Blog

  • দ্বিতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ৫৯ রানে এগিয়ে ভারত

    দ্বিতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ৫৯ রানে এগিয়ে ভারত

    অ্যাডিলেড টেস্টে ২৫০ রানেই গুটিয়ে গেছে ভারতের প্রথম ইনিংস৷ টেস্টের প্রথমদিন ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। আজ শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর তৃতীয় বলেই স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মোহম্মদ সামি।

    জবাবে ৮৮ ওভার খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া। ভারতের চেয়ে এখনো তারা ৫৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে লড়েছেন কেবল ত্রাভিস হেড। তিনি ১৪৯ বল খেলে ৬ চারে ৬১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গে ৮ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন মিশেল স্টার্ক।

    ভারতের মতো অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাও ভালো হয়নি৷ ইনিংসের তৃতীয় বলেই ইশান্ত শর্মার শিকার হন অজি ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ৷ ভারতীয় ল্যাঙ্কি পেসারের দুর্দান্ত ইনকাটারে স্টাম্প ছিটকে দেয় ফিঞ্চের৷ তারপর উসমান খোয়াজা ও মার্কাস হ্যারিস দেখেশুনে খেলে অজি ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যায়৷ তবে ২২তম ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের স্পিনে পরাস্ত হন হ্যারিস৷ ব্যক্তিগত ২৬ রানে সিলি পয়েন্টে মুরলী বিজয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন হ্যারিস৷ ৫৯ রানের মাথায় শন মার্শকে সরাসরি বোল্ড করেন অশ্বিন। আর ৮৭ রানের মাথায় উসমান খাজাকে নিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন ভারতের এই স্পিনার।

    এরপর পিটার হ্যান্ডসকমকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করতে শুরু করেন ত্রাভিস হেড। কিন্তু ৩৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি এই জুটি। দলীয় ১২০ রানের মাথায় হ্যান্ডসকমকে রিশভ পন্তর হাতে ক্যাচ বানিয়ে ফেরত পাঠান জাসপ্রিত বুমরাহ। ১২৭ রানের মাথায় টিম পেইনকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন ইশান্ত শর্মা। দলীয় ১৭৭ রানের মাথায় কামিন্সকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরত পাঠান বুমরাহ। এরপর হেড ও স্টার্ক মিলে দিনের বাকি সময়টুকু পার করেন।

  • সবুজ আর ধূসর জাপানি দুই শহরের গল্প

    সবুজ আর ধূসর জাপানি দুই শহরের গল্প

    পাশাপাশি দুটো শহর সাকুরা ও ইনজাই। একটি যেন সবুজ প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। অন্যটি নিঃসঙ্গ মানুষের বিষাদে ধূসর। শুধু জনসংখ্যার কারণে জাপানের চিবা প্রশাসনিক অঞ্চলের দুটো শহর আজ ভিন্ন দুটি রূপে রয়েছে। দুই দশক পর এই ভিন্নতার মাত্রা আরও চরম আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ জন্য আঞ্চলিক সরকারগুলোকেই দায়ী করছেন বাসিন্দারা।

    রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই দুই শহরের আশা-নিরাশার গল্প।

    সাকুরার একটি পার্কে নিঃসঙ্গ হেঁটে বেড়াচ্ছেন এক বৃদ্ধ। ছবি: রয়টার্সসাকুরার একটি পার্কে নিঃসঙ্গ হেঁটে বেড়াচ্ছেন এক বৃদ্ধ। ছবি: রয়টার্সজাপানের রাজধানী টোকিওর উপকণ্ঠের চিবা প্রশাসনিক অঞ্চলের শহর সাকুরার বাসিন্দা কাতসুয়া কোদামাসের স্ত্রী দুই বছর আগে মারা গেছেন। স্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ বাড়ির বৌদ্ধ বেদিতে ৭৭ বছর বয়সী কাতসুয়া তাঁর ভস্ম রেখেছেন।
    স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে কাতসুয়া বলেন, ‘আমি রাত-দিন তাঁর সঙ্গে কথা বলতাম, তাঁকে সবকিছু বলতাম। অসুস্থ অবস্থায় তিনি যে চেয়ারে বসে গোসল করতেন, সেটাতে এখন বসে থাকি। চেয়ারটিতে বসলে অনুভূত হয়, আমি তাঁর কাছেই আছি।’
    সাকুরার সেন্নারিতে ৩০ বছর আগে এই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন এই দম্পতি। তাঁর মতো প্রিয়জন হারানোর এই অনুভূতি পুরো সাকুরায়। অথচ অতীতে জায়গাটি তরুণ বয়সী লোকজনে ভরা ছিল। এখন সেন্নারির বাসিন্দাদের প্রায় অর্ধেকের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে। ১ লাখ ৭৫ হাজার বাসিন্দার সাকুরা শহরে এক বছরে ৪০০ মানুষ ঝরে গেছে।

