Blog

  • এলাকায় যাচ্ছে নির্বাচন সামগ্রী

    এলাকায় যাচ্ছে নির্বাচন সামগ্রী

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ব্যালট পেপার ছাপানো বাদে সব নির্বাচন সামগ্রী প্রস্তুত করা হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন।

    আজ শনিবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আঞ্চলিক পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে ভোটগ্রহণের এসব সামগ্রী। প্রথমদিনে যাচ্ছে ৩২টি জেলার সামগ্রী, বাকি জেলাগুলোতে রবিবার (৯ ডিসেম্বর) পাঠানো হবে।

    নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান জানান, যেসব নির্বাচনি সামগ্রী প্রস্তুত হয়েছে আমরা তা বিতরণ শুরু করেছি। অনেকগুলো জেলায় ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

    ব্যালট পেপার পাঠনো প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের উত্তরে ইসি বলেন, ‘ব্যালট পেপার ছাপানোর সময় এখনও আসেনি। প্রতীক বরাদ্দের পর কোন আসনে কতজন প্রার্থী থাকবে, সেটা চূড়ান্ত হওয়ার পর ব্যালট পেপার ছাপানো শুরু হবে। এরপর সেটা পর্যায়ক্রমে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হবে।’

    জানা গেছে, শনিবার সকাল থেকে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের অধীনস্ত ৩২ জেলায় নির্বাচনি সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। এরমধ্যে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এবং পোলিং অফিসারসহ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্র, নির্দেশিকা, ফরম ও প্যাকেট গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া, নির্বাচনি সামগ্রী যেমন— স্টাম্প প্যাড, অফিসিয়িাল সিল, মার্কিং সিল, ব্রাস সিল, লাল গালা, অমোচনীয় কালির কলম, ব্যাগ, চার্জার লাইট, ক্যালকুলেটর, স্টেপলার মেশিন ও স্টেপলার পিন ইত্যাদি নির্বাচন ভবনের গোডাউন থেকে বেলা একটার মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

    ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণের জন্য যা যা প্রয়োজন, সব কিছুই প্রস্তুত করা হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পরের দিন ব্যালট পেপার মুদ্রণের জন্য পাঠানো হবে। ব্যালটে সবার নাম পৃথকভাবে উল্লেখ থাকবে, তাই এগুলো মুদ্রণে একটু সময় লাগবে। তবে ভোটগ্রহণের সাতদিন আগে থেকে সেগুলো নির্বাচনি এলাকায় পাঠানো শুরু হবে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

  • বিদ্রোহীদের বশে আনতে শেখ হাসিনার চিঠি

    বিদ্রোহীদের বশে আনতে শেখ হাসিনার চিঠি

    একদশ সংসদ নির্বাচনে ৪ হাজারের মতো ব্যক্তি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইলেও ৩০০টি আসনে আড়াইশ জনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করছে আওয়ামী লীগ; ৫০টির মতো আসন ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে জোট শরিক বিভিন্ন দলকে। এরপরও একই আসনে যেমন আওয়াম লীগের একাধিক প্রার্থী রয়ে গেছে, তেমনি জোট শরিক দলকে আসন ছেড়ে দিতেও নারাজ স্থানীয় অনেক নেতা। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগের দিন শেখ হাসিনার একটি চিঠি তার ধানমণ্ডির দলীয় কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের দেওয়া হয় । আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সবার উদ্দেশে ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে আসন্ন নির্বাচনে মহাজোটকে বিজয়ী করতে সবাইকে সর্বাত্মকভাবে নামার আহ্বান জানান। দলের কাছে মনোনয়নপ্রত্যাশী সবার গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তাদের প্রায় সকলেরই ত্যাগ ও অবদান রয়েছে। রাজনীতিক ত্যাগ, দক্ষতা, যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার বিচারে প্রায় প্রত্যেকটি আসনেই ছিল একাধিক যোগ্য প্রার্থী। “একাধিক আবেদনকারীর মধ্যে থেকে একজনকে প্রার্থী হিসেবে নির্ধারণ করার কাজটি ছিল অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ।” প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দলীয় প্রার্থী বাছাই করার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আপনাকে মনোনয়ন দিতে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। “আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী ও কল্যাণমুখী রাজনৈতিক দলে পরিণত করার কাছে আপনার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও দেশের কল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকার জন্য আপনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।” রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই কারণে আমরা সমমনা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। “আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে মহাজোটের প্রার্থীর পক্ষে আপনার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে মহাজোটকে বিজয়ী করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করবেন।” “আপনার শ্রম আন্তরিকতা সব কিছুই আমার বিবেচনায় আছে,” ত্যাগ স্বীকারকারীদের মূল্যায়নের আশ্বাস দেন তিনি। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে এই নির্বাচনেও জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন সম্ভব বলে মনে করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। “আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবন্ধ থাকে, তাহলে নৌকা মার্কাকে পরাজিত করার সাংগঠনিক শক্তি আর কারও নেই।”

