Blog

  • মেসিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন রোনালদো

    মেসিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন রোনালদো

    এবারের লা লিগাটা বেশ জমে উঠেছে। ১৫ ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও বলা যাচ্ছে না কার কাছে যাবে এবারের লিগ শিরোপা। গত কয়েক মৌসুমে বছরের এ পর্যায়ের আসার পরই নিশ্চিত জানা যেত লা লিগার শিরোপা কোন শহরে যাচ্ছে। কিন্তু এবার সেটা বলার জো নেই। কিন্তু এত জমজমাট লা লিগাতেও খামতি রয়ে যাচ্ছে এবার। কারণ, মেসি তাঁর মতো আলো ছড়ালেও, তাঁর সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো আর কেউ যে নেই স্পেনে।

    নয় মৌসুম রিয়াল মাদ্রিদে কাটিয়ে এবারই জুভেন্টাসে পাড়ি দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফলে বিশ্বসেরার প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন আর স্পেনে আটকে নেই। মেসি-রোনালদো দুজনই আলো ছড়াচ্ছেন এ মৌসুমে। তবে দুজনে ভিন্ন লিগে। নতুন লিগে দারুণ মানিয়ে নিয়েছেন রোনালদো। জুভেন্টাসের হয়ে মৌসুম শুরুর ৬০ বছর পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। এমন অবস্থায় স্পেনের কথা ভুলেই যাওয়ার কথা তাঁর। কিন্তু একজনের কথা ভুলতে পারছেন না রোনালদো। প্রতিদ্বন্দ্বী মেসিকে! লা গেজেত্তা দেল্লো স্পোর্তকে বলছেন, ‘আমি হয়তো ওকে (মেসিকে) একটু মিস করছি। আমি ইংল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, পর্তুগাল , জাতীয় দল সবখানেই খেলেছি, আর ও স্পেনেই রয়ে গেল। হয়তো, ওর আমাকে আরও দরকার।’

    আর এ কারণেই চান তাঁর দেখাদেখি মেসিও ইতালিতে আসুক, আবারও দুজনের মধ্যে একটু প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠুক, ‘আমার কাছে জীবন মানেই চ্যালেঞ্জ। আমি চ্যালেঞ্জ পছন্দ করি এবং আমি চাই এটা আমাকে সুখী করুক। আমার ভালো লাগবে যদি সেও একদিন ইতালিতে আসে। আমি যা করেছি, তা করুক। চ্যালেঞ্জটা নিক। তবে সে ওখানেই সুখী, আমি এটা সম্মান করি। সে দারুণ খেলোয়াড়, দারুণ এক ব্যক্তি। কিন্তু আমি কোনো কিছু মিস করি না (স্পেনের)। এটাই আমার নতুন জীবন এবং আমি খুশি।’

    যুগের সেরা দুজন নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও চলেছে এত দিন। তবে এ বছর অনেক কিছু বদলে গেছে। গত এক দশকে এই প্রথম বছরের সেরা খেলোয়াড়ের সব পুরস্কার জিতে নিয়েছেন এ দুজনের বাইরে অন্য কেউ। সাবেক সতীর্থ লুকা মদরিচের কাছে এবার সেরা খেলোয়াড়ের সব ট্রফি খুঁইয়েছেন রোনালদো। মেসি ছাড়া এ কাজ গত এক দশকে খুব কম লোকই করতে পেরেছেন। আর ব্যালন ডি’অর প্রতিযোগিতায় তো মেসি ছাড়া কেউওই করতে পারেননি। এবারের ব্যালন ডি’অরেও রোনালদো এগিয়ে ছিলেন অনেকটাই। রিয়ালকে টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ এনে দেওয়ায় তাঁর ১৫ গোলের ছিল অনেক বড় ভূমিকা।