    এর চেয়ে পাশের ইনজাই শহর তুলনামূলক তারুণ্যে বেশি ভরপুর। সেখানে জীবনযাপন এর চেয়ে ভিন্ন। সেখানকার মোট ১ লাখ ৬০০ জনসংখ্যার মাত্র ২১ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। এই হার পুরো সাকুরা থেকে ১২ শতাংশ কম এবং জাতীয় পর্যায়ের গড় হার থেকে ৭ শতাংশ কম। এটাকে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ইনজাই শহরের একটি এলাকা। ছবি: রয়টার্সইনজাই শহরের একটি এলাকা। ছবি: রয়টার্স

    সাকুরার মতো ইনজাই শহরও টোকিও থেকে কম দূরত্বে অবস্থিত। ট্রেনে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে। দুটো শহরেই মিশ্র উন্নয়ন এবং উন্মুক্ত জমি ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রয়েছে। তবে শহর দুটির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এখানে মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন। জনসংখ্যা দুই দেশকে ভিন্ন পরিণতির দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

    জাপান সরকারের মতে, ইনজাইয়ে ২০৪০ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বাড়তে থাকবে, অন্যদিকে সাকুরায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত জনসংখ্যা কমে যাবে। ওই সময়ের মধ্যে পুরো জাপানে জনসংখ্যার হার ১৬ শতাংশ কমে যাবে।
    শহর দুটোর মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে—তরুণ পরিবারগুলোর কথা মাথায় রেখে ইনজাইয়ে পুনঃউন্নয়ন শুরু হয় আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে। শহরের উদ্যমী মেয়র জাতীয় ও আঞ্চলিক সরকারের কাছে দেন–দরবার শুরু করেন চিবা নিউটাউন নামে সেখানে বড় আবাসন প্রকল্প নেওয়ার জন্য। এটা হওয়ার পর ইনজাইয়ের বাসিন্দাদের আকৃষ্ট করার জন্য নানা বিনোদনমূলক ব্যবস্থা নেয় ও পার্ক স্থাপন করা হয়। চাকরিজীবীদের জন্য কর ছাড় দেওয়া হয়।

    ইনজাই শহরের একটি পার্কে মায়ের সঙ্গে খেলায় মত্ত এক শিশু। ছবি: রয়টার্সইনজাই শহরের একটি পার্কে মায়ের সঙ্গে খেলায় মত্ত এক শিশু। ছবি: রয়টার্সসাকুরায় করা হয়েছে ঠিক উল্টোটি। জাপানের অন্যান্য শহরের মতো গতানুগতিকভাবে তা এগিয়েছে। নতুন প্রজন্মের কথা ভাবা হয়নি। বাসিন্দাদের ভাষ্য, এর সরকারব্যবস্থা ১৯৫৫ সাল থেকে একটি রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণে। এই সরকার স্থানীয় ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে সহায়তা করছে, অথচ কোনো নতুন ব্যবসা চালু করছে না।

    জাপানে বয়স্ক লোকের হার বাড়ছে, কমছে জনসংখ্যা। এই প্রেক্ষাপটে সাকুরা ও ইনজাই শহর দুটি দেখিয়ে দিচ্ছে, দেশের অন্যান্য শহরের টিকে থাকার ক্ষেত্রে কী করতে হবে। এখানে বয়স্ক নাগরিকদের যত্নআত্তির ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামলানোর বিষয়টিও উঠে এসেছে। চিবা ইউনিভার্সিটির নগর-পরিকল্পনাবিষয়ক অধ্যাপক হিদেকি কোবায়াশি বলেন, ইনজাইয়ের মতো তরুণদের আকৃষ্ট করতে সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে, করছাড় ও দিবাযত্নকেন্দ্রের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

  • আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রেজা কিবরিয়া

    আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রেজা কিবরিয়া

    হবিগঞ্জ-১ আসনের গণফোরামের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। ফলে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তার ভোটে অংশগ্রহণ অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে।

    শুক্রবার নির্বাচন কমিশনে আপিলের দ্বিতীয় দিন শুনানি শেষে গণফোরাম নেতাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়।

    গত ২ ডিসেম্বর যাচাই বাছাইয়ে ‘ঋণখেলাপির’ অভিযোগে রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে করে দেওয়া হয়।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড বিভাগ ও ঢাকা ব্যাংক থেকে পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী শাহ আ স ম কিবরিয়ার ছেলে সম্প্রতি গণফোরামে যোগ দেন। আর এই দলটি বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিএনপির শাসনামলে কিবরিয়া হত্যার পর ওই সরকারের বিরুদ্ধে নানা প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন তার স্বজনরা। কিন্তু ১৪ বছরেও এই বিচার শেষ না হওয়ার হতাশা থেকে রেজা গণফোরামে যোগ দিয়ে বিএনপির শরিক হয়ে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে আছেন রেজার বাবাকে হত্যা মামলার আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। তিনি লড়বেন নেত্রকোণা-৪ আসন থেকে।

    নির্বাচন কমিশনে শুনানি শেষে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। আশা করছি সবাই পাবে।’

    গণফোরাম নেতার দাবি, তার বিরুদ্ধে ক্রেডিট কার্ডে ঋণ খেলাপির অভিযোগ আনা হলেও তিনি কখনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেননি, তার ঋণও বকেয়া নেই।

  • মহাজোটের শরিকরা তাদের ইচ্ছে মত নির্বাচন করতে পারে: আ’লীগ

    মহাজোটের শরিকরা তাদের ইচ্ছে মত নির্বাচন করতে পারে: আ’লীগ

    মহাজোটের শরিকরা তাদের ইচ্ছে মত দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। এতে আমাদের কোন আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    আজ শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এ কথা জানান।

    মহাজোটের শরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মহাজোট শরিকদের মাঝে সংসদ নির্বাচনে আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে আকাঙ্খা বেশি ছিল। তবে সকলের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা আ’লীগের সম্ভব নয়।

    এ সময় মহাজোট শরিক বিকল্পধারার মহাসচিব আব্দুল মান্নানকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, আপনারা বা আমাদের অন্যান্য শরিকরা চাইলে তাদের ইচ্ছে মত প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেন। আমরা আপনাদের রাজনৈতিক শক্তিমত্তা দেখতে প্রস্তুত। সে ক্ষেত্রে আপনাদের প্রার্থীরা নিজ দলের প্রতীকে (কুলা) নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। তবে আপনি (আব্দুল মান্নান) মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করছেন। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন দেয়া -২০০ প্রার্থী তাদের দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন। আমারা তাদের সাধুবাদ জানাব। তবে আমাদের (আওয়ামী লীগের) কোন প্রার্থী মহাজোট মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করবে না।

    আমাদের শরিকদের মাঝে প্রার্থী বাছাইয়ে মান অভিমান রয়েছে তবে কোন টানা পোড়েন নেই দাবি করে কাদের বলেন, আসন্ন নির্বাচনে আমাদের বিজয়ী হতে হবে। সে ক্ষেত্রে জয়ী প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে মহাজোট থেকে। পরাজয় বরণ করবে এমন প্রার্থীকে মহাজোট মনোনয়ন দেয়নি। বৃহত্তর স্বার্থে ত্যাগ স্বীকারের আহ্বান জানান দল ও শরিক থেকে বঞ্চিত প্রার্থীদের।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় আসলে আপনাদেরে এই আত্মত্যাগ যথাযথ ভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

  • শেখ হাসিনার এটাই প্রথম

    শেখ হাসিনার এটাই প্রথম

    এবার প্রথমবারের মত নির্বাচনে একটি আসনে লড়বেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রত্যেকবার একাধিক আসনে নির্বাচনে দাঁড়ান তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে নির্বাচন করার কথা থাকলেও একটি আসন ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