  • আ’লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেন যারা, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

    আ’লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেন যারা, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

    আওয়ামী লীগের সঙ্গে শরিকদের আসন সমঝোতা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে। এদিকে ২০০৮ সালের মতোই বেশি ছাড় দেওয়া হচ্ছে জাতীয় পার্টিকে। নিশ্চিত হয়েছে ২৮টি আসন। এদিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট সাতটি আসনে ছাড় পেয়েছে বলে দাবি করেছেন বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন দল নিজের এবং জোটের প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নের চূড়ান্ত চিঠি দেওয়া শুরু করেছে। আজকের মধ্যেই এই চিঠি বিতরণ শেষ হবে।

    এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইতিমধ্যে দলের এবং জোটের মনোনয়ন-প্রক্রিয়া শেষ করেছি। আজকালের মধ্যে আমরা এ প্রক্রিয়া শেষ করতে পারব। যাদের আমরা মনোনয়ন দিয়েছি, আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু করে আগামীকালের (শুক্রবার) মধ্যে সব কটিতে চিঠি পৌঁছাতে পারব বলে আশা রাখছি।’

    আওয়ামী লীগের যারা লড়ছেনঃ
    রংপুর বিভাগঃ
    পঞ্চগড়-১ মাজহারুল হক প্রধান ও পঞ্চগড়-২ নুরুল ইসলাম সুজন। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন ও ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম। দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ এইচ এম মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ও দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক।

    নীলফামারী-২ আসাদুজ্জান নূর। রংপুর-২ আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক, রংপুর-৪ টিপু মুনসি, রংপুর-৫ এইচ এম আশিকুর রহমান ও রংপুর-৬ শিরীন শারমিন চৌধুরী। লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন ও লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান মাহমুদ। গাইবান্ধা-২ মাহবুব আরা গিনি, গাইবান্ধা-৩ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং গাইবান্ধা-৫ ফজলে রাব্বী মিয়া।

    রাজশাহী বিভাগঃ
    রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ মনসুর রহমান ও রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল ওদুদ।

    নাটোর-১ শহীদুল ইসলাম বকুল, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক ও নাটোর-৪ আবদুল কুদ্দুস। বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবুর রহমান, জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু ও জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত মুন্না, সিরাজগঞ্জ-৩ আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল মোমিন ম-ল ও সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। পাবনা-১ শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবির, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরিফ ডিলু ও পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স।

    খুলনা বিভাগঃ
    খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, খুলনা-৩ বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ আবদুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও খুলনা-৬ আকতারুজ্জামান বাবু। সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ ও সাতক্ষীরা-৩ আ ফ ম রুহুল হক। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-২ শেখ সারহান নাছের তন্ময়, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন নাহার ও বাগেরহাট-৪ মোজাম্মেল হোসেন।

    যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ নাছির উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪ রণজিৎ কুমার রায়, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য ও যশোর-৬ ইসমত আরা সাদেক। চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আসগর টগর। মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর ও মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন দোদুল ও মেহেরপুর-২ সহীদুজ্জামান খোকন। নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মুর্তজা। কুষ্টিয়া-১ আ ক ম সারোয়ার জাহান, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব উল আলম হানিফ ও কুষ্টিয়া-৪ সেলিম আলতাফ জর্জ।

    বরিশাল বিভাগঃ
    বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-২ শাহে আলম, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ ও বরিশাল-৫ জাহিদ ফারুক শামীম। বরগুনা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও বরগুনা-২ শওকত হাচানুর রহমান রিমন। পটুয়াখালী-১ শাহাজান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ এস এম শাহজাদা ও পটুয়াখালী-৪ মহিবুর রহমান মুহিব। ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। ঝালকাঠি-১ বজলুল হক হারুন ও ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। পিরোজপুর-১ শ ম রেজাউল করিম।

    ঢাকা বিভাগঃ
    ঢাকা-১ সালমান এফ রহমান, ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা, ঢাকা-৭ হাজী মো. সেলিম, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ সাদেক খান, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক, ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা-১৮ সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ এনামুর রহমান এবং ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ।

    নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু ও নারায়ণগঞ্জ-৪ এ কে এম শামীম ওসমান। মুন্সীগঞ্জ-২ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ও মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস। গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ ইকবাল হোসেন সবুজ, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি ও গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ চুমকি। মানিকগঞ্জ-১ এ এম নাইমুর রহমান দুর্জয় ও মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন।

    টাঙ্গাইল-১ আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ আতাউর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ হাসান ইমাম খান, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ আহসানুল ইসলাম টিটু, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের।

    নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম হিরু, নরসিংদী-২ আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ, নরসিংদী-৩ জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহন, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন ও কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন।

    গোপালগঞ্জ-১ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা। মাদারীপুর-১ নুর-ই আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান ও মাদারীপুর-৩ আবদুস সোবহান গোলাপ। শরীয়তপুর-১ ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম ও শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক। ফরিদপুর-১ মঞ্জুর হোসেন, ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ফরিদপুর-৪ কাজী জাফরউল্লাহ।

    ময়মনসিংহ বিভাগঃ
    ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২ শরীফ আহম্মেদ, ময়মনসিংহ-৩ নাজিমউদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ বাবু, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৭ রুহুল আমিন মাদানী, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল ও ময়মনসিংহ-১১ তাজিমউদ্দিন আহমেদ ধনু।

    শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী ও শেরপুর-৩ এ কে এম ফজলুল হক। নেত্রকোণা-১ মানু মজুমদার, নেত্রকোণা-২ আশরাফ আলী খান খসরু, নেত্রকোণা-৩ অসীম কুমার উকিল, নেত্রকোণা-৪ রেবেকা মমিন ও নেত্রকোণা-৫ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল। জামালপুর-১ আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর-২ ফরিদুল হক খান, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, জামালপুর-৪ মুরাদ হাসান ও জামালপুর-৫ মোজাফফর হোসেন।

    সিলেট বিভাগঃ
    সিলেট-১ এ কে আবদুল মোমেন, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ ও সিলেট-৫ হাফিজ আহমেদ মজুমদার। হবিগঞ্জ-১ দেওয়ান শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী, হবিগঞ্জ-২ আবদুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ আবু জাহির ও হবিগঞ্জ-৪ মাহবুব আলী। সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান ও সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ নেছার আহম্মেদ ও মৌলভীবাজার-৪ আবদুস শহীদ।

    চট্টগ্রাম বিভাগঃ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র আ ম উবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ এবাদুল কবির বুলবুল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এ বি তাজুল ইসলাম।

    কুমিল্লা-১ সুবিদ আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমদ মেরী, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৪ রাজি মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৫ আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মোস্তফা কামাল এবং কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক।

    চাঁদপুর-১ মহীউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ দীপু মনি ও চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া। নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহীম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশিদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের ও নোয়াখালী-৬ আয়েশা ফেরদৌস। লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল। ফেনী-২ নিজামউদ্দিন হাজারী।

    চট্টগ্রাম-১ মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম-৬ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ আফছারুল আমিন, চট্টগ্রাম-১১ এম আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৫ আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী। কক্সবাজার-১ জাফর আলম, কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরোয়ার কমল ও কক্সবাজার-৪ শাহীনা আক্তার চৌধুরী। রাঙামাটি দীপংকর তালুকদার, বান্দরবান বীর বাহাদুর উসৈ সিং এবং খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা লড়বেন নৌকা নিয়ে

  • সিলেটে চারটি নৌকা ও দু’টিতে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়বেন মহাজোট প্রার্থীরা

    সিলেটে চারটি নৌকা ও দু’টিতে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়বেন মহাজোট প্রার্থীরা

    বর্তমান দুই সাংসদ নুরুল ইসলাম নাহিদ ও সেলিম উদ্দিনের ভাগ্য নির্ধারণের মধ্য দিয়ে সিলেট জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে মহাজোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে।

    এর আগে মহাজোটের চারপ্রার্থী ঘোষণা করা হয়। সব জল্পনা-কল্পনা ও শঙ্কা উড়িয়ে সর্বশেষ বুধবার সিলেট-৬ আসনে নুরুল ইসলাম নাহিদ ও শুক্রবার সিলেট-৫ আসনে সেলিম উদ্দিন মহাজোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পান। এ দুই হেভিওয়েটপ্রার্থী নিয়ে সিলেটের ৬টি আসনেই মহাজোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হলো।

    এ দু’জন ছাড়াও মহাজোটের অন্য চারপ্রার্থী হলেন সিলেট-১ আসনে ড. একেএম আবদুল মোমেন, সিলেট-২ আসনে ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া, সিলেট-৩ আসনে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস ও সিলেট-৪ আসনে ইমরান আহমদ।

    এদের মধ্যে সিলেট-২ ও সিলেট-৫ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জাপার বর্তমান দুই সাংসদ। অপর চারটিতেই নৌকা প্রতীকে লড়বেন আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট প্রার্থীরা।

  • বিশ্বের প্রথম হীরা খচিত বিমান!

