একটি উদ্ধৃতি দিয়ে থাকি আর তা হচ্ছে, ‘সত্যের পথের জন্য ভয় পাওয়া উচিৎ নয়’। এটি এমন কিছু জিনিস যা খুবই শক্তিশালী। যদি আমার কোনো পরিবার না থাকে, যদি আমার কোনো বন্ধু থাকে না, যদি আমার সবচেয়ে বড় বাড়ি থাকে কিংবা কোনো বাড়ি না থাকে, যদি আমার কাছে বিশ্বের সব টাকা থাকে কিংবা কোনো টাকা না থাকে … এর সবই ঠিক আছে কারণ আমার কাছে আল্লাহ রয়েছেন।
আল্লাহর সঙ্গে আমার সম্পর্ক এবং তার সান্নিধ্যে আসা নিয়ে আমি চিন্তা করতে পারি এবং ইনশাল্লাহ, আমি অবশ্যই জান্নাতে তাকে দেখতে পাব।
-

ঝাঁটা হাতে কর্মসূচি শুরু করলেন মাশরাফির মা
মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রদ্ধার্থে শহর পরিষ্কারের দায়িত্ব নিলেন নড়াইলের মাশরাফি ভক্তরা। বিজয় দিবসের শুরুতে শনিবার রাতে নড়াইল শহরে পরিচ্ছন্ন কর্মীর দায়িত্ব নিলেন একঝাঁক তরুণ। নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় এই কাজের সূচনা করেন মাশরাফির মা হামিদা মর্তুজা। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় নড়াইল শেখ রাসেল সেতুর প্রান্তে রাস্তায় ঝাড়ু দিয়ে তিনি কিশোরদের সঙ্গে দেশ পরিষ্কার কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় মাশরাফির মামা নাহিদ হোসেন, মাশরাফির ছোটভাই সিজার, নড়াইল পৌরসভার কাউন্সিলর কাজী জহির, গৃহিনী লায়লা সুমন, ছাত্রনেতা চঞ্চল শাহরিয়ার, স্কাউট লিডার ইমন, রাতুল, শোভন, প্রিয়তীসহ শতাধিক কিশোর-তরুণ-যুবক অংশ নেন। বিজয় দিবসের শুরুতে রাত ১২টা ১ মিনিটে রূপগঞ্জ এলাকায় গিয়ে শহর পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শেষ হয়।নড়াইল ভলেন্টিয়ার এর টিমলিডার সাকিব বলেন, এলাকার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কত কষ্ট করে আমাদের শহর পরিষ্কার রাখে বিজয় দিবসে আমরা সেটা উপলব্ধি করতে চাই, আর এসব স্বপ্ন আমাদের দেখাচ্ছেন আমাদের ক্যাপ্টেন মাশরাফি। নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের জুনিয়র টিমের সদস্য রাসেল বিল্লাহ বলেন, মাশরাফি ভাই সব সময় বলেন, মাশরাফি ভাইয়ের স্বপ্ন- “নড়াইল হবে প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ বাসস্থান” সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা এলাকার তরুণের এক হয়ে মাশরাফির স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি।ছেলেদের সঙ্গে এক হয়ে মা হামিদা মর্তুজা বলেন, আমার ছেলেদের সকল ভালো কাজের সঙ্গে আমি আছি, আমরা সকলে মিলে এই দেশটাকে গড়ব, ছোটদের এই সব দেশ গড়ার কাজকে আমরা বড়রা এগিয়ে নিতে চাই- দেশটাকে পরিষ্কার করছি এটাই বিজয় দিবসে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা। -