    রংপুর-৬ আসনে নির্বাচন করবেন না শেখ হাসিনা। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আজ শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগের একটি তালিকায় দেখা যায়, রংপুর-৬ আসনে শেখ হাসিনার বদলে সেখানে প্রার্থী হচ্ছেন শিরীন শারমিন।

    শেখ হাসিনা এবার দুটি আসনে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ দুটি আসন হলো গোপালগঞ্জ-৩, রংপুর-৬। এ দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমাও দেন তিনি। এর মধ্যে রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে শিরীন শারমিনও মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    এর ফলে এবারই প্রথমবারের মতো একটি আসনে ভোট করছেন শেখ হাসিনা। ১৯৯১ সাল থেকে সব নির্বাচনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

  • সকালবেলা স্বামী-স্ত্রী কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকার উপকারিতা

    সকালবেলা স্বামী-স্ত্রী কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকার উপকারিতা

    ১. যে স্বামী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বিপদের আশংকা থাকে কম। — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

    ২. বৌয়েরা ঘরের লক্ষ্মী হয়। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেওয়া হয়, তত বেশি সংসারে শান্তি আসে।— হুমায়ুন আহমেদ।

    ৩. স্ত্রীকে যথেষ্ট পরিমাণে সময় দিন, নাহলে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্বাস করুন। সংসার আর যুদ্ধক্ষেত্র মনে হবে না। — সুনীল গঙ্গপাধ্যায়।

    ৪. সেই পুরুষই কাপুরুষ যে স্ত্রীর কাছে প্রেমিক হতে পারেনি।— কাজী নজরুল ইসলাম।

    ৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রীকে ” আমি তোমাকে ভালোবাসি ” বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।— সত্যজিৎ রায়।

    ৬• স্ত্রীকে সপ্তাহে একদিন ফুচকা খাওয়াতে এবং মাসে একদিন ঘুরতে নিয়ে গেলে স্বামীর শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।— সমরেশ মজুমদার।

    ৭• অন্য নারীর সাথে পরকীয়া করার চেয়ে স্ত্রীকে একবেলা পেটানো ভালো। তবে পেটানোর পরে তিনগুণ বেশি ভালোবাসা আবশ্যক। — জহির রায়হান।

    ৮• মন ভালো রাখতে বৌকে ফেসবুক, ফোনবুক, নোটবুক সহ সব ধরণের একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন। — মার্ক জুকারবার্গ।

    ৯• মেয়েদের মনে ভালোবাসা এবং অভিমান দুটোই থাকে বেশি। তাই অভিমানটাকে ভালোবাসার চেয়ে বড় করে দেখা যাবে না। তাই স্বামীদের উচিৎ স্ত্রীর সব অভিমান ভালোবেসে ভাঙানো! — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

    ১০• একটা শিশুকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে মা যে কষ্ট সহ্য করে তা বাবা সারাজীবন ভালোবেসেও শোধ করতে পারে না। তাই প্রত্যেকটা স্বামীর উচিৎ তাঁর সন্তানের মাকে কোনোরকম কষ্ট না দেয়া। — জীবনানন্দ দাশ।

    ১১• যুদ্ধে বিজয়ী হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না৷ প্রকৃত বিপ্লবী তো সেই যে স্ত্রীর মনের একমাত্র বীরপুরুষ। — চে গুয়েভারা।

    ১২• স্ত্রীর সাথে হাসি ঠাট্টা মজা করা স্বামীর কর্তব্য। — হযরত মোহাম্মদ (সঃ)

    স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) এর বানীঃ

    হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ গোটা দুনিয়াই সম্পদে পরিপূর্ণ। এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হলো পূর্ণবতী স্ত্রী। (মুসলিম)

    হযরত আবু হুরাইয়া (রাঃ) বলেন, রাসুলে আকরাম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তির চরিত্র ও আচরণ সবচাইতে উত্তম, ঈমাদের দৃষ্টিতে সে-ই পূর্ণাঙ্গ মুমিন। তোমাদের মধ্যে সেই সব লোক উত্তম, যারা তাদের স্ত্রীদের কাছে উত্তম। তিরমিযী)