    বিশ্বের প্রথম হীরা খচিত বিমান!

    সংযুক্ত আরব আমিরতে বিমান সংস্থা এমিরেটস এয়ারলাইনসের অফিসিয়াল টুইটার থেকে করা একটি পোস্টে দেখা যায় হীরা খচিত একটি বিমান টারম্যাকে দাঁড়িয়ে আছে। এখানে দেখা যায় উপরিভাগ হীরা ও অন্যান্য গ্রহরত্ন দিয়ে সজ্জিত। আর সেই ছবিই এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল।তাছাড়া এমিরেটস এয়ারলাইন রত্নখচিত বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিকে ‘ব্লিং ৭৭৭’ বলে উল্লেখ করেছে। এদিকে সাধারণ মানুষ যারা প্রথমবার এই বিমানের ছবিটি দেখেছেন, তাদের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন।কিন্তু জানা যায় বিমানটি সত্যি সত্যিই হীরা শোভিত নয়। এটি আসলে সম্পাদিত একটি ছবি। সারা শাকিল নামের একজন শিল্পী এটি করে পোস্ট করেছিলেন তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে। এদিকে তার এই ছবিতে প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ লাইক করেছে।

  • রাখাইনে ফের সংঘর্ষ, উচ্চপদস্থ অনেক সেনা কর্মকর্তার প্রাণহানি

    রাখাইনে ফের সংঘর্ষ, উচ্চপদস্থ অনেক সেনা কর্মকর্তার প্রাণহানি

    মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষে দেশটির সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ বেশ কিছু কর্মকর্তার প্রাণহানি ঘটেছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের কার্যালয় থেকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, রাখাইনের বুথিডং ও রাথেডং এলাকায় আরাকান আর্মির সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর কিছু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে কতজন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছে সেব্যাপারে ওই বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করেনি মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। তবে সেনাসদস্যরা চারজন আরাকান আর্মির সদস্যকে হত্যা এবং তাদের কাছ থেকে এম-২২ রাইফেল জব্দ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী বলছে, আরাকান আর্মির সদস্যরা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ঘাটিতে অতর্কিতে হামলা চালায়। পাল্টা প্রতিরোধ হিসেবে গত ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে তারা ক্লিয়ারেন্স অপারেশন পরিচালনা করে।

    সংঘর্ষের সময় আরাকান আর্মির কমপক্ষে ৮০ জন যোদ্ধা সেনাবাহিনীর ইউনিট বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা করে। সংঘর্ষের সময় বিদ্রোহীরা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ ঘটায় বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

    দেশটির উত্তরাঞ্চলের এই প্রদেশে সেনাবাহিনীর কোন ইউনিট কাজ করে সেটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। তবে বিবৃতিতে আরাকান আর্মির সদস্যদের ‘সশস্ত্র বিদ্রোহী’ বলে দাবি করা হয়েছে।

    মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযোগ, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত বরাবর যে সীমান্ত বাঁধ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছে আরাকান আর্মি।

    বিবৃতিতে আরাকান আর্মির হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, আরাকান আর্মির এমন মনোভাবের কারণে সীমান্ত অঞ্চলে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হবে।

    গত ৪ ডিসেম্বর আরাকান আর্মি এক ঘোষণায় জানায়, উত্তর বুথিডংয়ে আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ইউনিট (লাইট ইনফ্যান্ট্রি-৫৬৪) ঢুকে পড়ে। আরাকান আর্মির দাবি, সংঘর্ষের সময় মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনীর সাত সদস্যকে হত্যা করেছে তারা।

    আরাকান আর্মি বলছে, খুব শিগগিরই তারা তাদের বিরোধীপক্ষের সেনাদের মৃতদেহ, আগ্নেয়াস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধক্ষেত্রের রেকর্ড প্রকাশ করবে।

