Blog

  • ফাইভ জির তরঙ্গ পরীক্ষা করতেই মারা পড়ল শত শত পাখি

    ফাইভ জির তরঙ্গ পরীক্ষা করতেই মারা পড়ল শত শত পাখি

    সপ্তাহখানেক আগে নেদারল্যান্ডসের এক পার্কে অদ্ভূত এক ঘটনা ঘটে। হঠাৎ করেই গাছের ডালে বসে থাকা পাখিগুলো মরে নিচে পরতে থাকে। একটি বা দুটি নয় এভাবে মারা পড়লো প্রায় তিনশ’ পাখি।

    শুধু পাখি নয়, পাশে পুকুরে সাঁতার কাটতে থাকা হাঁসগুলো অদ্ভূত আচরণ করতে শুরু করে। পানির নিচে ডুব দিয়ে কেন যেন হঠাৎ পালানোর চেষ্টা করছিল হাঁসগুলো। খবর প্রিন্সিপিয়া সাইন্টিফিক ইন্টারন্যাশনালের।

    নেদারল্যান্ডসে সম্প্রতি পঞ্চম প্রজন্মের টেলিকম নেটওয়ার্ক ফাইভ জি চালু করা হয়েছে। একটি রেল স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ওই নেটওয়ার্ক চালু হয়। এর পরেই আজব ঘটনা ঘটতে থাকে।

    রেল স্টেশনের আশেপাশের পার্কে শত শত মৃত পাখি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। শুরুতে এই খবর দেশটির সরকার সুকৌশলে চেপে রেখেছিল। তবে এক সঙ্গে এতো পাখি মারা যাওয়ায় এই খবর আর চেপে রাখা সম্ভব হয়নি। সব মিলে মৃত পাখির সংখ্যা ছিল ২৯৭ টি।

    মূলত ফাইভ জি নেটওয়ার্ক সিগনাল কতদূর পৌঁছায় আর পরিবেশে কোন ক্ষতি করে কী না তা জানাই এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু এই পরীক্ষায় পরিবেশে বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল।

    এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জন নামে নেদারল্যান্ডসের এক পরিবেশপ্রেমী বলেছেন, এতো পাখি একসঙ্গে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাল ইনফেকশনে হঠাৎ মারা যেতে পারে না। ফাইভ জি নেটওয়ার্ক থেকে নির্গত মাইওক্রোওয়েভ পাখির হৃদপিন্ডে আঘাত হানে। এর পরে হৃদযন্ত্র অকেজ হয়ে মারা গেছে পাখিগুলো।

    দেশটিতে ইতোমধ্যে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার জন্য ইন্টারনেটে আন্দোলন শুরু করেছেন জন। স্টপফাইভজি ডট নেট ওয়েবসাইট থেকে তিনি ফাইভ জি নেটওয়ার্ক থেকে হওয়া সম্ভাব্য ক্ষতি ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ করে চলেছেন।

  • স্যারের কথা সত্য নয়।

    স্যারের কথা সত্য নয়।

    “আমাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না, বাইরে যেতে দেয়া হচ্ছে না”। বৃহস্পতিবার হঠাৎ জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে এরশাদ পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে গাড়ির মধ্যে বসেই জানিয়েছিলেন তার বর্তমান অবস্থার কথা। তিনি হাসপাতালের পোশাকেই বাসায় যাচ্ছিলেন, এ সময় পার্টির নেতাকর্মীদের দেখতে এসে ক্ষুব্ধ হয়ে এ বার্তা দেন। তাকে কেন চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না, বাইরে যেতে কেন এবং কারা বাধা দিচ্ছে এমন প্রশ্নের মুখে গতকাল জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙা বলেছেন, স্যারের চিকিৎসায় বাধা-এর কোনো কথাই কিন্তু সত্যি নয়। আমি ওনার পাশেই ছিলাম। সঙ্গেই ছিলাম। নির্বাচন চলে আসছে। আমি বলেছি নির্বাচনের দু-একটা দিন থেকে আপনি চলে যান।
    বয়স হলে ব্লাডের সমস্যা অ্যারাইজ করে। জাপা চেয়ারম্যানের জন্য সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা হলে ভালো হবে, সে কারণে তাকে যেতে হবে। মনোনয়ন জমা নেয়া হয়ে যাক। তারপরেই যাবেন। গতকাল দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রাঙা বলেন, মহাজোটের শরিক সবার সঙ্গে আলোচনা চলছে। আওয়ামী লীগ থেকে চেয়েছিলাম ৫৪টি আসন, আমরা ৪৫টি পেতে পারি। এজন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে।