    হযরত উম্মে সালামা (রাঃ) এর বর্ণনা মতে, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ কোন স্ত্রী লোক যদি এমন অবস্থায় মারা যায় যে, তার স্বামী তার উপর সন্তুষ্ট, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিরমিযী)

    হযরত আবু হুরাইয়া (রাঃ) এর বর্ণনা মনে, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ আমি যদি কোন ব্যক্তিকে অপর কোন ব্যক্তির সামনে সিজদা করার জন্য নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করার জন্য। (তিরমিযী)

    হযরম মু’য়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) এর বর্ণনা মতে, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ যখনই কোন নারী তার স্বামীকে দুনিয়াতে কষ্ট দিতে থাকে, তখনই (জান্নাতের) আয়াতলোচনা হুরদের মধ্যে তার সম্ভাব্য স্ত্রী বলেঃ (হে অভাগিনী!) তুমি তাকে কষ্ট দিওনা। আল্লাহ তোমায় ধ্বংস করুক ! তিনি তোমার কাছে একজন মেহমান। অচিরেই তিনি তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন। (তিরমিযী)হযরত উসামা ইবনে যায়েদ বর্ণনা করেন, রাসুলে আকরাম (সাঃ) বলেনঃ আমার অনুপস্থিতে আমি পুরুষদের জন্য মেয়েদের চাইতে বেশী ক্ষতিকর ফিতনা (বিপর্যয়) আর রেখে যাইনি। (বুখারী ও মুসলিম)

    হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসুলে আকরাম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি তার বিছানায় স্বীয় স্ত্রীকে ডাকে; কিন্তু স্ত্রী তাতে সাড়া না দেয়ায় স্বামী তার উপর অসস্তুষ্ট হয়ে রাত কাটায়, তাহলে ফেরেশতারা ভোর পর্যন্ত তার প্রতি অভিশাপ বর্ষণ করতে থাকে । (বুখারী ও মুসলিম)

    হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, স্বামী বাড়ীতে উপস্থিত থাকা অবস্থায় তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর পক্ষে (নফল) রোযা রাখা বৈধ নয় । তার অনুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তিকে তার ঘরে ঢোকার অনুমতি দেয়াও তার (স্ত্রীর) জন্য বৈধ নয়। (বুখারী ও মুসলিম)

  • বিএড কোর্সে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু ১৭ ডিসেম্বর

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের বিএড, এমএড, বিএমএড, বিএসএড, বিপিএড, এমএসএড, এমপিএড ও এলএলবি কোর্সে ভর্তির ২য় পর্যায়ের অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে অনলাইনে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে ২৪ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions/) এসব কোর্সে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তা প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে বলা হয়েছে ভর্তিচ্ছুদের।

    প্রিন্টকৃত ফরমের সাথে আবেদন ফি বাবদ ৩০০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোতে জমা দিতে বলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কলেজেগুলোকে প্রার্থীদের প্রাথমিক আবেদন নিশ্চয়ন করতে বলেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    বিএডভর্তি হবেন যেসব প্রতিষ্ঠানে:

    সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাড়াও যেসব বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সনদ বিএডস্কেল/এমপিওভুক্তিসহ অন্যান্য সুবিধার জন্য গ্রহণযোগ্য তা হল: (১) সাতক্ষীরার হাজী ওয়াজেদ আলী টিচার্স কলেজ, ০১৭১২-৯৭৬৬৮৯ (২) মহানগর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, আজিমপুর, ঢাকা, ০১৭৮৬-০৮৮৫৫৫ (৩) হাজীগঞ্জ আইডিয়াল কলেজ অব এডুকেশন, চাঁদপুর, ০১৮১৪-৩৮৫১৯১ (৪) আমিরুল ইসলাম কাগজী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পাইকগাছা, খুলনা, ০১৯২৩-১০৫৩২৯ (৫) পিরোজপুর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পিরোজপুর, ০১৭২০-৬২১৭৩৩ (৬) কলেজ অব এডুকেশন বি.এড. বরিশাল, ০১৭১৭৩৮৮৬২৫ (৭) মুন্সী মেহেরুউল্লা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, যশোর, ০১৭১১-৪২৩৫৯২ (৮) জয়পুরহাট বি.এড কলেজ, জয়পুরহাট, ০১৭০-৭৭১৫৪০০ (৯) মঠবাড়িয়া টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর, ০১৭১৪-৭২৯৬১৩ (১০) বগুড়া বি.এড কলেজ,বগুড়া, ০১৭১১-৩৬৩৫২৮ (১১) দক্ষিণবঙ্গ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পটুয়াখালী, ০১৭১২-০৪৪৫৪৫ (১২) কক্সবাজার টির্চাস ট্রেনিং কলেজ, কক্সবাজার, ০১৮১৯-০১৪৫৪৬ (১৩) পরশ পাথর ট্রেনিং কলেজ,চট্রগ্রাম, ০১৭১১১৪৬৯২৫ (১৪) ডঃ মিয়া আব্বাস উদ্দীন টি.টি কলেজ, মোড়েলগঞ্জ, বাগেরহাট, ০১৭১৪-৫৭৩৬০০ (১৫) যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পালবাড়ী যশোর-০১৭১৬৩১৯৭২৬ ।