    সহিংসতাপূর্ণ রাখাইনে আরাকান আর্মির ঘাঁটিগুলো নিশ্চিহ্ন ও সেনা সামর্থ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এই অঞ্চলে আরো সঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরাকান আর্মি।

    গত নভেম্বরের মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় আরাকান আর্মি জানায়, মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলের ছিন প্রদেশের পেলেতোয়া এবং রাখাইনের পাহাড়ি এলাকায় আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষে সশস্ত্র বাহিনীর এক কমান্ডার-সহ ২০ জনেরও বেশি সেনাসদস্য নিহত হয়।

    আরাকান আর্মির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারা মিলিটারি লাইট ইনফ্যান্ট্রি ৩৭৩, ৫৩৯, ৫৩৫, ৩৮০, ৫৪২ ও ২৮৯ রেজিমেন্টের বিরুদ্ধে গত অক্টোবর থেকে পেলেতোয়া ও বুথিডং শহরে বেশ কয়েকেটি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল।

  • কাতারে কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম সিলেটের সাঈদ

    কাতারে কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম সিলেটের সাঈদ

    কাতারে অনুষ্ঠিত ২৫তম শেখ জসিম বিন মোহাম্মদ বিন থানি পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লালটেক গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল ইসলামের দ্বিতীয় পুত্র শিশু হাফিজ মো: সাইদ ইসলাম মাহি (১৩)।

    সোমবার অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ২৬ জন প্রতিযোগীর মধ্যে সে প্রথম স্থান অধিকার করে। উল্লেখ্য এ প্রতিযোগিতায় ৪টি দেশের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে কাতারে ইসলামিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্টিয়ারিং কমিটি ২০১৮-এর প্রতিযোগিতাটি সংগঠিত করে।

    কাতারে ইসলমী বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এইচ এইচ ড. গণিত বিন মুবারক আল কুওভারী কাছ থেকে প্রথম পুরস্কার ১ লক্ষ রিয়াল (২৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পায়) গ্রহণ করে। সে ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু করতে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী। মেয়েদের যখন বিয়ের প্রস্তাব আসে লজ্জায় গোপনে এই ১০টি কাজ করে তারা?

    ১. আমি আরো পড়তে চাই। গ্র্যাজুয়েশন শেষ হওয়ার পর নিশ্চয়ই আপনার এই অজুহাত কেউ মানতে চাইবে না।

    ২. আমি পড়ার জন্য দেশের বাইরে যেতে চাই। এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না। মেয়েদের তাঁর বাবা-মা একা দেশের বাইরে পাঠাতে রাজি হন না। তাই এই অজুহাত না দেখানোই ভালো।

    ৩. আমি আমার ক্যারিয়ারের কথা ভাবছি। এখন বিয়ে করলে কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠিত হতে পারব না। চাকরি করেও মানুষ সংসার করে। এমন অজুহাত দেখালে আপনি তো কোনোদিনও বিয়ে করতে পারবেন না।কারণ ক্যারিয়ারে শেষ বলতে কোনো কথা নেই। প্রতি মুহূর্তেই ভালো কিছু করার জন্য চেষ্টা করতে হয়। তাই এই অজুহাত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।

    ৪. বিয়ে আমার জন্য না। এই কথা বলে কখনোই বিয়ে বন্ধ করতে পারবেন না। তাই এমন কথা না বলাই ভালো।

    ৫. আগে আমি আমার ওজন কমিয়ে নিই, তারপর বিয়ের কথা ভাবব। এই উদ্ভট অজুহাতের কোনো মানে আছে বলুন?

    ৬. আমি রান্না করতে পারি না। আগে রান্না শিখব তারপর বিয়ে করব। বিয়ের পর অনেক কিছুই নতুন করে শিখতে হয়। তাই এতদিন যেহেতু রান্না শেখেননি।

    এখন আর শেখার প্রয়োজন নেই। রান্না করতে করতে এমনিতেই শিখে যাবেন। এটা বাবা-মাও ভালো বোঝেন। তাই তাঁদের সামনে এমন অজুহাত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।

    ৭. আমার অনেক টাকা জমাতে হবে, তারপর বিয়ের কথা ভাবব। মেয়েদের এই কথা কেউই মেনে নেবে না। তাই এই অজুহাত দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই।

