Blog

  • জার্মানির ছোট দলগুলোকে অনুদান দেয় সরকার

    জার্মানির ছোট দলগুলোকে অনুদান দেয় সরকার

    নির্বাচনী প্রচারণার জন্য অনেক টাকার দরকার হয়।  পোস্টার, টিভি বিজ্ঞাপন আর সভা-র‌্যালি আয়োজনের খরচ জোগাড় করা বড় দলগুলোর জন্য সহজ।  কিন্তু ছোট দলগুলো যাতে পিছিয়ে না থাকে, সেজন্য সহায়তা করে জার্মান সরকার।

    ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানির বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য নানাভাবে অর্থ পেয়ে থাকে।  বিভিন্ন দলের সদস্যরা দল থেকে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেন, যা বাধ্যতামূলক।  পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও আলাদাভাবে দান গ্রহণের সুযোগ আছে।  তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কিংবা লবি গ্রুপের এই দান গ্রহণ করতে গিয়ে অনেক সময় রাজনৈতিক দলগুলো চালাকির আশ্রয় গ্রহণ করে।

    জার্মান আইন অনুযায়ী, একটি দলকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ৫০ হাজার ইউরোর বেশি অর্থ দান করলে সেটা ঘোষণা করতে হয়।  অর্থাৎ দলটি কার কাছ থেকে একবারে এই টাকা পেয়েছে, সেটা জনগণ যাতে জানতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হয়।  কিন্তু এই আইনে একটা ফাঁক রয়ে গেছে।  সেটা হচ্ছে, পঞ্চাশ হাজার ইউরো বা তার নিচে যদি দান করা হয়, তাহলে সেটা আলাদাভাবে জানাতে হয় না।

    নিজেদের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে জার্মানির অনেক প্রতিষ্ঠান তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে একবারে টাকা না দিয়ে বছরজুড়ে টাকা দেয়।  এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান তার পছন্দের দলকে বড় অংকের টাকা নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য দিতে পারে।  সুবিধা হচ্ছে, এতে করে প্রতিষ্ঠানটির রাজনৈতিক আনুগত্যের ব্যাপারটি সাধারণ মানুষ জানতে পারে না।
    এর একটি নেতিবাচক দিক আছে।  আর তা হচ্ছে, একটি দল এভাবে অর্থ সংগ্রহ করে ক্ষমতায় যাওয়ার পর যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছে, তাদের জন্য সুবিধাজনক কাজ করার একটা দায়বদ্ধতা তৈরি হয়।  সাধারণ ভোটারদের সেটা না জানিয়ে করা হলে তা এক ধরনের প্রতারণার মধ্যেই পড়ে।

    ফলে জার্মানির এই আইন পরিবর্তনের দাবিও উঠেছে কোনো কোনো মহল থেকে। তাদের কথা হচ্ছে, আইনটা এমনভাবে করা হোক যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো দলকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ইউরোর বেশি দিতে না পারে।  পাশাপাশি কেউ যাতে বেনামে কোনো দলকে অর্থ দিতে না পারে, সেই দাবিও উঠেছে।  বর্তমানে একবারে ৫০০ ইউরো অবধি নিজের নাম পরিচয় গোপন রেখে যে কোনো দলকে দান করা যায়।

    জার্মানির রাজনৈতিক দলগুলোর আয়-ব্যয়ের পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায়, গত বছর জাতীয় নির্বাচনের সময় সবচেয়ে বেশি অনুদান পেয়েছিল চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেলের দল খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দল সিডিইউ এবং দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্যবসায়ীবান্ধব দল এফডিপি।  তাদের তুলনায় সবুজ দল এবং শ্রমিকবান্ধব এসপিডি’র অনুদানের পরিমান অনেক কম ছিল।

    তবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে যাতে শুধু বড় দলগুলোই এগিয়ে না থাকে, সেদিকেও লক্ষ্য রাখে জার্মান রাষ্ট্র।  এক্ষেত্রে কিছুটা সমতা আনতে ছোট দলগুলোকে রাষ্ট্রীয় অনুদান দেয়া হয়।

  • ‘পেসাররা ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখে’

    ‘পেসাররা ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখে’

    ঘরের মাঠে টানা দুই টেস্টে স্পিন আক্রমণে সফল বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষের ৪০টি উইকেটই নিয়েছে বাংলাদেশি স্পিনাররা। এমনকি সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের একাদশে কোনো পেসারদেরই রাখা হয়নি। কোনো পেসার ছাড়া টেস্ট ক্রিকেট খেলার বিষয়টিকে দুঃখজনক বলছেন ফাস্ট বোলার রুবেল হোসেন। সকল পেস বোলারদের জন্য বিষয়টি খারাপ লাগার উল্লেখ করে রুবেল জানান, পেসাররাও ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখে।

    তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে বুধবার সাংবাদিকদের সামনে আসেন রুবেল হোসেন। সংবাদ মাধ্যমে কথা বলার সময় টেস্টে পেসার না খেলানোর প্রসঙ্গ আসলে রুবেল বলেন,‘পেস বোলাররা খেলতে পারছে না, এটা খুব দুঃখজনক। একটা পেস বোলার না নিয়ে আমরা টেস্ট খেলছি, আমাদের কন্ডিশন, উইকেট ওইরকম ছিল। আমাদের দেশের মাটিতে সফল হয়েছি। দলের প্ল্যান হয়তো ওইভাবেই ছিল। এটা পেস বোলারদের জন্য একটু তো খারাপ লাগাই।’