    রাঙা বলেন, আমরা জোট ছাড়া যদি থাকতাম, তাহলে এখনই বলে দিতাম আমাদের আসন সংখ্যা কত। যেহেতু আমাদের একটা জোট আছে, এ কারণে তাদের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। আওয়ামী লীগও বলতে পারবে না তাদের আসন সংখ্যা কত। যদিও তারা বলে ২৩০, আমরা এখনো এভাবে বলতে পারি না। তাদের সঙ্গে আমাদের চূড়ান্ত আলোচনা সম্পন্ন হয়নি। আজকে বা কালকের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

    জাপার সদ্য বিদায়ী মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কোর্ট তো শেষ হয়নি। কোর্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা বলতে পারি না ওনি বাতিল হয়েছে কি না। আইনের মাধ্যমে তিনি আবার নির্বাচন করতে পারেন।

    জাপার ইশতেহার প্রসঙ্গে মশিউর রহমান রাঙা বলেন, প্রত্যেক দলের ইশতেহার আলাদা হবে। মার্কাও আলাদা। ইশতেহার তৈরি হচ্ছে, দুই একদিনের মধ্যে দিতে পারব বলে আশা করি। আমরা যে প্রাদেশিক সরকারের কথা বলছি। উন্নয়নের কথা বলেছি। গতবারের ইশতেহারের সঙ্গে এবারো অনেকটা মিল থাকবে।

    এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, মজিবুর রহমান সেন্টু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন ভূইয়া এমপি, এসএম ইয়াসির, যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান, এ ছাড়া কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ মোহিববুল্লাহ, ফজলে এলাহী সোহাগ, মো. নেওয়াজ আলী ভূইয়া, আবদুর রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন।

  • দু’টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলো সৌদি আরব

    দু’টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলো সৌদি আরব

    নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি দু’টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে সৌদি আরব। আজ শুক্রবার চীন থেকে স্যাটেলাইটগুলো মহাকাশের পাঠায় দেশটি। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। ‘স্যাট ৫এ’ ও ‘স্যাট ৫বি’ স্যাটেলাইট দু’টি কিং আব্দুল আজিজ সিটি ফর সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে তৈরি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিন সাউদ বিন মোহাম্মদ বলেন, ‘গত বছরের পরিশ্রমের ফল পেলাম আমরা’।

    মহাকাশ থেকে নজরদারির কাজ করা হবে বলে জানায় সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা স্পা। বিন সাউদ বলেন, তারা অনেকদিন ধরেই এই স্যাটেলাইট তৈরির কাজ করছেন। এর মাধ্যমে সরকারি সংস্থাগুলো উপকৃত হবে এবং তথ্য পাবে।

  • প্রথম দিন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা

    প্রথম দিন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) প্রথম দিনে ১৬০টি আপিল আবেদনের শুনানি হয়েছে। এতে মনোনয়ন বাতিল হওয়া ৮০ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আর ৭৬টি আবেদন খারিজ ও ৪ আপিলের পক্ষে কেউ উপস্থিত না থাকায় তা স্থগিত রাখা হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনের অস্থায়ী এজলাসে সকাল ৯টা থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে শুনানি চলে। প্রথম দফায় দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা ১০০  প্রার্থীর শুনানি হয়। এর মধ্যে ৫৬ জনের আপিল গ্রহণ করে তাদের বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এরপর মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে বেলা ৩টা থেকে ফের শুনানি শুরু হয়, চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এ আপিল শুনানি করেন। এজলাসে ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতম দিনের শুনানিতে বিএনপিতে যোগ দেওয়া পটুয়াখালী-৩ আসনে গোলাম মাওলা রনি, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বগুড়া-৭ আসনে মোর্শেদ মিল্টন, ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাকের মতো বিএনপি মনোনীত ৩৮ প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা থাকছে না।