    ৮. আমি এখন আমার বাবা-মাকে ছেড়ে যেতে পারব না। মেয়েরা কোনোদিনও তার বাবা-মাকে ছেড়ে যেতে চায় না। তাই এখন আর পরে বলে কোনো কথা নেই।
    ৯. ভাইয়া তো এখনো বিয়ে করেনি। আগে সে বিয়ে করুক, তারপর করব। ছেলেরা একটু দেরিতে বিয়ে করে এটাই স্বাভাবিক। তাই ভাইয়ের বিয়ের অজুহাত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।

    ১০. আম্মু তোমার বিয়েও তো ২৮ বছর বয়সে হয়েছে। আমাকে এত তাড়াতাড়ি বিয়ে দিতে চাচ্ছো কেন? মায়ের সঙ্গে নিজের তুলনা করে কোনো লাভ নেই। ভালো প্রস্তাব পেলে মা মেয়ের বিয়ে দিতে কখনোই দেরি করতে চান না। এএসএমওয়াই

  • বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসে রেজ্যুলেশন

    বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসে রেজ্যুলেশন

    বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনকে উৎসাহিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে রিপাবলিকান সংসদ সদস্য উইলিয়াম আর কিটিং।
    শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) কংগ্রেসে উপস্থাপিত এক রেজ্যুলেশনে কিটিং এই আহ্বান জানান।
    রেজ্যুলেশনটি বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
    মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতাকে সম্মান জানানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানিয়ে রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সব ধর্মের লোকদের মধ্যে সম্প্রীতি নিশ্চিত করার নির্বাচন কমিশনের অনুরোধকে যেন সরকার রক্ষা করে।
    সব রাজনীতিবিদ এবং জুডিসিয়াল কর্তৃপক্ষ যেন বাংলাদেশের ভোটারদের ইচ্ছাকে সম্মান জানায় এবং সব বাংলাদেশি যেন স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে তার জন্যেও এ রেজ্যুলেশনে আহ্বান জানানো হয়।
    বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, মানবাধিকার রক্ষা, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য এবং উগ্র ও ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান ঠেকানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেন বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ রক্ষা করে চলে।

  • বিয়ে ছাড়াই মা হলেন নারী চিকিৎসক

    বিয়ে ছাড়াই মা হলেন নারী চিকিৎসক

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিয়ে না করেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক নারী চিকিৎসক। ওই চিকিৎসকের নাম শিউলি মুখোপাধ্যায়।

    দীর্ঘদিন ধরে তিনি কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছেন এতোদিন বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দিলেও এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন।

    কলকাতার বালির বাসিন্দা এ নারী দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃত্বের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তার একাকিত্ব ঘোঁচাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলিদেবী এখন এক পুত্র সন্তানের মা।

    ৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছেলের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছেলের জন্মের পরেই এক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে শিউলির। তিনি বলেন, ‘ছেলের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। ’

    তিনি জানান, শেষে আদালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভার দেয়া একটি শিশুর জন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।

    শিশু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না।

    প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী-রোগ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শিশুর। তবে সিজারিয়ান করে ছেলের জন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি।

    শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়। কিন্তু বিয়ে বিষয়টি ছিল তার অপছন্দের।

    শিউলি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্রমশ একাকীত্বও বাড়ছিল। অল্পতেই রেগে যাচ্ছিলাম। তখনই এই সিদ্ধান্ত নিলাম। ’

    এর পরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে পাকাপাকি ভাবে সিঙ্গেল পেরেন্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি।

    নিজের হাসপাতালের স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে প্রবেশ করানো হয় তার শরীরে। হায়দরাবাদ ও মালদহের দুই মহিলাও তার চিকিৎসাতে সিঙ্গেল মাদার হতে চলেছেন।

  • প্রতিদিন ১টি এলাচ দূর করতে পারে ৮টি স্বাস্থ্য সমস্যা

    প্রতিদিন ১টি এলাচ দূর করতে পারে ৮টি স্বাস্থ্য সমস্যা

    খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। মনে মনে ভাবতে থাকেন এলাচ খাবারে না দিলেই কি নয়? কিন্তু সত্যিই এই এলাচ রান্নাতে না ব্যবহার করলেই নয়।

    কারণ রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানো এলাচের অন্যতম কাজ। কিন্তু আপনি জানেন কি রান্না ছাড়াও আপনি এলাচ খেলে তা আপনার ৮ টি শারীরিক সমস্যা দূরে রাখবে? অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানেন না। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস করেই দেখুন না, নানা রকম সমস্যার সমাধান পাবেন।

    ১) এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।

    ২) দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

    ৩) রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

    ৪) এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

    ৫) মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

    ৬) নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

    ৭) গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

    ৮) এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।