    টানা দুই সিরিজে দারুণ ফর্মে ছিল স্পিনাররা। সেটা কী পেসারদের জন্য বাড়তি চাপ কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রুবেল বলেন,‘আমার কাছে মনে হয় ওয়ানডেতে এমন হবে না, ওয়ানডেতে একটু ডিফ্রেন্ট হবে। উইকেটে ওইভাবে স্পিন থাকবে না। আমার কাছে মনে হয় না ওইরকম হবে। আর পেসাররা ওয়ানডে জেতানোর ক্ষমতা রাখে। অনেক ওয়ানডে ম্যাচ জিতিয়েছে পেস বোলাররা। আপনি যদি দেখেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও পেসাররা জিতিয়েছে। আর এই কন্ডিশনেও জিতাতে পারবে। ওয়ানডেতে উইকেট স্পিন সহায়ক থাকবে না, যেভাবে টেস্টে ছিল। আর আমাদের যেই পেস বোলাররা আছে, এই কন্ডিশনে অবশ্যই ম্যাচ জেতাতে পারব।’

    চলতি বছর জুলাইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে তাদের ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতে এসেছে বাংলাদেশ। এবারের টার্গেটটা কেমন হবে জানতে চাইলে রুবেল বলেন,‘কেমন হবে, আসলে এটা বলা যাচ্ছে না। আমরা অবশ্যই সিরিজ জেতার জন্য মাঠে নামবো। ৩-০ বা ২-০ এ ধরনের কোন কিছুই বলা যাচ্ছে না। আমাদের প্রতিটা ক্রিকেটার খুব আত্মবিশ্বাসী। ভালো একটা টেস্ট সিরিজ আমরা জিতেছি, এটা আমাদের ক্রিকেটারদের অনেক আত্মবিশ্বাস দিবে। ’

    বাংলাদেশের পেস আক্রমণে বেশিরভাগ সময়ই ডেথ ওভারের দায়িত্ব পড়ে রুবেল হোসেন উপর। তাতে সফল না বিফল দুইটাই হওয়ার সম্ভবনা থাকে। নিজের এই অভিজ্ঞতার বিষয়ে রুবেল বলেন,‘আমি নয় বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি, অবশ্যই একটু অভিজ্ঞতা হয়েছে। তারপর অনেক কষ্ট করছি ডেথ ওভারের বোলিং নিয়ে। কারণ আমার মূল চিন্তা হচ্ছে ডেথ বোলিং। কারণ আমাকে ডেথে বল করতেই হবে। এমন অবস্থায় বল করি যেখানে ম্যাচ জেতানোও যায় আবার ম্যাচ হেরেও যায়। যার কারণে আমাকে আরও বেশি ফোকাসে রাখতে হয়। এখন একটু বেশি জোর দিচ্ছি ডেথ বোলিংয়ে।’

    প্রায় সময় শুনা যায়, বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চায় না। বিশেষ করে ঘরোয়া ক্রিকেট। এই বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন রুবেল। তার ভাষ্য,‘ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের কথা কারা বের করছে জানি না। আমি টেস্ট খেলতে চাইব না কিসের জন্য। এই ক্রিকেটই আমার রটি-রুজি। এটার ওপরেই আমি চলি। আমার পরিবার চলে। তাই না, এটার সাথে তো আমার প্রতারণা করার কিছু নেই। আমি জানি না এটা কারা বের করছে, কিন্তু আমি কখনই বলি নাই আমি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চাই না।’

  • সালমানের হ্যাটট্রিক, পেছালেন শাহরুখ

    সালমানের হ্যাটট্রিক, পেছালেন শাহরুখ

    ঘনিষ্ঠ বন্ধু শাহরুখ খানকে পেছনে ফেলে আবার ভারতের সেরা আয় করা তারকা হয়েছেন বলিউড ভাইজান সালমান খান। এই নিয়ে পর পর তিনবার। হ্যাটট্রিক করে ফেললেন সল্লু মিয়া। ভারতের ১০০ তারকাকে নিয়ে এই তালিকা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস ম্যাগাজিন। যেটির এক নম্বরে সালমান খানের নাম।

    ২০১৭ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১৮-এর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারকাদের আর্থিক আয়ের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। তাদের হিসাব বলছে, চলতি বছরে ২৫৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা আয় করেছেন সালমান খান। তার মোট আয়ের ৮.০৬ শতাংশ এসেছে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন থেকে।

    গত দুই বছর সালমানের পরের স্থানেই ছিলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। কিন্তু অবাক হলেও সত্য যে, এবার সেরা দশেও জায়গা হয়নি তার। নেমে গেছেন ১৩ নম্বরে। গত বছরের তুলনায় এ বছর তার আয় কমেছে ৩৩ শতাংশ। ৫৭ কোটি টাকা আয় করেছেন তিনি। যার সিকিভাগ এসেছে বিজ্ঞাপন থেকে।

    শাহরুখ খানকে সরিয়ে এবার তার দ্বিতীয় স্থানটি দখলে নিয়েছেন ভারতের ক্রিকেট আইকন ও অভিনেত্রী আনুশকা শর্মার স্বামী বিরাট কোহলি। চলতি বছরে ডানহাতি এ ব্যাটসম্যানের মোট আয় ২২৮.০৯ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে আছেন অক্ষয় কুমার। তার মোট আয় ১৮৫ কোটি টাকা।

    তবে ফোর্বস-এর এ বছরের তালিকার বিশেষ চমক অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। বাঘা বাঘা পুরুষ তারকাদের টপকে সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বছরের শুরুতে তার বহুল আলোচিত ও সমালোচিত ‘পদ্মাবত’ ছবির আকাশছোঁয়া সাফল্য এবং নানা বিজ্ঞাপন থেকে ১১২.৮ কোটি টাকা পকেটে পুরেছেন নায়িকা। তিনি রয়েছেন তালিকার চার নম্বরে।

