Blog

  • প্রধানমন্ত্রীর সাথে টুঙ্গিপাড়ার পথে রিয়াজ-ফেরদৌস

    প্রধানমন্ত্রীর সাথে টুঙ্গিপাড়ার পথে রিয়াজ-ফেরদৌস

    নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বুধবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ ও ফেরদৌস আহমেদ। বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন ফেরদৌস আহমেদ।

    ফেরদৌস কালের কণ্ঠকে বলেন, আমিও রিয়াজ ভাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে রওনা দিয়েছি। আজ প্রথমে গিয়েই আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করবো। এরপর মিটিং রয়েছে তাতে অংশ নেবো।

    তিনি বলেন, চলচ্চিত্র পরিবারের প্রতিনিধি হয়েই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় আছি। আগামীকাল পথ সভা রয়েছে সেটাতেও অংশ নেবো। আগামীকাল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবো।

    এর আগে গত সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতি সংঘের ৭৩’তম অধিবেশন সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন রিয়াজ ও ফেরদৌস। এই প্রতিবেদন লেখার সময় তাঁরা পদ্মায় ফেরি থেকে নামছিলেন।

  • সিঙ্গাপুরে এক ডলার ঘুষ নেয়ায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দুই চীনা নাগরিকের

    সিঙ্গাপুরে এক ডলার ঘুষ নেয়ায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দুই চীনা নাগরিকের

    সিঙ্গাপুরে মাত্র এক ডলার(সিঙ্গাপুরিয়ান) ঘুষ নেয়ার দায়ে দুই চীনা নাগরিককে এক লাখ ডলার অর্থদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্নীতি বিরোধী কর্তৃপক্ষ।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন চেন জিলিয়াং(৪৭) এবং ঝাও ইউচুন(৪৩)। এই দুই চীনা অভিবাসী সিঙ্গাপুরের একটি কন্টেইনার কোম্পানিতে কাজ করতেন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এসব কথা জানায় যুক্তরাজ্যের বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    সিঙ্গাপুরের দুর্নীতি তদন্ত ব্যুরো একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, চেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো তিনি মালবাহী ট্রাকচালকদের কাছ থেকে এক ডলার করে ঘুষ নেয়ার চেষ্টা করেন যেন তাদের ট্রাকে কন্টেইনার তুলতে দেরি না হয়। এর আগেও তিনি এই ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। একই অভিযোগে অভিযুক্ত ঝাও।

    আরও জানিয়েছে, ঘুষ নিয়ে কাউকে সুবিধা দেয়ার পরিবর্তে কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবে এটাই আশা করা হয়। এমনকি, যদি কেউ এক ডলার ঘুষ হিসেবে নেয়, তবে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।

    প্রসঙ্গত, বার্লিন-ভিত্তিক বৈশ্বিক দুর্নীতি বিরোধী কোয়ালিশন ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল’র মতে, বিশ্বের কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সপ্তম সিঙ্গাপুর। ছোট-বড় কোনও ধরনের দুর্নীতিকেই যে সিঙ্গাপুর প্রশ্রয় দেয় না তার আরও একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো দেশটি।

  • প্রকাশ্যে রিক্সাচালককে পেটানো নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে

    প্রকাশ্যে রিক্সাচালককে পেটানো নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে

    হাতে সময় কম। দ্রুত গন্তব্যে যেতে হবে। সেই দ্রুততা যে কেমন গতির হবে তা বুঝতে চান না নারী। যেন মুহূর্তেই তাকে পৌঁছে দিতে হবে।

    কিন্তু রিকশাচালকের প্যাডেলের গতি পছন্দ নয় ওই নারীর। তাই আরও জোরে চালাতে নির্দেশ দেন। কিন্তু রিকশাচালক জানান, এর চেয়ে বেশি জোরে চালাতে পারবেন না। এতেই বিপত্তি চালকের।

    ক্ষিপ্ত নারী চড়াও হন চালকের ওপর। শুরু করেন মারপিট। সপাটে থাপ্পড় দিতে থাকেন রিকশাচালককে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও হয়।

    ঘটনার ভিডিও দৃশ্য সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অনেক পথচারী ওই নারীর আচরণের প্রতিবাদ করছেন। তবে কোনো প্রতিবাদেই নিজের অবস্থান থেকে সরেননি নারী।

    সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ‘সাইবার ৭১’ এর অফিসিয়াল পেজে ভিডিওটি মঙ্গলবার শেয়ার করা হয়েছে। তবে ঘটনাটি কবে, কোথায় ঘটেছে তা উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু ঘটনা বাংলাদেশের তা অনুমান করা যাচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের উচ্চ পদে প্রথম বাংলাদেশি

    যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের উচ্চ পদে প্রথম বাংলাদেশি

    যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি–আমেরিকান খন্দকার আব্দুল্লাহ পুলিশের উচ্চপর্যায়ের নির্বাহী পদে যোগ দিচ্ছেন।বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও শক্তিশালী পুলিশ বাহিনী হিসেবে পরিচিত এনওয়াইপিডির ক্যাপ্টেন পদে যোগদান করছেন ৩৩ বছর বয়সী খন্দকার আব্দুল্লাহ। রাজনৈতিক আনুকূল্য পেলে খন্দকার আব্দুল্লাহ হতে পারেন নিউইয়র্ক নগরীর প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কমিশনার।

    ক্যাপ্টেনের পর নিউইয়র্ক পুলিশের পরের ধাপের পদবি পুলিশ কমিশনার, যা রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। খন্দকার আব্দুল্লাহ প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, আগামী ২১ ডিসেম্বর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিবাসী হয়ে ১৯৯৩ সালে খন্দকার আব্দুল্লাহ আমেরিকায় আসেন। নিউইয়র্কের বাংলাদেশিবহুল এলাকা কুইন্সের এস্টোরিয়া আর উডসাইড এলাকায় তাঁর বেড়ে ওঠা।

    ২০০৫ সালের সামারে নিউইয়র্কের পুলিশ বিভাগে যোগ দেন খন্দকার আব্দুল্লাহ। তিনি কলেজে পড়ার সময় জব ফেয়ারে দেখেন এনওয়াইপিডিতে লোক নেওয়া হচ্ছে। প্রথমে অনেকটা খেয়ালের বশে তিনি খণ্ডকালীন ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দেন পুলিশ বিভাগে। ইউনিভার্সিটিতে পড়া অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেন পুলিশ ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেওয়ার। অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার স্বপ্ন তাঁকে পেয়ে বসে সেই সময়েই।

    ২০০৭ সালে পুলিশ অফিসার হিসেবে শপথ নেন খন্দকার আব্দুল্লাহ। প্রথম আলোকে তিনি বললেন, ‘যে নগরী আমাকে, আমার মতো অভিবাসীদের অনেক দিয়েছে, সে নগরীর নিরাপত্তার শপথ নেওয়ার দিনটি ছিল বড় আবেগের।’ পুলিশ একাডেমির প্রশিক্ষণের পরই খন্দকার আব্দুল্লাহর প্রথম দায়িত্ব পড়ে ইস্ট নিউইয়র্কের অপরাধবহুল এলাকা বলে পরিচিত ব্রুকলিনের ৭৫ প্রিসিংটে (পুলিশ অফিস)।

    পরিবারের সঙ্গে খন্দকার আব্দুল্লাহ।পরিবারের সঙ্গে খন্দকার আব্দুল্লাহ।২০১৩ সালে খন্দকার আব্দুল্লাহ এনওয়াইপিডির কর্মকর্তা হিসেবে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এবার দায়িত্ব পড়ে সাউথ ব্রংকসে, যা নিউইয়র্ক পুলিশের সার্ভিস এলাকা-৭ নামে পরিচিত। অপরাধ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সাদা পোশাকের পুলিশের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন।

    লঙ আইল্যান্ড সিটির ১০৬ প্রসিংটেও এক বছর সার্জেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের আগস্টে খন্দকার আব্দুল্লাহ আবার লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি পান। লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতির পরই তাঁকে নিউইয়র্কে নগরীর ২৮ প্রিসিংট দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

    নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ হার্লেম এলাকায় লেফটেন্যান্ট খন্দকার আব্দুল্লাহ কমান্ডিং অফিসারের একান্ত প্রিয়ভাজন হয়ে ওঠেন নিজের সততা, দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তায়। এ সময়ে অপরাধ সংশ্লিষ্ট সমস্যা চিহ্নিতকরণ, অপরাধের তথ্য বিশ্লেষণ, কার্যকর কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং পরিকল্পনা ও গৃহীত কৌশলের সাফল্য নিয়ে কাজ করে কৃতিত্ব দেখান খন্দকার আবদুল্লাহ।

    একই সময়ে খন্দকার আব্দুল্লাহ নগরীর কৌঁসুলিসহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার সুযোগ পান। হার্লেম এলাকায় তাঁকে স্পেশাল অপারেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ দায়িত্ব তিনি ২০১৬ থেকে ২০১৮—এই দুই বছর পালন করেন। পরপরই তিনি পুলিশের পেশাদারি দেখাশোনাসহ নানা প্রশাসনিক কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

    বিভাগীয় চূড়ান্ত পরীক্ষার পর ১০ ডিসেম্বর খন্দকার আবদুল্লাহকে জানানো হয়, তিনি ২১ ডিসেম্বর ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এনওয়াইপিডির সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩৬ হাজার। নিয়মিত বাহিনীতে প্রায় তিন শ বাংলাদেশি আছেন। নিউইয়র্ক নগরীর ট্রাফিকসহ পুলিশের অন্যান্য বিভাগ মিলে ১ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

    কমিন্যাল জাস্টিসে স্নাতক খন্দকার আবদুল্লাহ তাঁর কর্মের জন্য এর মধ্যে পুলিশের আটটি মেডেল লাভ করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ নগরী নিউইয়র্কে খন্দকার আব্দুল্লাহর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে অনেক খুনি, মাদক সম্রাটসহ দুর্ধর্ষ অপরাধী। সিলেটের বালাগঞ্জ থানার তালতলা গ্রামের প্রয়াত খন্দকার মদব্বির আলী ও মুহিবুন্নেসা চৌধুরীর ছেলে খন্দকার আবদুল্লাহ শিশুকালে আমেরিকায় এলেও এখনো সাবলীল বাংলায় কথা বলেন।

    দুই সন্তানের জনক খন্দকার আব্দুল্লাহ স্ত্রীকে নিয়ে লঙ আইল্যান্ড এলাকায় থাকেন। খুশির সংবাদ জানার পর তিনি প্রথম আলোর মাধ্যমে বাংলাদেশিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। খন্দকার আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যাঁরা স্বদেশিদের সাফল্যে সদা গর্ববোধ করেন, তাঁদের প্রতি আমার সব ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের মুখ উজ্জ্বল হলেই নিজেকে ধন্য মনে করি।’

  • কেন ক্ষমা একটি মহৎ গুন? মহানবী (সাঃ)’র একটি চমৎকার ঘটনায়

    কেন ক্ষমা একটি মহৎ গুন? মহানবী (সাঃ)’র একটি চমৎকার ঘটনায়

    মহানবী (সাঃ) একদিন মসজিদে বসে আছেন । সাহাবীরা তাঁকে ঘিরে আছেন । এমন সময় মহানবী (সাঃ) বললেন, “এখন যিনি মসজিদে প্রবেশ করবেন, তিনি বেহেশতের অধিবাসী ।” একথা শুনে উপস্থিত সব সাহাবী অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রইলেন মসজিদের প্রবেশ মুখে ।

    সবার মধ্যে জল্পনা কল্পনা চলছে, হয়তো হজরত আবু বকর (রাঃ) বা হজরত উমর (রাঃ) অথবা এমন কেউ আসছেন যাঁদের বেহেশতের সুসংবাদ আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন । সবাইকে অবাক করে দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলেন একজন সাধারণ আনসার সাহাবী । এমনকি তাঁর নাম পরিচয় পর্যন্ত জানা ছিল না অধিকাংশের ।

    এরপরের দিনেও সাহাবীরা মসজিদে বসে আছেন নবীজি (সাঃ) কে ঘিরে । নবীজি (সাঃ) আবার বললেন, “এখন যিনি মসজিদে প্রবেশ করবেন, তিনি বেহেশতের অধিবাসী ।” সেদিনও মসজিদে প্রবেশ করলেন সেই সাহাবী । তৃতীয় দিন নবীজি (সাঃ) সাহাবীদের লক্ষ্য করে আবার ঘোষণা দিলেন, “এখন যিনি মসজিদে প্রবেশ করবেন, তিনি বেহেশতের অধিবাসী ।” এবং সাহাবীরা দেখলেন সেই অতি সাধারণ সাহাবী মসজিদে প্রবেশ করলেন ।