    এ নিয়ে তাঁর বন্ধু-পরিবার হতাশা প্রকাশ করেছে সরাসরি। রোনালদো অবশ্য মদরিচকে অভিনন্দনই জানালেন, ‘আমার তো ধারণা ব্যালন ডি’অর আমার প্রতি বছর জেতা উচিত। আমি এ জন্য পরিশ্রম করি। কিন্তু না জিতলে সব শেষ হয়ে গেছে এমন নয়। আমি এ সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই। মাঠে আমি জেতার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করেছি, সংখ্যা মিথ্যা বলে না। কিন্তু পাইনি বলে আমি কম খুশি, তাও না। আমার অসাধারণ বন্ধু আর পরিবার আছে, আমি বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবের হয়ে খেলি। আপনার ধারণা আমি বাসায় গিয়ে কান্নাকাটি করি এ নিয়ে? আমি অবশ্যই হতাশ হয়েছি কিন্তু জীবন এগিয়ে যায়। আমি আরও বেশি পরিশ্রম করব। যাই হোক, মদরিচকে অভিনন্দন, সে এটার যোগ্য। কিন্তু আগামী বছর আবার দেখা হবে এবং আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব জেতার।’

  • কেমন আছে ঢাকার পার্ক ও উদ্যানগুলো?

    কেমন আছে ঢাকার পার্ক ও উদ্যানগুলো?

    নাসরিন জাহান লুনা: কর্মব্যস্ততার ফাঁকে একটু সুযোগ পেলেই ঘুরতে বের হন ঢাকাস্থ মানুষজন। বেড়ানোর জন্য বেছে নেন রাজধানীর বিভিন্ন পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র, উদ্যান ও মনোরম স্থান। এসবের মধ্যে আনোয়ারা পার্ক, শিশু পার্ক, চন্দ্রিমা উদ্যান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা পার্ক, বোটানিক্যাল গার্ডেন ও বাহাদুর শাহ পার্ক অন্যতম। যারা ভ্রমণ পিয়াসী বা দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে ঢাকায় ঘুরতে আসেন তারা এসব স্থানে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও শহরের কোলাহল থেকে একটু স্বস্তিকর পরিবেশ ঘুরে বেড়াতে পারেন। কিন্তু বর্তমানে বেহাল অবস্থায় রয়েছে এইসব স্থানগুলো।

    আনোয়ারা পার্ক
    ফার্মগেটের আনোয়ারা পার্ক এখন পরিণত হয়েছে গণশৌচাগারে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মল-মূত্রের দুর্গন্ধে আনোয়ারা পার্কের চার পাশের দেয়াল ঘেঁষা ফুটপাথ দিয়ে পথচারীরা হাঁটতেও পারছেন না। পার্কটির ভিতরের অংশে বেশির ভাগ গাছ মরে গেছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে সীমানা প্রাচীরের লোহার গেট ও রেলিং। অযত্ন, অবহেলায় নষ্ট হয়ে গেছে পার্কের ভিতরের পাকা হাঁটা পথ।

    শিশু পার্ক
    ইট-পাথরের এই শহরে শিশুরা অনেকটা খাঁচাবন্দী হয়েই বড় হচ্ছে। বড় হওয়ার পাশাপাশি তাদের মানসিক পরিপক্কতার জন্য দরকার বাইরের পৃথিবীর আলো-বাতাস, একটুকরো খোলা মাঠ। শিশু যদি আনন্দ নিয়ে কোনোকিছু শিখতে পারে তাহলে তা আর সারাজীবনেও ভোলে না। শেখার ব্যাপারটি বাদ দিলেও তাদের নির্মল বিনোদনের জন্য কতোটা করতে পারছেন এসময়ের অভিভাবকরা। সেই সুযোগই তো তাদের কম। তবে তার মধ্য থেকেও শিশুদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য অভিভাবকের দায়িত্বশীল থাকাটা জরুরি।
    শাহবাগের শিশুপার্কটি ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন শিশু পার্ক, এর সবচাইতে যে বিষয়টি আপনাদের ভালো লাগবে তা হলো এখানে সপ্তাহে একটি দিন সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল শিশুদের বিনামূল্যে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র শাহবাগে অবস্থিত শাহবাগ শিশু পার্কটি শহীদ জিয়া শিশুপার্ক বা ঢাকা শিশুপার্ক হিসেবেও পরিচিত।