  • আমলকী পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

    আমলকী পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

    শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট – আপনি কি জানেন, একটি আমলকীতে প্রায় ২০টি কমলার সমান ভিটামিন সি থাকে? অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই! হ্যাঁ, ১০০ গ্রাম তাজা আমলকীতে থাকে প্রায় ৪৭০-৬৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। এই ফলকে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে।আমলকী ফল হিসেবে একটি অনন্য ফল। এছাড়া এটি ভেষজ চিকিৎসায় একটি কার্যকরী উদ্ভিদ।

    আমাদের দেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় ৫০০০ হাজার বছরের বেশি সময় ধরে দেহের প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং দেহের পুনর্যৌবন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হলদে সবুজ রঙের এই ফলটির রয়েছে আশ্চর্য ক্ষমতা।

    সারা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন ঋতুতে, বিভিন্ন আবহাওয়ায় মানুষ এই ফলটি খেয়ে থাকেন এবং ব্যবহার করে বিশেষ করেন এর টক, ঝাল, মিষ্টি ও তেঁতো স্বাদের জন্য। আমলকীর কিছু উপকারিতা আসুন জেনে নেয়া যাক:

    যকৃতের বিষাক্ততা দূর করে

    একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী যকৃতে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ বিশেষ করে যক্ষ্মা রোগের ঔষধের নেতিবাচক প্রভাব পরার ফলে যেসব বিষাক্ততার সৃষ্টি হয় তা দূর করতে সাহায্য করে।

    ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে

    যখন দেহ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে তখন দেহের জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেক সময় ক্যান্সার প্রতিরোধও করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের প্রদাহ এবং নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

    ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী

    যকৃতের এবং অগ্নাশয়ের প্রদাহ, ফোলা, ব্যাথা দূর করতে এবং সঠিকভাবে অগ্নাশয়ের কাজে সাহায্য করে। নিয়মিত আমলকী খেলে তা ইন্সুলিনের নির্গমনকে নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে বিশেষ করে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে। গবেষণায় দেখা যায় যে মাত্র ৩ গ্রাম আমলকীর গুঁড়ো অন্য যেকোনো ডায়াবেটিসের ঔষধের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

    পেটের ব্যাথা দূর করতে

    পেটের ব্যাথা, ডায়রিয়া, বমি, পেট মোচড়ানো, প্রদাহ সহ বিভিন্ন ধরনের হজমজনিত পেটের সমস্যা আমলকীর দ্বারা দূর করা সম্ভব।

    সুন্দর ত্বক, চুল এবং নখের জন্য

    আমলকী দেহ কোষের পুনর্গঠনে যার ফলে দেহে পুনর্যৌবন লাভ করে। নিয়মিত আমলকী খেলে এবং ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হয়, বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়, অকালে চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে এবং চুলের খুশকি দূর করার প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায় হচ্ছে এই আমলকী। শ্যাম্পু, ফেসিয়াল ক্রিম, চুলের মাস্ক এবং অন্যান্য আরো অনেক কিছুতেই আমলকী ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

    ত্বকের সমস্যা দূর করতে

    ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আমলকীর ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ব্রণ, ফুসকুড়ি, রুক্ষ ত্বক, ইত্যাদি ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যাসহ ত্বকের অনেক ধরনের প্রদাহ দূর করতে পারে এই আমলকী।

    চুলের সুরক্ষায়

    শুকনো আমলকীর গুঁড়ো সামান্য কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ১ ঘন্টা রেখে দিয়ে তারপর সেই মিশ্রণটি পুরো চুলে ম্যাসেজ করে লাগিয়ে আধা থেকে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে দ্রুত চুলের বৃদ্ধি হবে, আর্দ্রতা বজায় থাকবে, চুল হবে মসৃন এবং উজ্জ্বল।

  • লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ ও যা করণীয়!

    লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ ও যা করণীয়!

    লিভার ক্যান্সার বেশ জটিল একটি রোগ। বিভিন্ন কারণে এই ক্যান্সার হয়। লিভার ক্যান্সারকে লিভারের টিউমার বলা হয়। তবে টিউমার আর ক্যান্সার পুরোপুরি এক নয়। কারণ টিউমারের মধ্যে কোনো কোনোটা ক্যান্সার, যেটা ম্যালিগন্যান্ট। বাকিগুলো কোনো কোনোটি আছে ক্যান্সার নয়, সেগুলো লিভার টিউমার।

    লিভারের যতটুকু দরকার, ততটুকু বৃদ্ধি পায়, এর বেশি পায় না। লিভারের যে আকার আগে ছিল ততটুকু হয়ে আর হয় না। কিন্তু এই ক্যান্সার কোনো কোনো ভাইরাস থেকে কিংবা কোনো কারণ ছাড়া লিভারের যে বৃদ্ধিটা নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে হয়, তা হারিয়ে যায়। এর মানে লিভারের যখন ক্যান্সার হয়, তখন লিভার বড় হতে থাকে। অনিয়ন্ত্রিত হয়ে এটি অনেক বড় হয়ে যায়। পেটের অনেক নিচে নেমে আসে। এটা কাজ করতে পারে না। এখান থেকে লিভারের টিউমারটি অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এটা ফুসফুস কিংবা মস্তিস্ক হতে পারে। অন্য যে কোনো অঙ্গ হতে পারে। তখন একটি ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

    লিভার ক্যান্সারের মূল কারণ হলো – হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস। এই দুটি ভাইরাস কীভাবে শরীরে প্রবেশ করে, কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করতে হয়, কীভাবে চিকিৎসা করতে হয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসব বিষয়ে অবগত আছেন। লিভার ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করতে চাইলে ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে হবে।

    এ ছাড়া অন্য কিছু কারণ রয়েছে। যেমন যদি কারও লিভার সিরোসিস হয়, তাহলে এই সিরোসিস লিভারের রোগীর লিভার ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। এ ছাড়া আমাদের দেশে শস্যদানা খারাপভাবে সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। অনেক দিন খাদ্যদানা সংরক্ষণ করা হলে তা থেকে বিষাক্ত পদার্থ ফাঙ্গাস সৃষ্টি হয়। এর নাম আফলাটক্সিন। তবে শুরুতে রোগ শনাক্ত করা গেলে লিভার ক্যান্সার নিরাময় করা সম্ভব। তাই রোগের লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপম্ন হয়ে চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন।

  • হুয়াওয়ের নির্বাহী কানাডায় গ্রেফতার

    হুয়াওয়ের নির্বাহী কানাডায় গ্রেফতার

    চীনের টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফেইয়ের মেয়ে মেন ওয়ানঝো’কে কানাডায় গ্রেফতার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে।

    হুয়াওয়ের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ও ডেপুটি চেয়ারম্যান মেন ওয়াংঝোকে। গত ১ ডিসেম্বর তাকে কানাডায় গ্রেফতার করা হয়।

    কানাডার বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, শুক্রবার তার জামিনের বিষয়ে কানাডার আদালতে শুনানি হতে পারে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে ওয়াশিংটনের কাছে হস্তান্তর করতে কানাডার প্রতি অাহ্বান জানিয়েছে।

    হুয়াওয়ে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব ধরনের আইন মেনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তাদের জানামতে মেন কোনো আইন অমান্য করেননি।

    কানাডার বিচার বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, মেন ওয়াংঝোকে আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছেন।

    তবে কিছু সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র।

    কানাডায় চীনের দূতাবাস এ গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়েছে এবং মেন-এর মুক্তি দাবি করেছে।