    পরপর তিনদিন এই ঘটনা ঘটার পর, সাহাবীদের মধ্যে কৌতূহল হলো সেই সাধারণ সাহাবী সম্পর্কে জানার জন্য । তিনি কেন অন্যদের চেয়ে আলাদা তা জানতে হবে । বিখ্যাত সাহাবী হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল আ’স (রাঃ) ভাবলেন, এই সাহাবীর বিশেষত্ব কী তা জানতে হলে তাকে নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে । তিনি সেই সাহাবীর কাছে গিয়ে বললেন, “আমার বাবার সাথে আমার মনোমালিন্য হয়েছে, তোমার বাড়িতে কি আমাকে তিন দিনের জন্য থাকতে দেবে ?’’

    সেই সাহাবী রাজী হলেন । হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকলেন, খুঁজতে থাকলেন কী এমন আমল তিনি করেন । সারা দিন তেমন কোন কিছু চোখে পড়ল না । তিনি ভাবলেন হয়তো তিনি রাত জেগে ইবাদত করেন । না, রাতের নামায পড়ে তো তিনি ঘুমাতে চলে গেলেন । উঠলেন সেই ফজর পড়তে ।

    পরের দুটি দিনও এভাবে কেটে গেল । হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) কোন বিশেষ আমল বা আচরণ আবিষ্কার করতে পারলেন না যা অন্যদের চেয়ে আলাদা । তাই তিনি সরাসরি সেই সাহাবীকে বললেন, “ দেখ আমার বাবার সাথে আমার কোন মনোমালিন্য হয় নি, আমি তোমাকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তোমার বাড়িতে ছিলাম । কারণ নবীজি (সাঃ) বলেছেন যে তুমি জান্নাতি। আমাকে বল তুমি আলাদা কী এমন আমল করো ?’’

    সেই সাহাবী বললেন, “ তুমি আমাকে যেমন দেখেছ আমি তেমনই, আলাদা কিছুতো আমার মনে পড়ছে না”।এ কথা শুনে হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে বিদায় জানিয়ে চলে যেতে থাকলেন । এমন সময় সেই সাহাবী হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) কে ডেকে বললেন, ‘আমার একটা অভ্যাসের কথা তোমায় বলা হয়নি –রোজ রাতে ঘুমাতে যাবার আগে আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দেই !

    যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, বা আমার প্রতি অন্যায় করেছে । তাদের প্রতি কোন ক্ষোভ আমার অন্তরে আমি পুষে রাখি না”। হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) একথা শুনে বললেন, “এ জন্যই তুমি আলাদা, এ জন্যই তুমি জান্নাতি”। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না (বুখারী ও মুসলিম)

  • খালেদা জিয়ার ব্যাপারে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ ফেরত

    খালেদা জিয়ার ব্যাপারে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ ফেরত

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি না লেখায় সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

    বুধবার এ বিষয়ে তৃতীয় বেঞ্চ গঠন না করে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।

    এর আগে, গতকাল সংক্ষিপ্ত আদেশের অনুলিপি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠায় হাইকোর্ট। ফলে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে, প্রধান বিচারপতি এ বিষয়টি সমাধানের জন্য তৃতীয় একটি বেঞ্চ গঠন করে দেবেন। কিন্তু আদেশের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি না লেখায় বেঞ্চ না গঠন করে প্রধান বিচারপতি এটি ফেরত পাঠিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে বিভক্ত আদেশ দেন হাইকোর্ট।

  • শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ

    শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ

    শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব রক্ষার কৌশল হিসেবে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর রংপুরের ৭৩ আসনে ৫৮ জন প্রার্থী ঘোষণা করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর মধ্যে মহাজোটগতভাবে ১২ জন এবং এককভাবে ৩৫টিতে লড়বে এরশাদের প্রার্থী। এরশাদের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হলো বলে দাবি করেছেন দলটির নীতিনিধারকেরা।
    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় নয়া দিগন্তকে জানান, মহাজোটগতভাবে ১২ জন এবং এককভাবে ৩৫ জন লড়বেন। এর মধ্যে মহাজেটগতভাবে লড়বেন নীলফামারী-৩ আসনে মেজর (অব:) রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-১ মো: মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কুড়িগ্রাম-১ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ মো: নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ অ্যাডভোকেট আলতাফ আলী।

    তিনি আরো জানান, এককপ্রার্থীর আসনগুলো হচ্ছেÑ রংপুর-২ আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ মেজর (অব:) আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুৎফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩, হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো: শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো: জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো: মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো: দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো: খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো: এস এম ফখর-উজামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা-৪ কাজী মো: মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু, জয়পুরহাট-১ আ স ম মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো: আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগাঁ-১ আকবর আলী কালু, নওগাঁ-২ মো: বদিউজ্জামান, নওগাঁ-৩ অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, নওগাঁ-৪ মো: এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো: আবুল হোসেন, রাজশাহী-৬ মো: ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ মো: আবু তালহা, নাটোর-২ মো: মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ মো: আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান এবং পাবনা-৫ মো: আব্দুল কাদের খান।
    শেষ মুহূর্তে এরশাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। জাতীয় পার্টির অন্যতম নীতিনির্ধারক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা নয়া দিগন্তকে জানান, স্যারের এই সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির নতুন মেরকরণ তৈরি হলো। যা সমৃৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে ভূমিকা রাখবে। তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে জাতীয় পার্টির দুর্গ আরো সুদৃঢ় হবে। এবং প্রতিটি আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন।

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাথে যুক্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ যখন কোনোভাবেই জাতীয় পার্টিকে ৫০টি আসন ছেড়ে দিতে নারাজ। ঠিক তখনই এরশাদ তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। তিনি কোনোভাবেই ২৯টি মহাজোটগতভাবে আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চাননি। এ কারণে তিনি ১৩১টি আসনে একক প্রার্থী (উন্মুক্ত) প্রার্থী দিয়েছেন। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ৭৩ আসনের মধ্যে ৩৫টি আসনে উন্মুুক্ত ভোটের জন্য প্রার্থীদের নির্দেশনা দিয়ে তা ফাইনাল করেছেন। এরশাদের এই সিদ্ধান্তে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা খুব খুশি।
    জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর নয়া দিগন্তকে জানান, আমার আসনটি মহাজোটগতভাবেই আমাকে দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু সেটি স্যারকে করতে দেয়া হয়নি। সে কারণে আমি স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী উন্মুুক্ত প্রার্থী হিসেবে লড়ছি। তিনি বলেন, যদি এখানে গায়েবি কোনো ভোট না পড়ে এবং সুষ্ঠু ভোট হয় তা হলে বিশাল ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে লাঙ্গল প্রতীক জয়ী হবে।

    জাতীয় পার্টির এই নীতিনির্ধারক মনে করেন, পার্টি চেয়ারম্যানের উন্ম্ক্তু প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের পার্লস। নেতাকর্মীরা এই মুহূর্তে সারা দেশে উজ্জীবিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় পার্টি একটি ভিন্নধারার মাইলফলক রচনা করল বলে আমি মনে করি। চাপ এবং বাঁধনে ফেলে এরশাদকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও মনে করেন তিনি। দেশের উন্নয়ন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় পার্টি এরশাদের হাত ধরে আরেকবার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে। সেই যাত্রা শুরু হলো আজ থেকে।

  • ফরিদপুরে বিএনপি কর্মীদের হামলায় আ.লীগ নেতা নিহত

    ফরিদপুরে বিএনপি কর্মীদের হামলায় আ.লীগ নেতা নিহত

    ভোটের প্রচারের দ্বিতীয় দিন প্রাণ ঝরল ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে। পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররাফ হোসেনের কর্মী ইউসুফ আল মামুনকে। তিনি নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছেন আরো একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

    মঙ্গবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গি গ্রামে একটি চায়ের দোকানে খুন হন আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ আল মামুন।