    তবে দলটির হেভিওয়েট প্রার্থী মীর নাছির উদ্দিন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মনোনয়ন বাতিল করে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন। শুনানি শেষে তাদের আপিল খারিজ করে দেওয়া হয়।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ২৮ নভেম্বর শেষ দিন পর্যন্ত সারা দেশে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা পড়ে ৩০৬৫ মনোনয়নপত্র। আর ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন কারণে অযোগ্য বিবেচনায় বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়ার তিনটি মনোনয়নসহ বাতিল হয় ৭৮৬ জনের প্রার্থিতা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইসিতে আপিল করেন ৫৪৩ জন। আর আপিল করেননি ২৪৩ প্রার্থী।

    আজ শুক্রবার শুনানি হবে আপিল আবেদনের ক্রমিক নম্বর ১৬১ থেকে ৩১০ পর্যন্ত এবং আগামীকাল শনিবার ৩১১ থেকে ৫৪৩ ক্রমিক নম্বর পর্যন্ত।

    নির্বাচনে ফিরেছেন যারা : প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির মোর্শেদ মিল্টন, ঢাকা-২০-এর ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. তমিজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-২-এর বিএনপি প্রার্থী মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে তৈয়ব আলি, পটুয়াখালী-৩-এর বিএনপি মনোনীত গোলাম মাওলা রনি, ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপির আবদুল মজিদ, ঢাকা-১-এর বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪-এর ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, পটুয়াখালী-৩ মোহম্মদ শাহজাহান, পটুয়াখালী-১ মো. সুমন সন্যামত, মাদারীপুর-১ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সিলেট-৩ আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান, পাবনা-৩ হাসাদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান খান, নাটোর-১ আসনে বীরেন্দ্রনাথ সাহা, সিরাজগঞ্জ-৩ আয়নাল হক, গাজীপুর-২ মাহবুব আলম, গাজীপুর-২ জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম, খুলনা-৬ এসএম শফিকুল আলম, হবিগঞ্জ-২ আসনে মো. জাকির হোসেন, হবিগঞ্জ-১ জুবায়ের আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আবদুল্লাহ আল হেলাল, ময়মনসিংহ-২ মো. আবু বকর সিদ্দিক, শেরপুর-২ এ কে মুখলেসুর রহমান, হবিগঞ্জ-৪ মাওলানা মোহাম্মদ সোলায়মান খান রাব্বানী, নাটোর-৪ আলাউদ্দিন মৃধা, কুড়িগ্রাম-৪ মো. ইউনুছ আলী, বরিশাল-২ আনিছুজ্জামান, ঢাকা-৫ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ একেএম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ মো. তোজাম্মেল হক, সিলেট-৫ ফয়জুল মনির চৌধুরী, ময়মনসিংহ-৩ আহম্মদ তাইবুর রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ আনুর আহমদ লিটন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মো. মামুনুর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আবু আসিফ, ঢাকা-১৪ মো. জাকির হোসেন, পঞ্চগড়-২ মো. ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মো. আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ এমএ বাশার, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আবদুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মো. মাহফুজার রহমান, চট্টগ্রাম-১ নূরুল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মুখলেসুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ মো. মাহবুব আলম, কুমিল্লা-৫ মো. ইউনুছ, চাঁদপুর-৫ মো. নেয়ামুল বশির, বরিশাল-২ মোয়াজ্জেম হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, রংপুর-১ মো. আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ মো. আবু জাফর, কুড়িগ্রাম-৪ শাহ আলম, গাইবান্ধা-৩ মো. রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ মো. নাজিবুল ইসলাম (শর্ত সাপেক্ষে), যশোর-৬ সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ ফকির শওকত আলি, সিরাজগঞ্জ-৫ ফকির শওকত আলী, নাটোর-৪ আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ এমএ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৪ আবদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ মেজর (অব.) মনজুর কাদের, বগুড়া-৫ মো. আবদুর রউফ মণ্ডল জন, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. হাবিবুর রহমান, বগুড়া-২ শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ মোহাম্মদ ফয়সাল বিন, রাজশাহী-১ মো. আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ, গাইবান্ধা-৩ আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ মো. আনিছুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আবদুর রহিম সরকার, কুমিল্লা-১১ মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ মোহাম্মদ দুলাল খান ও ঝিনাইদহ-৩ মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন।