বিদ্রোহীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আওয়ামী লীগের আল্টিমেটাম
এখনও যেসব নির্বাচনী আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়ে গেছে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে দু’দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ হুশিয়ারি দেওয়া হয়। দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনকালীন সংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত চার নেতার একজন নানক।
Advertisement
সংবাদ সম্মেলনে নানককে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: দলীয় কঠোর অবস্থান, প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠির পরও কিছু কিছু আসনে দেড় ডজনের মতো আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমগুলোতে আসছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ কী ভাবছে?
জবাবে নানক বলেন: ‘আওয়ামী লীগ কিংবা মহাজোটের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নাই। কিছু কিছু আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। এটা দেড় ডজন নয় সংখ্যায় আরও অনেক কম। আমরা আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আগামী পরশু বা ১৭ ডিসেম্বর; এই সময়ের মধ্যে যারা নির্বাচনে এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছেন, আওয়ামী লীগ বা মহাজোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে, তাদের এই সময়ের মধ্যে সরে দাঁড়াতে হবে। সেই সঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন: ‘আওয়ামী লীগ বা মহাজোটের প্রার্থীর স্বপক্ষে ভোটের মাঠে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। নতুবা আমরা কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
এসময় সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাহউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, তথ্য-গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুর সবুর, সদস্য আনোয়ার হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যড.মোল্লা আবু কাওসারসহ অনেকে।
-

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না এলে পদ্মাসেতুর কাজ বন্ধ হবে
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীতে তার দল ক্ষমতায় না এলে পদ্মাসেতুর কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা চাই না এই সেতুর কাজ বন্ধ হোক, চলমান উন্নয়নের কাজ বন্ধ হোক।
তিনি বলেন, আবারো যদি সরকার গঠন করতে পারি প্রয়োজনে বুকের রক্ত দিয়ে আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফরিদপুর-৪ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনার একটি ভোট অতি মূল্যবান। আগামী নির্বাচনে আসন না পেলে, সরকার গঠন করতে না পারি দেশের উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য আপনাদের কাছে আমি ভোট চাই আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করুন। ‘আপনারা ভোট কেন্দ্র পাহারা দিবেন নিজের ভোট নিজে দেবেন যাতে আপনাদের ভোট কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে।’
তিনি বলেন, আগামীতে তার দল ক্ষমতায় না আসলে পদ্মাসেতুর কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা চাই না এই সেতুর কাজ বন্ধ হোক, চলমান উন্নয়নের কাজ বন্ধ হোক।
-

রাগে বিএনপির মঞ্চ থেকে নেমে গেলেন কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের সমর্থনে ময়মনসিংহ ৭ (ত্রিশাল) আসনে আয়োজিত পথসভায় বিএনপির মঞ্চ থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে নেমে যান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাদের সিদ্দীকী বক্তব্য চলাকালে সেলফি তোলা আর মোবাইলে ছবি তোলার ধাক্কাধাক্কি সামাল দিতে না পেরে তিনি বলেন, মঞ্চের আশেপাশের এসব নেতারাই দলকে নষ্ট করেছে। এদের কারণেই আজ এই দশা এই বলেই তিনি মঞ্চ থেকে নেমে সভাস্থল ত্যাগ করেন।
এর আগে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের সমর্থনে আয়োজিত পথ সভায় যোগদানের জন্য ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সন্ধ্যার পর থেকে মঞ্চে আসতে থাকে।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে পথসভায় বক্তব্য রাখছিলেন বিএনপি নেতা সেলিমা রহমান। এ সময় কাদের সিদ্দিকী মঞ্চে আসলে তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেয় বিএনপি নেতারা।
পরে বক্তব্য শুরু হওয়ার দুমিনিটের মধ্যে রাগে মঞ্চ থেকে বক্তব্য চলাকালীন সময়ে মাইক রেখে সোজা গাড়িতে গিয়ে ওঠেন কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি।
-

মৃত্যুর আগে সবকিছু দান করে যাওয়া এক মুসলিম কোটিপতির হৃদয়বিদারক গল্প
মৃত্যুর আগে সবকিছু- আপনি যদি জানতে পারেন আপনি মাত্র আর সাত মাস বাঁচবেন, তখন আপনি কি করবেন? আপনার পূরণ না হওয়া ইচ্ছেগুলো নিশ্চয় পূরণ করতে চাইবেন, ঘুরতে যাওয়া, সুন্দর সুন্দর জায়গা ভ্রমণ, বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো এবং যে কাজগুলো করার সময় পাননি সেগুলো করা। কিন্তু এই ব্যাক্তি যা করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।


তার ক্যান্সার ধরা পড়ার পর ডাক্তাররা তাকে ৭ মাসের সময় দেন। তিনি এই সাত মাস দাতব্যের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন এবং সব অর্থই দান করে দেন।এই মহান ব্যাক্তির নাম আলি বানাত। এই মহৎ ব্যাক্তিকে নিয়েই আমাদের আজকের এই আয়োজন। মৃত্যুর আগে সবকিছু দান করে যাওয়া এক মুসলিম কোটিপতির হৃদয়বিদারক গল্প !