    দীপিকার পরের স্থানেই রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি। চলতি বছরে মাহির আয় ১০১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ৯৭.৫০ কোটি টাকা আয় করে মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান রয়েছেন ছয় নম্বরে। অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রির শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন আছেন সাতে। তার মোট আয় ৯৬.১৭ কোটি টাকা।

    এছাড়া তালিকার অষ্টম, নবম ও দশম স্থানে জায়গা পেয়েছেন যথাক্রমে রণবীর সিং, মাস্টার ব্লাস্টার শচিন টেন্ডুলকর এবং অভিনেতা অজয় দেবগন। তাদের তিন জনের মোট আয় যথাক্রমে ৮৪.৭, ৮০ ও ৭৪.৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে ফোর্বস-এর সেরা ১০০ জনের তালিকায় ১৭ জন দক্ষিণী অভিনেতাও রয়েছেন।

  • দেশে তৈরি ৬ জিবি র‌্যামের ফোন আনল ওয়ালটন

    দেশে তৈরি ৬ জিবি র‌্যামের ফোন আনল ওয়ালটন

    প্রথমবারের মতো দেশে তৈরি ৬ জিবি র‌্যামের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন উন্মোচন করলো ওয়ালটন। ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ মডেলের ওই ফোনটি তৈরি হয়েছে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানায়।

    ওয়ালটনের নিজস্ব ডিজাইন এবং প্রযুক্তিতে তৈরি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ফোনটি বাজারে আসছে শিগগিরই। এখন নেয়া হচ্ছে প্রি-অর্ডার বা আগাম ফরমাশ। প্রি-অর্ডারে গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি ডাটাসহ ওয়ালটনের পক্ষ থেকে থাকছে বিশেষ উপহার।

    বুধবার ৫ ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ হ্যান্ডসেটের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

    স্মার্টফোনটি উন্মোচন করেন গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ইয়াসির আজমান, হেড অব ডিভাইস সরদার শওকত আলী, ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম, এসএম মাহবুবুল আলম এবং তাহমিনা আফরোজ তান্না, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম মঞ্জুরুল আলম এবং ওয়ালটন মোবাইল ফোন বিভাগের প্রধান এসএম রেজওয়ান আলম।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক এবং বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা, নির্বাহী পরিচালক এমদাদুল হক সরকার, নজরুল ইসলাম সরকার, এসএম জাহিদ হাসান, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম, অপারেটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম, ওয়ালটন সেল্যুলার ফোন সেলস বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান প্রমূখ।

    স্মার্টফোনটির দাম রাখা হয়েছে মাত্র ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। বুধবার থেকেই ফোনটির প্রি-অর্ডার নেয়া হচ্ছে। দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা ও ব্র্যান্ড আউটলেট এবং গ্রামীণফোনের অনলাইন শপ, ওয়াও বক্স এবং মাই জিপি থেকে মাত্র ২ হাজার ৫০০ টাকায় ফোনটির আগাম ফরমাশ দেয়া যাবে। প্রি-অর্ডার দেয়া ক্রেতারা স্মার্টফোনের সঙ্গে ৩ হাজার টাকার গিফট ভাউচার পাবেন। যা দিয়ে ওয়ালটন বিক্রয়কেন্দ্র থেকে পছন্দের পণ্য কিনতে পারবেন। নগদ, ইএমআই এবং কিস্তিতে ফোন কেনার ক্ষেত্রেও এই অফার প্রযোজ্য হবে।

    গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা প্রিমো এক্সফাইভ স্মার্টফোনে তাদের সিমকার্ড ইনসার্ট করার সাথে সাথে ৬ জিবি ইন্টারনেট ফ্রি পাবেন। এছাড়া ফোন কেনার পর থেকে পরবর্তী ৩ মাসে ৩০ বার পর্যন্ত মাত্র ৯৯ টাকায় ৪ জিবি করে ইন্টারনেট ডাটা নিতে পারবেন।

    এই ফোনে ৩০ দিনের ইনট্যান্ট রিপ্লেসমেন্ট ছাড়াও যারা প্রি-অর্ডার দেবেন তাদের জন্য দেড় বছরের বিশেষ ওয়ারেন্টি রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ফোনটিতে কোনো সমস্যা হলে গ্রাহকের কাছ থেকে ওয়ালটনের প্রতিনিধি গিয়ে ফোনটি নিয়ে আসবেন এবং ত্রুটিমুক্ত করে বিনামূল্যে পৌঁছে দেবেন।

    প্রিমিয়াম মেটাল ফ্রেম ডিজাইনের ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ ফ্ল্যাগশিপ ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ৫.৯৯ ইঞ্চির ইন-সেল আইপিএস প্রযুক্তির ফুল-ভিউ ডিসপ্লে। পর্দার রেজ্যুলেশন ২১৬০ বাই ১০৮০ পিক্সেল। অ্যান্ড্রয়েড ৮.১ ওরিও অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত এই ফোনের উচ্চগতি নিশ্চিত করতে আছে ৬৪-বিটের ২ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসর। গ্রাফিক্স হিসেবে রয়েছে মালি-জি৭১। এর সঙ্গে ৬ জিবি এলপিডিডিআর৪এক্স র‌্যাম থাকায় পাওয়া যাবে দারুণ পারফরমেন্স। এর ইন্টারন্যাল স্টোরেজ ৬৪ জিবি। যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

    নতুন এই ফোনের পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত এফ২.০ অ্যাপারচার সমৃদ্ধ ডুয়াল বিএসআই ক্যামেরা। যার একটিতে আছে ১৩ মেগাপিক্সেল লেন্স, অন্যটিতে ৫ মেগাপিক্সেল লেন্স। আকর্ষণীয় সেলফির জন্য এই ফোনের সামনে রয়েছে সফট এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত এফ২.০ অ্যাপারচার সাইজের ১৬ মেগাপিক্সেল বিএসআই ক্যামেরা।