    যাদের আপিল খারিজ : নাটোর-২ মো. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ নবাব মো. শামসুল হুদা, খাগড়াছড়ির আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, ঝিনাইদহ-১ আবদুল ওহাব, সাতক্ষীরা-২ আফসার আলি, মাদারীপুর-৩ মো. আবদুল খালেক, দিনাজপুর-২ মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-১ মো. পারভেজ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ এসএম খলিলুর রহমান, ফেনী-১ মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. মিজানুল হক, ময়মনসিংহ-৪ আবু সাইদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মো. নজরুল ইসলাম, পঞ্চগড়-১ মো. তৌহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-২ মো. এমদাদুল হক, খুলনা-২ এসএম এরশাদুজ্জামান, ঢাকা-১ মো. আইয়ুব খান, বগুড়া-৩ মো. আবদুল মুহিত, বগুড়া-৬ একেএম মাহবুবুর রহমান, রাঙামাটির অমর কুমার দে, বগুড়া-৪ আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম), ঢাকা-১৪ সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাতক্ষীরা-১ এসএম মুজিবর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. বশির উল্লাহ, নওগাঁ-৪ মো. আফজাল হোসেন, মৌলভীবাজার-২ মহিবুল কাদির চৌধুরী, ফেনী-৩ হাসান আহমদ, ময়মনসিংহ-১০ মো. হাবিবুল্লাহ, জামালপুর-৪ মোহা. মামুনুর রশিদ, বগুড়া-২ আবদুল কাশেম, নীলফামারী-৪ মো. আমজাদ হোসেন, নীলফামারী-৩ মো. ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আখতার হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল ফয়েজ ভূইয়া, কুমিল্লা-১০ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-২ মো. সারওয়ার হোসেন, কুমিল্লা- ৪ মাহবুবুল আলম, নোয়াখালী-৩ এইচআরএম সাইফুল ইসলাম, ফেনী-১ মো. নূর আহমদ মজুমদার, গাইবান্ধা-২ মো. মকদুবর রহমান, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন, গাইবান্ধা-৩ মো. মনজুরুল হক, নীলফামারী-৪ আখতার হোসেন বাদল, লালমনিরহাট-৪ মো. জাহাঙ্গীর আলম, নীলফামারী-৪ মিনহাজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবুল হাশেম, রংপুর-৫ মমতাজ হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ মো. ওসমান গণি, বাগেরহাট-৪ আমিনুল ইসলাম, মাগুরা-২ খন্দকার মেহেদী আল মাসুদ, যশোর-২ মোসা. সাবিরা সুলতানা, নড়াইল-১ শিকদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, যশোর-২ হাজী মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-১ শেখ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বগুড়া-৭ মো. সরকার বাদল ও মো. আবদুর রাজ্জাক,  সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ, বগুড়া-৪ অধ্যাপক মো. জাহিদুর রহমান, নওগাঁ-২ আবদুর রউফ মান্নান, নওগাঁ-৫ মো. নজমুল হক, নাটোর-৪ ডিএম রনি পারভেজ আলম, নাটোর-৪ শান্তি রিবারু, সিরাজগঞ্জ-৩ সাইফুল ইসলাম শিশির, দিনাজপুর-৪ হাফিজুর রহমান সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নজরুল ইসলাম ভূইয়া, কুমিল্লা-৫ মো. শাহী আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, বান্দরবান-৩ মো. বকুল হোসেন, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবিদ আলভী।