    ঘটনাটি যে বিএনপির সমর্থকরা ঘটিয়েছেন, সেটি স্বীকার করেছেন বিএনপির সমর্থনে জয়ী একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

    এদিকে আজকেই প্রথম নির্বাচনী জনসভা করেন নৌকার প্রার্থী খন্দকার মোশাররফ। তিনি তার আমলে এলাকায় উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আবার ভোট চান। আর তার কর্মীকে যখন হত্যা করা হয় তখন এলডিআরডি মন্ত্রী ছিলেন কানাইপুরের জনসভায়।

    এই ঘটনায় সমর্থকদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। বলেছেন, হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে বসে রাজনৈতিক আলাপ আলোচনা করছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ আল মামুন। এক পর্যায়ে বিএনপির সমর্থকরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করেন মামুন। বাধে তর্ক।

    এক পর্যায়ে মামুনের উপর চড়াও হন বিএনপির সমর্থকরা। ক্রমাগত পেটানো হয় তাকে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লালন ফকিরও।

    জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা বলেছেন, ‘এই হামলার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার চেষ্টা করেছে। এই ধরনের ঘটনার নিন্দা জানাই এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করি।’

    ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছুটে যান হাসপাতালে। সেখানে ইউসুফের মরদেহ এবং আহত লালনকে দেখে তারা মর্মাহত হন। সেই সঙ্গে প্রকাশ করেন ক্ষোভ।

    বিএনপি সমর্থিত নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশতাকুজ্জামান স্বীকার করেছেন, ঘটনাটি তার দলের সমর্থকরা ঘটিয়েছে। তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘ইউসুফের সঙ্গে মজিদ নামে একজনর চা খাচ্ছিলেন। তিনি বিএনপির সমর্থক, তবে কোনো পদে নেই। সে এক পর্যায়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করে। ইউসুফ ঘটনার প্রতিবাদ করলে দুই জনের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।’

    ‘এই খবর পাওয়ার পর মজিদের স্বজনরা আশেপাশের এলাকা থেকে এসে দোকানের ঝাপ দিয়ে ইউসুফকে পেটায়। এতে মারা যান তিনি।’

    ফরিদপুর কোতয়ালি থাকার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দেব বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি। এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’

    ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ এলাকায় ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’

  • শেখ হাসিনার নির্বাচনী সফরসূচি

    শেখ হাসিনার নির্বাচনী সফরসূচি

    বুধবার (১২ ডিসেম্বর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন শেখ হাসিনা। দুপুরে মাজার জিয়ারতের পর বিকালে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ায় পৃথক দুটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।

    এরপর বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) সড়কপথে ঢাকায় ফেরার সময় সাতটি স্থানে পথসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আজ মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এসব তথ্য জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে টুঙ্গিপাড়া থেকে সড়কপথে ঢাকা ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, পাটুরিয়া ঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাই রাবেয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও সাভার বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের পর থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ২০টি জেলায় নির্বাচনী সফর করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া সফর শেষে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবস, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং ১৭ ডিসেম্বর আলোচনাসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এরপর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ফের নির্বাচনী সফর শুরু করার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।

    ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ২০টি জেলা সফরের পরিকল্পনা আছে। যেসব জেলায় সফর করার কথা রয়েছে, সেগুলো হলো- রংপুর, সিলেট, নড়াইল, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, চট্টগ্রাম, জয়পুরহাট, বগুড়া, যশোর, বাগেরহাট, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টুঙ্গিপাড়া সফরের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক দেখভালের জন্য মঙ্গলবার একটি অগ্রবর্তী টিম সেখানে যায়।

    টিমের সদস্যরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন প্রমুখ।

  • যুবলীগ নেতাকে গুলি ও মাথা থেঁতলে হত্যা

    যুবলীগ নেতাকে গুলি ও মাথা থেঁতলে হত্যা

    নোয়াখালীতে মো. হানিফকে (২৪) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে ও ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করেছে দুর্বৃত্বরা। হানিফ সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ইউনিয়নের দক্ষিণ চরশুল্লুকিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত তা জানা না গেলেও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ইমন ভট্টর অভিযোগ করে বলেন, ‘এওয়াজবালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মো. শাজাহানের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।’

    সুধারাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।