    সারা দিনের প্রয়োজনীয় পাওয়ার ব্যাকআপ দিতে এতে আছে ৩ হাজার ৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি। দুটি ন্যানো সিম ব্যবহারের সুবিধাসম্পন্ন ফোনটি থ্রিজি, ফোরজি এবং সিডিএমএ নেটওয়ার্ক সমর্থন করে। মেমোরি কার্ডের জন্য রয়েছে আলাদা স্লট। ফোনের তথ্য সুরক্ষায় রয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এর ফেস আনলক ফিচার ০.৩ সেকেন্ডে ব্যবহারকারীর মুখাবয়ব রিড করতে পারবে। রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, প্যাটার্ন লক এবং পাসওয়ার্ডও।

    কানেকটিভিটি ফিচার হিসেবে রয়েছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪, ইউএসবি টাইপ-সি, ওটিজি, ওটিএ এবং ডব্লিউ ল্যান হটস্পট। ব্লু রঙের ফোনটিতে ফুল এইচডি ভিডিও প্লেব্যাক করা যাবে। রয়েছে রেকর্ডিংসহ এফএম রেডিও।

  • মৃত্যু নয় চলুক জীবনের জয়গান

    মৃত্যু নয় চলুক জীবনের জয়গান

    সংবাদপত্রের পাতা অথবা ফেসবুকের নিউজফিডে চোখ রাখলে প্রায় প্রতিদিন চোখে পড়ে কোন না কোন আত্মহত্যার খবর।মানুষ সবচেয়ে ভালোবাসে নিজের জীবন। এত ভালোবাসার জীবন কেন শেষ করে দেয় মানুষ ? এই প্রশ্ন কম বেশি  আমাদের সবার! আসুন জেনে আসি আত্মহত্যা করার কারণ এবং আত্মহত্যা প্রতিরোধে আমাদের কি করণীয়?

    কেন আত্মহত্যা করে মানুষ?
    কেন মানুষ নিজের জীবন নিজে নেয়? তার কি তখন মাথার ঠিক থাকে? সুস্থ মাথায় কি এটা করা সম্ভব? নানা ধরনের ব্যাখ্যা দেখা যায়।
    — মানসিক অস্বস্তির মধ্যে থাকা মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার হার বেশি থাকে। যেমন—বিষণ্ণতা, বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার, মাদকাসক্ত, উদ্বেগে আক্রান্ত ইত্যাদি রোগীদের মধ্যে আত্মহত্যার হার উচ্চ।
    — অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিলে আত্মহত্যার হার বেড়ে যায়। সমাজে যখন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, যখন মানুষ বিচ্ছিন্নতায় ভোগে, তখন আত্মহত্যার হারও যায় বেড়ে।
    — দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীরা অনেক সময় আত্মহত্যা করে। অসুখের তীব্র যন্ত্রণা সইতে না পেরে অনেকে এই পথ বেছে নেয়।
    — বাংলাদেশে পরিচালিত এক গবেষণা থেকে দেখা যায় পারিবারিক সমস্যা (৪১.২%), পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া (১১.২%), বৈবাহিক সমস্যা (১১.৬%), ভালোবাসায় কষ্ট পাওয়া (১২.৪%), বিবাহবহির্ভূত গর্ভধারণ ও যৌন সম্পর্ক (১১.৮%), স্বামীর নির্যাতন (৫.৯%) এবং অর্থকষ্ট (৫.৯%) থেকে রেহাই পেতে মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
    — কোনো কোনো পেশার মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার হার বেশি দেখা যায়। যেমন—ডাক্তার, ডেন্টিস্ট বা দন্ত বিশেষজ্ঞ, পুলিশ বা সশস্ত্র বাহিনীর লোক ইত্যাদি।
    — যাদের ঘরবাড়িতে আত্মহত্যা করার উপাদান বেশি থাকে, তারাও কিছুটা ঝুঁকিতে থাকে। যেমন—আমাদের দেশের কৃষকদের বাড়িতে কীটনাশক সহজলভ্য থাকতে দেখা যায়।
    — খারাপ মানুষের দ্বারা উত্ত্যক্ত হয়ে অমুক নামের নিরীহ একটি মেয়ে নিরুপায় হয়ে আত্মহত্যা করেছে এমন খবর দিনের পর দিন প্রচার পাওয়ার পর একইভাবে উত্ত্যক্ত আরেকটি মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিতে পারে।
    — কিছু কিছু গবেষণায় আত্মহত্যার পেছনে জিনগত ভিত্তি পাওয়া গেছে। পরিবারের মধ্যে আত্মহত্যার ইতিহাস থাকলেও এই ঝুঁকি বাড়ে। পরিবারের কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করলে বা আত্মহত্যা করলে তার সন্তানদের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করার আশঙ্কা বেশি থাকে।

    বাংলাদেশে আত্মহত্যার হার
    বাংলাদেশ সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিচার্স বাংলাদেশ ২০১৩ সালে এক জরিপ চালিয়ে দেখে যে, প্রতিবছর দেশে গড়ে ১০ হাজার লোক আত্মহত্যা করে৷ প্রতি এক লাখে করেন ৭ দশমিক ৩ জন৷ বিভিন্ন বয়স, লিঙ্গ, পেশা এবং ভৌগলিক অবস্থানের নিরিখে ৮ লাখ ১৯ হাজার ৪২৯ জনের ওপর সরাসরি জরিপ চালিয়ে তারা এই তথ্য প্রকাশ করে৷ আর শহরের চেয়ে গ্রামে আত্মহত্যার হার ১৭ গুণ বেশি৷ গ্রামে যাঁরা আত্মহত্যা করেন, তাঁদের বড় অংশ অশিক্ষিত এবং দরিদ্র৷