    চন্দ্রিমা উদ্যান

    সংসদ ভবনের বিপরীতে ৭৪ একর জায়গা নিয়ে বর্তমান চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সমাধিস্থ করায় ১৯৮১ সালে এটিকে উদ্ভিদ উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভিদের নৈসর্গিক সৌন্দর্য বিস্তৃতির লক্ষ্যে এবং দর্শনাথীদের সুবিধার্থে ২০০৪ সালে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় করে এটিকে আধুনিকায়ণ করা হয় সব শ্রেণির মানুষের জন্য। কিন্তু ক্রমেই উদ্যানটি প্রেমিকযুগল এবং যৌনকর্মীদের দখলে চলে যাচ্ছে। এখানে টাকার বিনিময়ে অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়। উদ্যানটিতে নিরাপত্তা রক্ষা ও আপত্তিকর অবস্থা রোধ করতে ২২জন আনসার সদস্য থাকলেও তাদের সামনেই ঘটছে আপত্তিকর সব ঘটনা। এখানে হকারদের আধিপত্য, প্রেমিকযুগলের আপত্তিকর দৃশ্য, যৌনকর্মীদের দৌরাত্ম্য প্রকাশ্যেই চলে।

    সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
    বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই উদ্যানের প্রতিটি স্তম্ব, প্রতিটি স্মৃতিফলক। উদ্যানটিকে আগে রেসকোর্স ময়দান, জিমনেসিয়াম কিংবা সামরিক ক্লাব নামে ডাকা হতো। বর্তমানে একে গাঁজার আড্ডাখানা হিসেবে ডাকা হয় বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দর্শনার্থী। উদ্যানে গাঁজা এবং ইয়াবাসেবীদের আড্ডা জমে ওঠায় প্রতিদিন পুলিশের টহলের ব্যবস্থা করা হয়। মাঝে মাঝে পুলিশ আড্ডাস্থল ভেঙে দিলেও অন্যত্র গিয়ে বসে পড়ে নেশাদ্রব্য নিয়ে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্যানটি হয়ে ওঠে আরো ভয়ংকর। পুরো উদ্যানটি চলে যায় উদ্বাস্তু, যৌনকর্মী ও নেশাখোরদের দখলে।

    বাহাদুর শাহ পার্ক
    পুরান ঢাকার ব্যস্ত মানুষের জন্য বাহাদুর শাহ পার্ক অন্যতম। সকাল-সন্ধ্যা পার্কটি মুখরিত হয় পদচারণায়। বয়স্ক থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রেমিকযুগলের দখলে থাকে পার্কটি। ভেতরে সৌন্দর্য প্রদর্শনের জন্য একটি পানির ফোয়ারা থাকলেও সর্বশেষ কবে এটি চালু হয়েছে তা কেউ জানে না। পার্কের ভেতরে নির্মিত নবাব খাজা হাফিজুল্লাহর স্মৃতিফলক ও স্মৃতিস্তম্ভ দুটি নানা বর্ণের কবলে পড়ে বিবর্ণ হয়ে আছে। দুপাশে দুটি প্রবেশ পথ থাকলেও অজানা কারণে একটি প্রবেশ পথ বন্ধ রেখে সেখানে বসেছে চায়ের দোকান। পার্কের বাউন্ডারির চারপাশে অর্ধশত হকারের দৌরাত্ম্যে পার্কটি মুক্ত বাতাসের প্রতিধ্বনি হারিয়েছে। পাশেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার কন্টেইনার রাখায় দুর্গন্ধে স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া অবাধ মাদক সেবন, পার্কের ভেতর ব্যক্তিপ্রভাবসহ নানা সমস্যা দেখা যায়।