  • খেলাপি ঋণে রেকর্ড

    খেলাপি ঋণে রেকর্ড

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবমতে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোতে মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। আর বছর ব্যবধানে বেড়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক এবং তফসিলি ব্যাংকগুলো নানা পদক্ষেপের কথা বললেও কার্যত কমছে না খেলাপি ঋণ। ভোটের আগে রাজনৈতিক বিবেচনায় বেশ কিছু গ্রাহক তাদের ঋণ নিয়মিত করেছে। তবে তাতে ইতিবাচক কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু ব্যাংকাররা বলছেন, ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ কমে যাবে। কারণ নতুন ব্যাংকগুলো নিজেদের আর্থিক অবস্থান ভালো দেখাতে বিশেষ সুবিধা দিয়ে গ্রাহকের ঋণ নিয়মিত করে থাকে। ফলে বছরের শেষ প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ কমে যাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মোতাবেক, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। জুন প্রান্তিক শেষে ৫৭টি ব্যাংকের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত তিন মাসে ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা, যা বেড়ে যাওয়া খেলাপি ঋণের সমপরিমাণ। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ৮০ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। সে হিসেবে বছর ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।

    চলতি বছরের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় ৮৯ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ। গত বছরের জুনে ছিল ৭৪ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৪ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।

    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রায় এক-চতুর্থাংশ ঋণখেলাপি। সেপ্টেম্বর শেষে ৬ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪৮ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২৩ শতাংশ। এই সময়ে মোট ঋণ বিতরণ করেছে ৬ সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ১ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। অবশ্য মোট খেলাপির অর্ধেকই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, জুন শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। এই সময় ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণ ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৫৯ কোটি টাকা। জুন থেকে সেপ্টেম্বরে এসে হার কমলেও খেলাপি ঋণ দেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। মার্চ শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মোট খেলাপি ঋণ ছিল ৪৩ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা।

    বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ২৪১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এ সময় তাদের মোট ঋণ ২৪ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর শেষে এই হারে উল্লেযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।

    অন্যদিকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর। জুন শেষে ৪০টি বেসরকারি ব্যাংকের মোট ঋণের স্থিতি ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৩৮ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করেছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। যার ৪৩ হাজার কোটি টাকা খেলাপি হয়ে পড়েছে, যা মোট ঋণের ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

    দেশে পরিচালিত ৯টি বিদেশি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে দাঁড়িয়েছে ৭ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিক থেকে এক শতাংশ বেশি। এ সময় বিদেশি ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করেছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। যার ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা খেলাপি। জুন শেষে খেলাপি ঋণের হার ছিল ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। জুন শেষে তাদের মোট ঋণ ৩৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ ২ হাজার ২৭১ কোটি টাকা।

    জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বাংলাদেশের খবরকে বলেন, খেলাপি ঋণের উচ্চ পরিমাণ ও হারের কারণ ব্যাংক খাতে সুশাসনের ঘাটতি। এ ঘাটতি একসময় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে ছিল। বেসরকারি ব্যাংকগুলো তার মূলধন ঘাটতির ভয়ে ঋণ বিতরণে সতর্ক থাকত। কিন্তু বর্তমানে সেটিও নেই। ফলে সার্বিকভাবে খেলাপি ঋণ কমাতে তদারকি এবং পদক্ষেপে ঘাটতি রয়েছে।

  • শরিকদের যে কয়টি আসন দিল বিএনপি

    শরিকদের যে কয়টি আসন দিল বিএনপি

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৬ জন দলীয় প্রার্থীর মনোনয়নের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চূড়ান্ত এই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন।

    ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৬টি আসনে দলীয় প্রার্থী দেন মির্জা ফখরুল। আর বাকি ৯৪টি আসন ২০ দল এবং ঐক্যফ্রন্টকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এই ৯৪টি আসনের প্রার্থীদের নাম শনিবার(৮ ডিসেম্বর) ঘোষণা করা হবে।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দলীয় প্রার্থীদের আংশিক তালিকা (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টার পর প্রকাশ করা হবে। এই কথা বলার পর তিনি মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে জোটের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় যোগ দেন।

    সভা শেষে জানা যায়, বৃহস্পতিবার প্রার্থী ঘোষণা করছে না বিএনপি। বরং শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবেন।