    জরিপে বলা হয়, নারীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি৷ এদের মধ্যে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি নারীরা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ৷ এছাড়া ২০১৪ সালে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের এক গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন ২৮ জন মানুষ আত্মহত্যা করেন৷

    তাদের হিসেবে, ঐ বছর ফাঁসিতে ঝুলে ও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন ১০ হাজার ১২৯ জন৷ এঁদের মধ্যে একটা বড় অংশের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে৷

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করছেন ২১-৩০ বছর বয়সিরা৷ এর মধ্যেও নারীর সংখ্যা বেশি৷

    বাংলাদেশ পুলিশের হিসাবে, প্রতিবছর ফাঁসিতে ঝুলে ও বিষ খেয়ে গড়ে ১০ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করছেন৷ এর বাইরে আছে ঘুমের ওষুধ খাওয়া, ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পড়া, রেললাইনে ঝাঁপ দেয়া৷

    তাদের হিসাবে, এর বাইরে দেশের বড় বড় হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগে যত রোগী ভর্তি হয়, তার সর্বোচ্চ ২০ ভাগ আত্মহত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়া লোকজন৷

    বিশেষজ্ঞদের অভিমত
    চিকিৎসকেরা বলছেন, যাঁরা আত্মহত্যা করেন তাঁদের ৯৫ ভাগই কোনো না-কোনো মানসিক রোগে ভোগেন৷ তাজুল ইসলামের কথায়, ‘‘এই মানসিক রোগের সঠিক চিকিৎসা করা গেলে আত্মহত্যা কমবে৷ মাদকাসক্তি আত্মহত্যা প্রবণতার জন্য একটি বড় কারণ৷ তাই মাদকাসক্তদের চিকিৎসা এবং মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়া দরকার৷”

    বাংলাদেশে মানসিক রোগের চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ২০০৷ জেলা পর্যায়েই মানসিক রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই৷ শুধু ২২টি মেডিকেল কলেজ, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও পাবনার হাসপাতালে মানসিক রোগের চিকিৎসা হয়৷ ডা. তাজুল ইসলাম জানান, ‘‘যত লোক আত্মহত্যা করেন, তার অন্তত ১০ গুণ লোক আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেঁচে যান৷ কিন্তু তাঁরা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকেন৷ সঠিক মানসিক চিকিৎসা না হলে তাঁদের বড় একটি অংশ আবারো আত্মহত্যার চেষ্টা করতে পারেন৷”

    আত্মহত্যা প্রতিরোধে কি করণীয়?
    সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি- বিভিন্ন ধর্মে ও সংস্কৃতিতে আত্মহত্যাকারী বা আত্মহত্যার চেষ্টাকারীর পরিবার সামাজিকভাবে হেয় হন। এ কারণে যাঁদের মধ্যে আত্মহত্যার ইচ্ছা আছে, তাঁরা কোনো সাহায্য নিতে এগিয়ে আসতে দ্বিধাবোধ করেন, কোনো সহায়তা পান না। ফলে বাধ্য হয়ে একসময় আত্মহত্যা করে ফেলেন। যদি আত্মহত্যার বিষয়ে এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটিয়ে সবাইকে বিশ্বাস করানো যায় যে আত্মহত্যার ইচ্ছা একটি ভুল মানসিক প্রক্রিয়া এবং এ থেকে বাঁচার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন তবে অনেক ক্ষেত্রেই আত্মহত্যাকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    আত্মহত্যার উপকরণের সহজলভ্যতা রোধ করা : বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে আত্মহত্যার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কীটনাশক ও স্লিপিং পিল। লাইসেন্সের মাধ্যমে কীটনাশকের বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং কৃষকের বাড়িতেও তা এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে সহজে কেউ তার নাগাল না পায়। সেই সঙ্গে প্রেসক্রিপশন ছাড়া সব ধরনের ওষুধ বিক্রি বন্ধ করার কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে।

    ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণির প্রতি বিশেষ সহায়তা : মাদকাসক্ত ব্যক্তি, মানসিক রোগী, অভিবাসী, বেকার ও সাংস্কৃতিকভাবে শ্রেণীচ্যুতদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বেশি। এ কারণে তাদের প্রতি বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন।

    মানসিক রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা : গবেষণায় দেখা যায় আত্মহত্যাকালীন ৯৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে মানসিক অসুস্থতা বিরাজ করে। বিষণ্ণতা, মাদকাসক্তি, ব্যক্তিত্বের বিকার, সিজোফ্রেনিয়াসহ নানাবিধ মানসিক রোগের দ্রুত শনাক্তকরণ ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারলে বহু আত্মহত্যা কমানো যাবে। মানসিক রোগের অপচিকিৎসা বন্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

    নারীর ক্ষমতায়ন : আমাদের দেশে যৌতুক, পারিবারিক নির্যাতন এবং উত্ত্যক্তকরণের ফলে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। এসব কারণ দূর করার জন্য প্রয়োজন নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়ন। নারীর প্রতি নারী-পুরুষ সবার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করাও আত্মহত্যা প্রতিরোধের অন্যতম উপায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

    বিশেষ পরামর্শ সেবা : যাঁরা আত্মহত্যার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন (ছাত্রী, নববিবাহিত বা বিবাহযোগ্য বয়সের তরুণী, দরিদ্র জনগোষ্ঠী, মাদকসেবী, মানসিক রোগী, পারিবারিক নির্যাতনের শিকার যাঁরা) তাঁদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা এলাকাভিত্তিক বিশেষ পরামর্শ সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ থাকতে হবে। যেখানে আত্মহত্যা প্রতিরোধে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক বা কাউন্সিলররা সবাইকে সাধারণভাবে আত্মহত্যা প্রতিরোধের বিষয়াদি সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন, পাশাপাশি কারো মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা বা ইচ্ছা দেখা দিলে তা রোধ করার উদ্যোগ নেবেন।