    রমনা পার্ক
    সূর্য ওঠার আগেই এর সকাল শুরু হয় কেডস কিংবা ক্যাম্বিসের জুতো চাপিয়ে হাটতে আসা প্রান্তঃজনের পদচারণায়। দুপুর থেকে বিকেল কাটে নীরবতার চরম উদাসীনতায়। এসময় কখনও ঘাসের বুকে কখনও কংক্রিটের চেয়ারে প্রেমিকযুগল হারিয়ে যায় রোমান্টিক প্ররোচনায়। বিকেল থেকে সন্ধ্যা রমনা যেন হারিয়ে যায় ভয়ানক ব্যস্ততায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন ব্যস্তময় জীবনে প্রশান্তি খুঁজে ফেরা মানুষ। কেউ কেউ ক্রিকেট-ফুটবল নিয়ে সময় কাটান। সেইসঙ্গে পাখিও নীড়ে ফেরার উচ্ছ্বাসে কিচিরমিচির শব্দে মাতিয়ে তোলে জনারণ্যে মুখরিত রমনার অঙ্গন। এত নৈসর্গিক রূপের মাঝেও রমনা নানা সমস্যার জর্জরিত। এর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশে দুটি প্রবেশ পথ থাকলেও পূর্ব পাশের প্রবেশ পথটি প্রায় সময় বন্ধ থাকে। এতে দর্শনার্থীরা বিড়ম্বনার শিকার হন। পার্কটিতে উদ্বাস্তুদের আনাগোনা চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি। এসময় এদের অনেকে গাঁজা, হিরোইনসহ বিভিন্ন নেশাদ্রব্য সেবন ও সরবরাহ করে। আপত্তিকর ঘটনা ঘটলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী না থাকায় সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ অধিকাংশ দর্শনার্থীর।
    সরেজমিন দেখা গেছে, এসব পার্কের বাইরে ও ভিতরে বসানো হয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্থায়ী ডাস্টবিন, উন্মুক্ত টয়লেট। ফলে দর্শনার্থীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন পার্ক থেকে। এমনকি প্রাতভ্রমণকারীও এসব পার্ককে এখন আর নিরাপদ বলে মনে করছেন না।

  • মার্কা পেয়ে প্রচারে প্রার্থীরা

    মার্কা পেয়ে প্রচারে প্রার্থীরা

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে নিবন্ধিত ৩৯টি দলই। এছাড়াও রয়েছেন দুই শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংসদ নির্বাচনের জন্য ৬৪টি প্রতীক সংরক্ষণ করেছে।

    এরমধ্যে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে নিজস্ব এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবশিষ্ট প্রতীকগুলো থেকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় পার্টি সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় হাজারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে নির্বাচনী মাঠে।

    আজ সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশন এবং জেলা প্রশাসকরা তাদের কার্যালয়ে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন। মূলত প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রচারণা শুরু করেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

    ইসি সূত্র বলছে, এবার ১৯ দিন প্রচার কাজ চালানোর জন্য সময় পাচ্ছেন প্রার্থী-সমর্থকরা। কেননা, প্রচার কাজ বন্ধ করতে হবে ২৮ ডিসেম্বর মধ্য রাত ১২টায়।

  • অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এখন থেকে মামলা করব : ফখরুল

    অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এখন থেকে মামলা করব : ফখরুল

    পাকিস্তান হাইকমিশনে মির্জা ফখরুলের বৈঠক ও আইএসআইয়ের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, ‘এই বক্তব্য শুধু বিএনপিকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য। আওয়ামী লীগের এই প্রবণতা আছে যে বিএনপিকে এমন সংস্থা বা দেশের সঙ্গে যুক্ত করে বিপদে ফেলতে চায়। আমরা সব সময় জনগণের মতামত নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছি। কোনো সংস্থা বা দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।’

    সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

    সরকার পরিকল্পিত ও সুচিন্তিতভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপপ্রচারে মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, ‘এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এখন থেকে আমরা মামলা করব।’

    ওবায়দুল কাদের ও আবদুর রহমানের বক্তব্য প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’

  • কুতুবদিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

    কুতুবদিয়া প্রতিনিধি ঃ
    “আসুন, জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই”

    স্লোগানে সারা দেশের ন্যায় কুতুবদিয়ায়ও নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রবিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা চত্বরে দুর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক)।

    উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবদুস্ ছাত্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসিম আল্ মাহমুদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস, উপ-পরিদর্শক (এস.আই) সাইফুল ইসলাম, বড়ঘোপ ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সহযোগী অধ্যাপক আওরঙ্গজেব সিকদার, কুতুবদিয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম.নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক মোঃ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মাষ্টার শুক্কুর আলম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ খান, সদস্য মাষ্টার সমীর শীল, কুতুবদিয়া কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক নাসির উদ্দিন, কুতুবদিয়া কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মহাজোট থেকে প্রাপ্ত ও নিজেরা যেসব আসনে নির্বাচন করবে জাপা