দুঃখজনক ভাবে আলি বানাত আর আমাদের সাথে নেই, তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বাসিন্দা ছিলেন। এই কোটিপতি খুব অল্প বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। ২০১৫ সালে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং ডাক্তাররা বলেন তিনি আর আনুমানিক সাত মাস বেঁচে থাকবেন। আশ্চর্যজনকভাবে, আলি বানাত তার ডেডলাইনের পর আরও ২ বছর বেঁচে ছিলেন। এই সময়গুলোতে তিনি তার সম্পূর্ণ সময় দাতব্যের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজে দিয়েছিলেন এবং মৃত্যুর আগে সব অর্থ দান করে যান।


নিচের ক্যাপশনটি দিয়ে তিনি ইন্সট্রাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। মৃত্যুর আগে সবকিছু দান করে যাওয়া এক মুসলিম কোটিপতির হৃদয়বিদারক গল্প, ” আমরা প্রত্যেকেই জীবনে একটি সুযোগ পাই এবং আল্লাহ যখন ঠিক করেন তার কাছে আমাদের দিয়ে যাবেন সেখান থেকে ফেরার আর কোন উপায় থাকে না। আমরা আমাদের জীবনের অর্ধেকের বেশি সময় ঘুম এবং বাথরুমে কাটাই এবং বাকি অর্ধেক কাজ এবং রাস্তায় কাটাই।


মৃত্যুর আগে সবকিছু দান করে যাওয়া এক মুসলিম কোটিপতির হৃদয়বিদারক গল্প, আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটা গাছ লাগানো কিংবা একটা কুরআন দান করা কিছুই করি না। হাসিমুখে আল্লাহর নামে আমাদের দান করা উচিৎ। কেয়ামতের দিন আমরা যখন আল্লাহর মুখোমুখি হব, আমরা তখন বলতে পারব আমরা মানুষের সাহায্য করেছি, সময়গুলো শুধুই নষ্ট করিনি।


আমরা মানুষের দুঃখে চুপ ছিলান না, আমাদের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছি। সারা পৃথিবীর মুসলিমদের দুঃখে আমরা চুপ ছিলাম না, আল্লাহর নামে তাদের জন্য কাজ করেছি। তাদের খারাপ সময়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। -সালাম”। মৃত্যুর আগে সবকিছু দান করে যাওয়া এক মুসলিম কোটিপতির হৃদয়বিদারক গল্প !


আলি বানাতের জীবন আগে এমন ছিল না। ক্যন্সার ধরা পড়ার আগে কোটিপতি হিসেবে তিনি বেশ বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন। গতিবহুল গাড়ি নিয়ে ঘোরাঘুরি, পার্টি করা, আনন্দের জন্য যা যা করার দরকার সবই করেছেন। কিন্তু অসুস্থ হওয়ার পর তিনি সম্পুর্ণ বদলে যান। তার হৃদয় পরিবর্তিত হয়। মৃত্যুর আগে সবকিছু দান করে যাওয়া এক মুসলিম কোটিপতির হৃদয়বিদারক গল্প !


আলি বানাতের জীবন আগে এমন ছিল না। ক্যন্সার ধরা পড়ার আগে কোটিপতি হিসেবে তিনি বেশ বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন। গতিবহুল গাড়ি নিয়ে ঘোরাঘুরি, পার্টি করা, আনন্দের জন্য যা যা করার দরকার সবই করেছেন। কিন্তু অসুস্থ হওয়ার পর তিনি সম্পুর্ণ বদলে যান। তার হৃদয় পরিবর্তিত হয়।