    সার্বক্ষণিক টেলিফোন সহায়তা : জাতীয় পর্যায়ে সার্বক্ষণিক টেলিফোনে সাহায্য পাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। কারো মধ্যে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জন্মালে বা জীবনে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটলে তিনি যেন এই বিশেষ নম্বরগুলোতে ফোন করে সুপরামর্শ পান। এই টেলিফোনগুলোর সাহায্যকারী প্রান্তে সব সময় থাকবেন মনোচিকিৎসক-কাউন্সিলর।

  • ‘টাইগারের কারণে আমার ক্যারিয়ার দাঁড়ায়নি’

    ‘টাইগারের কারণে আমার ক্যারিয়ার দাঁড়ায়নি’

    তেলেগু সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও বলিউডে আসার পর আলোচনায় আসেন বলিউড তারকা দিশা পাটানি। ২০১৬ সালে ‘এমএস ধনি:দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমার পর পরের বছরটা সাদামাটা কেটে যায় দিশার।

    এরপর চলতি বছর ‘বাঘি টু’ দিয়ে আবারো ক্যারিয়ার মোড় নেয় তার। তবে এর পেছনে রয়েছে দিশার প্রেমিক টাইগার শ্রোফ। বেশ কয়েকবার গুঞ্জন রটেছে টাইগারের প্রেমিকা হওয়াতেই ক্যারিয়ার দাঁড়িয়েছে তার। এমনকি আলোচনার কেন্দ্রও রয়েছেন টাইগার। তবে দিশা বলছে অন্যকথা। তিনি বলেন, ‘টাইগারের কারণে আমার ক্যারিয়ার দাঁড়ায়নি। তবে সফলতার গল্প থেকে তাকে বাদ দেওয়ারও সুযোগ নেই। আমার কাজের ক্ষেত্রে টাইগার বিভিন্নভাবে সহযোগীতা করেছে।

    তবে দিন শেষে আমার পরিশ্রম দিয়েই আমি এতটুকু এসেছি।’ ক্যারিয়ারের বিগত বছরগুলো খুব ভালো না গেলেও ২০১৮ তে বাজিমাত্ করেন দিশা। সেই প্রসঙ্গে দিশা আরো বলেন, ‘চলতি বছর আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ভালো সময় ছিল। বাঘি টু দিয়ে আমি যতটা দর্শকদের কাছে যেতে পেরেছি তার আগে ছিল না। আমি কৃতজ্ঞ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি।’

  • রুবেল বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা’

    টেস্টে উপেক্ষিত থাকলেও ওয়ানডেতে পেসারদের গুরুত্ব বেড়ে গেছে। ওয়ানডে একাদশে অন্তত তিন পেসার তো থাকবেই। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে পেসারদের ওপর এত আস্থা, টেস্টে কেন নয়—পেসার রুবেল হোসেনকে এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হলো। উত্তর দিতে হলো, পেসার হিসেবে তিনি নিজেও কি টেস্ট খেলাটা কম উপভোগ করেন?

    খুব ব্যস্ত সময় কাটছে কোর্টনি ওয়ালশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ক্যারিবীয় কিংবদন্তির একপ্রকার শুয়ে-বসেই কেটেছে! মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশ দলে কোনো পেসার খেলেননি, তাঁর কীই-বা করার আছে। তবে ওয়ানডে সিরিজের আগে বাংলাদেশ পেস বোলিং কোচ ওয়ালশের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। হোম কন্ডিশন ও উইকেট কাজে লাগাতে টেস্টে বাংলাদেশের পেসাররা উপেক্ষিত থাকলেও ওয়ানডেতে বিপরীত চিত্র। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দলে পেসারই আছেন চারজন। সঙ্গে খণ্ডকালীন দুজন।

    ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে পেসারদের অনেক আস্থা থাকলেও টেস্টে বিপরীত ছবি। এখন হোম কন্ডিশনে পেসাররা যেন দুয়ো রানির ছেলে! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে একজন পেসার না খেলাটা তো দুঃখজনকই বললেন রুবেল হোসেন, ‘পেস বোলারদের জন্য একটু দুঃখজনক। একটা পেস বোলার না নিয়ে আমরা টেস্ট খেলছি, আমাদের কন্ডিশন, উইকেট এমনই ছিল। আমাদের দেশের মাটিতে সফল হয়েছি। দলের পরিকল্পনা হয়তো ওভাবেই ছিল। আর পেস বোলারদের জন্য একটু তো খারাপ লাগেই।’দেশের মাঠে টেস্টে শুধুই স্পিন-নির্ভরতার পেছনে পেসারদের দায়ও কম নয়। রুবেলকে নিয়েই যেমন অভিযোগ, টেস্ট খেলতে তাঁর ভীষণ অনীহা, বড় সংস্করণে খেলতে খুব একটা নিবেদিত নন। আজ দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে আসা বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ পেসার অবশ্য এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করলেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের কথা কারা বের করেছে জানি না। আমি টেস্ট খেলতে চাইব না কেন? এই ক্রিকেটই আমার রুটি-রুজি। এটা করেই আমাকে চলতে হয়। আমার পরিবার চলে। খেলার সঙ্গে তো প্রতারণা করার কিছু নেই। আমি জানি না এটা কারা ছড়িয়েছে, কখনই বলিনি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চাই না।’

    লম্বা স্পেলে বোলিং করতে চান না বলে টেস্টের প্রতি আগ্রহ কম, এ অভিযোগও উড়িয়ে দিচ্ছেন রুবেল, ‘এ ধরনের কিছু না। আমি বিসিএলে বোলিং করছি না? ম্যাচ খেলছি। টেস্ট যদি উপভোগই না করতাম তাহলে এটা এড়িয়ে চলতাম। খেলার সঙ্গে কখনোই প্রতারণা করি না।’

    ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা একজন পেসার বলে হয়তো ৫০ ওভারের ক্রিকেটে পেসারদের প্রতি একটু বেশি আস্থা রাখার প্রবণতা দেখা যায় বাংলাদেশ ক্রিকেটে। অবশ্য অধিনায়ক পেসার হলেই যে তাঁর সতীর্থ বোলাররা সফল হবেন, সেটির কোনো নিশ্চয়তা নেই। টেস্ট উপেক্ষিত থাকলেও তবুও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পেসাররা কেন বেশি সফল, সেটির যুক্তি দিলেন রুবেল, ‘ওয়ানডেতে উইকেট স্পিন-সহায়ক থাকবে না, যেভাবে টেস্টে ছিল। আর আমাদের যে পেস বোলাররা আছে, এই কন্ডিশনে সব সময় ম্যাচ জেতাতে পারবে। আসলে টেস্ট ক্রিকেটে আমাদের বোলারদের মধ্যে সব সময় স্পিনাররাই রাজত্ব করে আসছে। পেস বোলাররা সেভাবে সাফল্য পাচ্ছে না। ওয়ানডে সম্পূর্ণ আলাদা একটা সংস্করণ। এক দিনের খেলা, যারা যেদিন যত ভুল কম করবে, তারা তত ভালো খেলবে।’

  • মস্কোর প্রাণ যে মানুষটি

    মস্কোর প্রাণ যে মানুষটি

    ৯০০ বছরের ইতিহাসে কত নামই-না দেওয়া হয়েছে মস্কো শহরকে। মস্কো নিয়ে ১৮৮১ সালে তলস্তয়ের মূল্যায়ন ছিল এ রকম: ‘ধোঁয়া, পাথর, বিলাসিতা, দারিদ্র্যের’ এক শহর। পর্যটক ও বাসিন্দাদের কাছে আভিজাত্য, রক্ত, পবিত্র ও অপবিত্রতার মিশ্রণের শহর ছিল এটি। সোভিয়েত যুগে এ শহরকে বৃহৎ, ধূসর ও নিষিদ্ধ নগর হিসেবে দেখা হতো।

    ২০০০ সালে তেলের দাম ফুলেফেঁপে উঠলেও এ শহর যেন অলস ও কষ্টকর আবাসই ছিল। বর্তমানে বেশ কয়েকটি অপ্রত্যাশিত শব্দ যুক্ত হয়েছে মস্কোর বর্ণনায়, তা হলো ‘আনন্দদায়ক ও কার্যকর’। গত সেপ্টেম্বরে মস্কোর মেয়র নির্বাচনে ক্রেমলিন-সমর্থিত সার্গেই সোবিয়ানিনকে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত করেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০১০ সালে প্রথম দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই মস্কো শহরকে যেন নতুন করে সাজিয়েছেন তিনি। এবারে নির্বাচিত হয়ে আশা করছেন, মস্কো হয়ে উঠবে অতিথিপরায়ণ ও আরামদায়ক।

    সম্প্রতি ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টে মস্কোর এই নগরপিতাকে নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

    আসলে সার্গেই সোবিয়ানিনের প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পুতিন। বছর বছর ধরে বিক্ষোভ, আর্থিক মন্দা ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা দেখেছে মস্কো। কিন্তু মাথা ঠান্ডা রেখে শহরটিকে অবিচলিত পরিচর্যা করছেন সোবিয়ানিন। মস্কোতে রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার এক-দশমাংশ বাস করে। ২০১০ সালে প্রথম নিয়োগ পান সোবিয়ানিন। স্তালিন যুগের পর তিনিই প্রথম শহরটির বড় রূপান্তর ঘটান। বাজেট নিয়ে সীমাবদ্ধতা থাকলেও তিনি পার্কের সংখ্যা বাড়িয়েছেন, শত শত রাস্তা মেরামত করেছেন, কয়েক ডজন মেট্রোস্টেশন নির্মাণ করেছেন, একটি নতুন প্রযুক্তির রেললাইন স্থাপন করেছেন, করেছেন সরকারি সেবার আধুনিকায়ন। ইউরোপের সবচেয়ে বড় শহরটির খুব দ্রুত পরিবর্তন এসেছে সার্গেই সোবিয়ানিনের সময়ে।

    এই পরিবর্তন পুতিনের আদালতে সোবিয়ানিনের ভাবমূর্তি দৃঢ় করেছে। বিশ্লেষকেরা সোবিয়ানিনকে ক্রেমলিন টাওয়ার হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে পুতিনের প্রধান স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সোবিয়ানিনকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে উল্লেখ করা হতো। যেভাবে মস্কো শহরের ব্যবস্থাপনা করছেন, তা সবাইকে মুগ্ধ করে। সে সময় প্রধানমন্ত্রী পদে সংক্ষিপ্ত তালিকায় তাঁর নাম উঠে আসে। অবশ্য সে দায়িত্ব পান দিমিত্রি মেদভেদেভ।

    সোবিয়ানিনের আগে মস্কোর মেয়র ছিলেন ইউরি লুজকভ, ১৯৯২ সাল থেকে মধ্যযুগীয় মানসিকতার ইউরি মস্কোর নগরপিতার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সময়ে ঐতিহাসিক ভবনগুলোর অবস্থা সবচেয়ে করুণ হয়ে পড়ে। চাকচিক্যময় শপিং মলের সংখ্যা বেড়ে যায়, ট্রাফিক জ্যামে নাকাল হয় নগরবাসী। এমনকি তাঁর স্ত্রী কনস্ট্রাকশন ম্যাগনেট দেশের সবচেয়ে ধনী নারী হন। সার্গেই এসে এই লুজকভ যুগকে ভেঙেচুরে নতুন করে গড়েন। ‘নতুন মানুষ নিয়ে একটি নতুন মস্কো শহর তৈরি করার’ পরিকল্পনা করেন তিনি