    ১৭২ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে বলে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে দলটি। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোটের হয়ে ২৯ আসনে ভোট করবে জাতীয় পার্টি। সে ক্ষেত্রে এই ২৯ আসনে মহাজোটের একক প্রার্থী থাকবে লাঙ্গলের।বাকি আসনগুলো উন্মুক্ত থাকবে।

    রবিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনে এসে এই তালিকা জমা দেয় দলটি।

    জাপার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ২৯ জন প্রার্থী মহাজোটের প্রার্থী এবং জাতীয় পার্টির উন্মুক্ত ১৪৩ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হল।’

    আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে দেওয়ার জাপার প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন নীলফামারী-৩ আসনে মেজর অবসরপ্রাপ্ত রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-১ মো. মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কুড়িগ্রাম-১ একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ মো. নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ এ্যাড. আলতাফ আলী, বরিশাল-৩ গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রতনা, পিরোজপুর-৩ ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, টাঙ্গাইল-৫ শফিউল্লাহ আল মুনির, ময়মনসিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ মজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ, সিলেট-২ ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ জিয়াউল হক মৃধা, ফেনী-৩ অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর-২ মো. নোমান, চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

    জাতীয় পার্টির এককভাবে দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর-২ আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ অবসরপ্রাপ্ত মেজর আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, খুলনা-১ সুনীল শুভরায়, সাতক্ষিরা-১ সৈয়দ দিদার বখত্, সাতক্ষিরা-শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন, সাতক্ষিরা-৪ আব্দুস সাত্তার মোড়ল, জামালাপুর-৪, মোখলেছুর রহমান, শেরপুর-১ আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন, শেরপুর-৩ মো. আবু নাসের, সিলেট-৫ সেলিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী মামুনুর রশীদ, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুৎফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩, হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো. শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো. মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো. দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো. খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো. ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা ৪ কাজী মো. মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু, জয়পুরহাট-১ আ.স.ম. মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো. আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগা-১ আকবর আলী কালু, নওগা-২ মো. বদিউজ্জামান, নওগা-৩ এ্যাড. তোফাজ্জল হোসেন, নওগা-৪ মো. এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো. আবুল হোসেন, রাজশাহী-৬ মো. ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ মো. আবু তালহা, নাটোর-২ মো. মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ মো. আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান, পাবনা-৫ মো. আব্দুল কাদের খান, মেহেরপুর-১ আব্দুল হামিদ, মেহেরপুর-২ মো. কেতাব আলী, কুষ্টিয়া-১ মো. শাহারিয়ার জামিল, কুষ্টিয়া-৪ মো. আশরাফুল সোলাইমান, চুয়াডাঙ্গা-১ এ্যাড. মো. সোহরাব হোসেন, যশোর-২ এবিএম সেলিম রেজা, যশোর-৩ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, যশোর-৪ মো. জহুরুল হক, যশোর-৫ এমএ হালিম, যশোর-৬ মো. মাহাবুব আলম, মাগুরা-১ মো. হাসান সিরাজ, নড়াইল-১ মো. মিল্টন মোল্যা, নড়াইল-২ খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, বাগেরহাট-৩ মো. সেকেন্দার আলী মনি, বাগেরহাট-৪ সোমনাথ দে, খুলনা-৪ হাদিউজ্জামান, খুলনা-৫ মো. শহীদ আলম, খুলনা-৬ শফিকুল ইসলাম মধু, বরগুনা-২ মিজানুর রহমান মল্লিক, পটুয়াখালী-৩ মো. সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৪ আনোয়ার হোসেন, ভোলা-১ কেফায়েত উল্লাহ নজিব, ভোলা-৩ নুরুন্নবী সুমন, বরিশাল-২ সোহেল রানা, বরিশাল-৫ একেএম মর্তুজা আবেদীন, ঝালকাঠি-১ এমএ কুদ্দুস খান, ঝালকাঠি-২ এমএ কুদ্দুস খান, পিরোজপুর-১ মো. নজরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৪ সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন, টাঙ্গাইল-৭ মো. জহিরুল ইসলাম জহির, জামালপুর-১ আব্দুস সাত্তার, জামালপুর-২ মোস্তফা আল মাহমুদ, জামালপুর-৩ অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুর আহাদ হেলাল, ময়মনসিংহ-৫ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৬ ডা. কেআর ইসলাম, ময়মনসিংহ-৭ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৯ হাসনাত মাহমুদ তালহা, নেত্রকোণা-৩ মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, কিশোরগঞ্জ-৬ নুরুল কাদের সোহেল, মানিকগঞ্জ-৩ জহিরুল আলম রুবেল, মুন্সিগঞ্জ-১ শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ-৩ গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ঢাকা-২ শাকিল আহমেদ শাকিল, ঢাকা-৭ তারেক আহমেদ আদেল, ঢাকা-৮ মো. ইউনুস আলী আকন্দ, ঢাকা-১০ মো. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-১১ এস.এম. ফয়সল চিশতী, ঢাকা-১২ নাসির উদ্দিন সরকার, ঢাকা-১৩ শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ঢাকা-১৪ মোস্তাকুর রহমান, ঢাকা-১৫ মো. শামসুল হক, ঢাকা-১৭ এইচ.এম. এরশাদ, ঢাকা-১৯ কাজী আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা-২০ খান মো. ইসরাফিল, গাজীপুর-৩ আফতাব উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুর-৫ রাহেলা পারভীন শিশির, নরসিংদী-১ মো. শফিকুল ইসলাম, নরসিংদী-২ মো. আজম খান, নরসিংদী-৩ আলমগীর কবির, নরসিংদী-৪ মো নেওয়াজ আলী ভূঁইয়া, নরসিংদী-৫ এমএ সাত্তার, নারায়ণগঞ্জ-১ আজম খান, রাজবাড়ী-১ আক্তারুজ্জামান হাসান, রাজবাড়ী-২ এবিএম নুরুল ইসলাম, শরিয়তপুর-৩ মো. আবুল হাসান, সুনামগঞ্জ-৫ নাজমুল হুদা,