    এক নজরে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা:

    ঢাকা- ২: ইরফান ইবনে আমান

    ঢাকা- ৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

    ঢাকা-৫: সালাউদ্দিন আহমেদ

    ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস

    ঢাকা-১০: আবদুল মান্নান

    ঢাকা-১১: শামীম আরা বেগম

    ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব

    রাজশাহী-১: ব্যারিস্টার আমিনুল হক

    রাজশাহী-২: মিজানুর রহমান মিনু

    রাজশাহী-৪: আবু হেনা

    রাজশাহী-৬: কামরুদ্দিন এহিয়া খান মজলিস

    নাটোর-৪: আব্দুল আজিজ

    সিরাজগঞ্জ-১: কনক চাঁপা

    সিরাজগঞ্জ-৩ আবদুল মান্নান তালুকদার

    পাবনা-৪: আরিফুর রহমান হাবিব।

    পটুয়াখালী-৩: গোলাম মাওলা রনি

    ফেনী-২ আসনে জয়নাল আবেদিন (ভিপি জয়নাল)

    ফেনী-৩ আসনে মোহাম্মদ আকবর হোসেন।

    নোয়াখালী-৫: ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

    চট্টগ্রাম ১১: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

    ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর​

    ঠাকুরগাঁও-৩: জাহিদুর রহমান

    পঞ্চগড়-১: ব্যারিস্টার জমির উদ্দীনের ছেলে নওশাদ জমির

    দিনাজপুর-২ আসনে মো. সাদিক রিয়াজ

    দিনাজপুর-৪ আসনে আকতারুজ্জামান মিয়া

    দিনাজপুর-৫ আসনে রেজানুর হক

    নীলফামারী-১ আসনে রফিকুল ইসলাম

    লালমনিরহাট-২ আসনে রোকন উদ্দিন বাবু

    লালমনিরহাট-১ আসনে হাসান রাজিব প্রধান

    লালমনিরহাট-৩ আসনে আসাদুল হাবিব দুলু

    রংপুর-২ আসনে মোহাম্মদ আলী সরকার

    গাইবান্ধা-২ আসনে আ. রশিদ সরকার

  • ২০৬ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

    ২০৬ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করছে বিএনপি। ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে ৯৪টি আসন।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন।

    এদিকে আজ ঐক্যফ্রন্টের প্রাথী তালিকা ঘোষণা করার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। আগামীকাল শনিবার ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হবে।

  • রাস্তা কাঁপাতে তিন চাকার দুর্দান্ত বাইক আনলো ইয়ামাহা

    রাস্তা কাঁপাতে তিন চাকার দুর্দান্ত বাইক আনলো ইয়ামাহা

    নিকেন জিটি নামে তিন চাকার নতুন মডেলের মোটরসাইকেল বাজারে এনছে জাপানি প্রতিষ্ঠান ইয়ামাহা। ব্রিটেন ও আমেরিকায় ইতোমধ্যেই বিক্রিও শুরু হয়েছে নতুন এই বাইক।

    এই বাইকের বিশেষত্ব হল, এর পিছনের সিটের পাশে ২৫ লিটারের প্যানিয়ার্স আছে। যাতে অনায়াসে অনেক জিনিস বহন করা যাবে। বাইকটির আরও আকর্ষণীয় বিষয় হল, এতে মোবাইল বা অন্য ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট চার্জ দেয়ার ব্যবস্থা আছে।

    সাধারণ বাইক বেশি বাঁক নিয়ে ঘুরতে গিয়ে অনেক সময় স্কিড করে। কিন্তু নিকেনের সামনের দু’টি চাকা থাকায় সেটা ব্যালান্স করে।

    ইয়ামাহার নতুন এই বাইকের সামনে রয়েছে চওড়া উইন্ডস্ক্রিন ও সিট। সেই সঙ্গে রয়েছে হিটেড হ্যান্ডলবার গ্রিপ।

    তিন সিলিন্ডার ও ৬ গিয়ার বিশিষ্ট ৮৪৭ সিসির এই বাইকে রয়েছে ক্রুজ কন্ট্রোল। চতুর্থ গিয়ারের পর ঘণ্টায় গতি বেগ ৮০ কিলোমিটার ছুঁলেই আপনা আপনি কাজ করবে সেই কন্ট্রোলার।

    এত সব সুবিধার একটি নিকেন জিটি’র মালিকানা পেতে বেশ মোটা অংকের টাকাও গুনতে হবে। ব্রিটেনে এই বাইকের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৫০০ পাউন্ড, আর যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ হাজার ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ১৪ লাখ টাকা)।

  • জানেন কি, পিছনের পকেটে মানিব্যাগ আপনাকে কোন ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে?