    নতুন দায়িত্ব নিয়ে নগর-পরিকল্পনা ও পাবলিক স্পেসের ওপর জোর দেন সোবিয়ানিন। আগের সব যুগে শহরগুলো একটু জায়গা ও কারখানার জন্য যুদ্ধ করেছিল। তিনি মনে করেন, এই শহর এখন কেবল মানুষের জন্য যুদ্ধ করবে। এখন সরকারি মোটরসাইকেল ও স্কুটার শেয়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে চলাচল করতে পারে নগরবাসী।

    তবে সমালোচকদের মুখ বন্ধ নেই। তাঁরা বলছেন, কেবল কসমেটিক পরিবর্তন এসেছে। ভোগব্যয় কমে যাওয়ায় নতুন নতুন রাস্তা তৈরি সম্ভব হয়েছে। সোবিয়ানিনের বেশ কিছু পরিকল্পনা, যেমন: ছোট রাস্তা বাতিল, বয়স্ক ও অসহায় মানুষের পুনর্বাসন প্রকল্প ব্যক্তিগত সম্পত্তিব্যবস্থাকে বেশ সমস্যার মুখোমুখি করছে। রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করে জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন আনা হয়েছে। চলতি বছরের মেয়র নির্বাচনও ছিল একদম একমুখী। সোবিয়ানিনের বিরোধীপক্ষ বলে তেমন কেউই ছিলেন না। এর আগে ২০১৩ সালের নির্বাচনেও সোবিয়ানিন ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়ে উতরে যান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যালেক্স নাভালনি ২৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। তবে নাভালনি নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে ফের ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে হারানো’ হয়েছে। পরে নাভালনিকে আটক করা হয়।

    সমালোচনা-আলোচনা যা–ই হোক না কেন, সোবিয়ানিন দায়িত্ব না নিলে মস্কো নগরের অবস্থা যে আরও খারাপ হতো, তা স্বীকার করছেন সবাই।

  • বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা সন্ধ্যায় : মির্জা ফখরুল

    বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা সন্ধ্যায় : মির্জা ফখরুল

    সন্ধ্যার মধ্যেই বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে দুই জোটের শরিকদের সঙ্গে সমঝোতা করে জোটের আসনের ঘোষণা কবে আসনে, সেটা জানাননি তিনি।

    বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ফখরুল।

    গত ২৬ এবং ২৭ নভেম্বর বিএনপি দল এবং তার জোট ২০ দলের শরিকদের মধ্যে মনোনয়নের চিঠি বিতরণ শুরু করে। আট শতাধিক নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হলেও জমা পড়ে ৬৯৬ টি। তবে যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়ে যান ১৪১ জন। এদের মধ্যে দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও রয়েছেন।
    এর মধ্যে ৯১টির মতো আসনে বিএনপি অথবা তার জোটের একক প্রার্থী প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে যাচাইবাছাইয়ে বিকল্প প্রার্থীরা বাদ পড়ে যাওয়ায়। মোট ২৯৫টি আসনে প্রার্থিতা জমা হলেও সাতটিতে বিএনপির কোনো বৈধ প্রার্থী নেই। তবে এর দুটিতে জোটের দুই শরিক দলের নেতা রয়েছেন। বাকি সব আসনেই একাধিক প্রার্থী রয়ে গেছে।

    প্রার্থিতা নিশ্চিত না হওয়ায় এখনো বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা পুরোদমে মাঠে নামেননি। আবার ৯ তারিখের মধ্যে বিএনপিকে একজন প্রার্থীই বেছে নিতে হবে। ফলে তাদের হাতে সময়ও নাই বেশি।

    অবশ্য যাচাইবাছাইয়ে বিএনপির যেসব নেতার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে, তারা এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন। আগামী তিনদিন এই আপিলের ওপর শুনানি হবে। সেখানেও সন্তুষ্ট না হলে তাদের উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ আছে। আর তাদের কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলে কোনো কোনো আসনের চিত্র পাল্টাতেও পারে।

  • সেই ঘাতক বাবা আটক

    সেই ঘাতক বাবা আটক

    রাজধানীর বাংলামোটরে নিজ ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে অন্য ছেলেকে জিম্মি করে রাখা বাবা নুরুজ্জামান কাজলকে আটক করেছে পুলিশ। এবং অপর ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে।

    বুধবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে বাংলামোটর ১৬ নম্বর লিংক রোডে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হন কাজল। বাসায় দোয়া পড়ানোর জন্য হুজুরকে নিয়ে আসেন তিনি। পরে হুজুর ওই বাসা থেকে বেরিয়ে দাবি করেন, সেখানে এক শিশু সন্তানকে অচেতন অবস্থায় দেখেছেন তিনি। বিষয়টি শাহবাগ থানার পুলিশকে জানান তিনি।

    শিশুটির পিতা মাদকাসক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসীরা। এ কারণে তাঁর স্ত্রী ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।


    দুপুর পৌনে দুইটাই ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ ও র‌্যাব। এ সময় পুলিশ ভেতরে থাকা বাবা কাজলকে আটক করে।

    পরে মেঝেতে পড়ে থাকা কাফনের কাপড়ে মোড়ানো ছোট ছেলে সাফায়েতের মরদেহ উদ্ধার করে। শিশু সাফায়েতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর জীবিত উদ্ধার অভিযুক্ত কাজলের বড় ছেলে সুরায়েতকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

    বাড়িটির ভেতরে তদন্তের কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।