    সিলেট-১ মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মো. ওসমান আলী, সিলেট-৪ আহমেদ তাজ উদ্দিন তাজ রহমান, মৌলভীবাজার-২ এ্যাড. মাহাবুবুল আলম শামীম, হবিগঞ্জ-১ মো. আতিকুর রহমান, হবিগঞ্জ-২ শংকর পাল, হবিগঞ্জ-৩ মো. আতিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ তারেক এ আদেল, কুমিল্লা-১ মো. আবু জায়েদ আল মাহমুদ, কুমিল্লা-২ মো. আমির হোসেন, কুমিল্লা-৩ মো. আলমগীর হোসেন, কুমিল্লা-৪ মো. ইকবাল হোসেন রাজু, কুমিল্লা-৫ মো. তাজুল ইসলাম, কমিল্লা-৭ মো. লুৎফর রেজা, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, কুমিল্লা-৯ এটিএম আলমগীর, কুমিল্লা-১১ খায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, চাঁদপুর-১ এমদাদুল হক, চাঁদপুর-২ এমরান হোসেন মিয়া, চাঁদপুর-৪ মো. মাইনুল ইসলাম, নোয়াখালী-১ আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, নোয়াখালী-২ হাসান মঞ্জুর, নোয়াখালী-৩ ফজলে এলাহী সোহাগ, নোয়াখালী-৪ মোবারক হোসেন, নোয়াখালী-৫ সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬ নাসিম উদ্দিন মো. বায়জিদ, লক্ষ্মীপুর-১ আলমগীর হোসেন, লক্ষ্মীপুর-৪ আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ জহুরুল ইসলাম রেজা, চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল কবির, চট্টগ্রাম-৮ ফাতেমা খুরশীদ সোমাইয়া, চট্টগ্রাম-১২ মো. নুরুচ্ছফা সরকার, চট্টগ্রাম-১৪ আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ, খাগড়াছড়ি সোলায়মান আলম শেঠ, রাঙ্গামাটি এএকে পারভেজ তালুকদার।

  • ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন হাসনা হেনা

    ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন হাসনা হেনা

    ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী আত্মহত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া
    ওই প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি শিক্ষিক হাসনা হেনা ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেয়েছেন।

    রোববার বিকেলে এ জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ।

    এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্টন থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক জালাল উদ্দীন ।

    তিনি জানান, পুলিশ রিপোর্ট দাখিল না হওয়া পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    এর আগে বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

    পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসনা হেনা পুলিশকে জানিয়েছে, আমার কাজ হলো কোনো মেয়ে যদি ঝামেলা করে তাহলে তার বাবা-মাকে নিয়ে প্রিন্সিপালের কাছে দাঁড় করানো। এ ক্ষেত্রে মোবাইল পাওয়ায় আমি তাই করেছিলাম। এ ছাড়া আমার কোনো দায় নেই। অরিত্রির বাবা-মায়ের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। অধ্যক্ষ আমাকে যা বলেছেন আমি তাই করেছি।

    প্রসঙ্গত, সোমবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রী। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

    ঘটনার পর মঙ্গলবার রাত ১০টায় রাজধানীর পল্টন থানায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন অরিত্রীর বাবা।

  • এরশাদের পরেই হাওলাদার।

    এরশাদের পরেই হাওলাদার।

    জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পর দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদারের পদ মর্যাদা।

    শনিবার রাতে জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি শুনীল শুভ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এরশাদ স্বাক্ষরিত সাংগঠনিক নির্দেশে সম্বলিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী নিয়োগ করা হলো। তিনি পার্টি চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতে চেয়ারম্যানের সার্বিক সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবেন। তার পদমর্যাদা হবে- পার্টির চেয়ারম্যানের পরে দ্বিতীয় স্থানে।

    জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে চিঠি উল্লেখ করা হয়েছে।

  • আজ কুমিল্লা হানাদারমুক্ত হয়

    আজ কুমিল্লা হানাদারমুক্ত হয়

    একাত্তরের এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সম্মিলিত বাহিনী চারদিক থেকে এগিয়ে চলছে। রণপদ্ধতিতে ব্যাপক সুফল পেতে থাকে মিত্র বাহিনী। আর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মানেকশ বিভিন্ন ভাষায় লিফলেট ছড়িয়ে দিয়ে হানাদার বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন।

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে এ আশ্বাস দেন যে, আত্মসমর্পণ করলে তাদের প্রতি জেনেভা কনভেনশনের রীতি অনুযায়ী সম্মানজনক ব্যবহার করা হবে। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক শাসক কিছুতেই আত্মসমর্পণের দিকে না গিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সেনা সদস্যদের নির্দেশ দেয়। ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়তে থাকে। প্রতি ক্ষেত্রে হানাদার বাহিনীকে একের পর এক পরাজিত করতে থাকে মুক্তিবাহিনী।

    কুমিল্লায় হানাদার বাহিনীর অবস্থানের ওপর মুক্তিসেনারা আর্টিলারি আক্রমণ চালিয়ে শেষ রাতের দিকে তাদের আত্মসমর্পণ করাতে সক্ষম হয়। রাতব্যাপী যুদ্ধে ২৬ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। হানাদার বাহিনীর কিছু সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে বরুড়ার দিকে এবং সেনানিবাসে ফিরে যায়। বিমানবন্দরের ঘাঁটিতে ধরা পড়া পাকিস্তানি সেনারা আত্মসমর্পণ করে।

    এ দিন কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া হানাদারমুক্ত হয়। রাস্তায় নেমে আসে জনতার ঢল। কুমিল্লার সর্বস্তরের জনগণ মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে মুক্তির উল্লাসে বরণ করে নেয়। বিকালে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও জনতার উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা এবং কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাডভোকেট আহমদ আলী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। কুষ্টিয়ার মিরপুর থানায় কমান্ডার আফতাব উদ্দিন খান ১৭০ মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে গান স্যালুটের মাধ্যমে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

  • ফাইলবন্দি দুর্বল ব্যাংক একীভূতকরণ

    ফাইলবন্দি দুর্বল ব্যাংক একীভূতকরণ

    দুর্বল ব্যাংকগুলো একীভূত করা হবে এমন কথা বার বার বলা হলেও বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব ব্যাংক একীভূতকরণ ফাইলবন্দি রয়েছে। অবশ্য অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় এলে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূতকরণের উদ্যোগ হাতে নেবে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। তাই এই সময়ে বিষয়টি আর এগিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কার্যত, ভোটের বিবেচনায় সরকার দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি।

    দেশে বর্তমানে ৫৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থাকা সত্ত্বেও নতুন তিন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। তবে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এসব ব্যাংকের অনুমোদনে নীতিগত সায় দিয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভা ডাকা হলেও তা স্থগিত করা হয়। মূলত, বাংলাদেশ ব্যাংক শেষ সময়ে সমালাচনা এড়াতে বোর্ড সভা স্থগিত করে।

    জানা গেছে, ৫৯টি ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করলেও রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি খাতের কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা নাজুক। বর্তমান সরকারের প্রথম আমলে মোট ৯টি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আর এই মেয়াদে বাংলাদেশ পুলিশকে একটি ব্যাংক স্থাপনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে অনন্তপক্ষে তিনটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা খুবই নাজুক। এর মধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাংকও রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক রয়েছে। তার পরও দেশের বিশাল অঞ্চল ব্যাংক সেবার বাইরে রয়েছে। এ কারণেই নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। অনেক ব্যাংক একীভূত (মার্জার) করার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট কাটাতে সরকার কাজ করছে। অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ব্যাংক খাতে কোনো ধরনের তারল্য সঙ্কট নেই। অর্থমন্ত্রী এ ব্যাপারে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার কাজ শুরু হবে। যদি অন্য কেউ ক্ষমতায় আসে, তাহলে তাদের জন্য ব্যাংক সংস্কারের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়ে যাব। দুর্বল ব্যাংককে শিগগিরই মার্জার (এককীভূত করা) শুরু হবে। পলিটিক্যাল গ্রাউন্ডে আপাতত এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক মিনিস্টারই ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সংখ্যা বেশি হওয়ায় ব্যাংকগুলো একীভূত করা হবে। এ জন্য আইন ঠিকঠাক করা হচ্ছে।

    ব্যাংকিং খাতে একীভূতকরণে আইন হালনাগাদ করা হচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। সূত্র বলছে, বর্তমানে দেশে ১৯৯৭ সালের দেউলিয়া আইন রয়েছে। তার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি আধুনিক একীভূতকরণ আইন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

    বর্তমানে দেশে ব্যাংক খাতে মোট আমানত প্রায় এগারো লাখ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের আড়াইগুণ। দশ হাজারের বেশি শাখা সারা দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু সুশাসন ঘাটতি থাকায় অনেক ব্যাংক পিছিয়ে পড়ছে। চলতি বছরের শুরু থেকে ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার টানাটানি শুরু হয়। সঙ্কট থেকে বেড়ে যায় সব ধরনের ঋণ ও আমানতের সুদ হার। আমানতকারীকে কোনো কোনো ব্যাংক ১১ শতাংশ হারে সুদ দিতে শুরু করে টাকার টানাটানি দূর করতে। আবার আমানতের উচ্চ সুদের হারের কারণে বিনিয়োগের সুদ হার ১৭-১৮ শতাংশ দাঁড়ায়।

    পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের নীতি সহায়তা চান বেসরকারি ব্যাংক মালিকরা। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট কাটাতে নতুন নিয়মে সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ পাচ্ছে বেসরকারি ব্যাংক। কমানো হয়েছে নগদ জমার হার (সিআরআর)। সকল তফসিলি ব্যাংকের মোট তলবি ও মেয়াদি দায়ের সাড়ে ৬ শতাংশ হারে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে এবং ৬ শতাংশ দৈনিক হারে নগদ জমা সংরক্ষণ করার বিধান ছিল। সেটি পুনর্নির্ধারণ করা হয় সাপ্তাহিক ভিত্তিতে সাড়ে ৫ শতাংশ এবং দৈনিক ভিত্তিতে ৫ শতাংশ। আগ্রাসী ব্যাংকিং করে তারল্য সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোর ঋণ আমানত হার নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনতে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, বেসরকারি ব্যাংকগুলা একগুচ্ছ সুবিধা নিয়ে গেলেও ঋণের সুদ হার কমানোর ব্যাপারে তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তবে নিজেদের ঘোষণা ব্যাংকগুলো কার্যকর করছে কি না তা খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত টিম। বিভিন্ন ব্যাংক সরেজমিন তদন্ত শুরু করেছে।