    জানেন কি, পিছনের পকেটে মানিব্যাগ আপনাকে কোন ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে?

    দীর্ঘক্ষণ একটানা প্যান্টের পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রাখেন অধিকাংশ পুরুষ। কোনও কোনও মেয়েও পশ্চিমী পোশাকের সঙ্গে ব্যাকপকেটে মানিব্যাগ রাখেন। প্রতিদিনের এমন ঘটনা আপাতভাবে শারীরিক কোনও কোনও ক্ষতি করে না। কিন্তু এই অভ্যাস আসলে কোন ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে জানলে আজ থেকেই সাবধান হবেন আপনিও!

    দিনের পর দিন এভাবে ব্যাগ রাখাকেই কোমরে ব্যথা, হাড়ের সমস্যা ও স্নায়ুরোগের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকরা। হাড় ও স্নায়ুর অসুখ নিয়ে দীর্ঘ দিন গবেষণা চালানো দেশ-বিদেশের নানা সংস্থাই এ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব হেল্‌থ সায়েন্সের গবেষকরাও ছেলেদের নানা হাড়ের সমস্যা এবং পায়ে বা কোমরে বাতের বেদনার জন্য এই স্বভাবকেই অনেকাংশে দায়ী করছেন।

    প্যান্টের পিছনে একটি পকেট দেওয়া থাকে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ওই পকেটে মানিব্যাগ রাখতে হবে। আমরা আমাদের সুবিধার জন্য টাকা পয়সা রাখা ভারী ব্যাগ চালান করে দিই পকেটে। যারা অল্প টাকা পয়সা নিয়ে বেরোন, তাদেরও ব্যাঙ্কের কার্ড, খুচরা পয়সা, বাতিল কাগজে ভরে থাকে মানিব্যাগ। এবার পকেটে সেই ব্যাগ পুরেই আমরা বসে থাকি, হাঁটাচলা করি, ট্রেনে-বাসে চড়ি।

    অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্যান্টের পিছনের পকেট যেখানে থাকে, ঠিক সেখানেই অবস্থান করে সায়াটিক স্নায়ু। এই দীর্ঘ সময় ওভাবে ব্যাগ রাখায় এবং ওই অবস্থায় চেপে বসে থাকার কারণে সায়াটিক স্নায়ু ও সংশ্লিষ্ট পেশীর উপর প্রবল চাপ পড়ে। ফিমার হাড়ের মাথাতেও চাপ পড়ে। এতেই কোমরে ব্যথা ও হাড়ের সমস্যা দেখা দেয়। আসলে দীর্ঘ সময় ধরে প্যান্টের পিছনের পকেটে ব্যাগ রেখে দেওয়ায় সায়াটিক নার্ভের নিচে থাকা তন্তুর উপরেও চাপ পড়ে। এতে কোমরে ব্যথা তো হয়ই, কারও কারও ক্ষেত্রে পা অবশ হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে হাড়ের ক্ষয়ও ঘটে।

    তাহলে উপায়?

    1.পকেট টুকটাক জরুরি কাগজ বা কলম রাখার কাজে ব্যবহার করুন। মানিব্যাগ রাখুন কাঁধের ব্যাগে।
    2.নিয়মিত শরীরচর্চা করুন।
    3.ইতিমধ্যেই এই ব্যথার শিকার হলে গরম সেঁক নিন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • এক সন্ধ্যায় ছয় ঋতুর বন্দনা

    এক সন্ধ্যায় ছয় ঋতুর বন্দনা

    ২৪ ঘণ্টায় এক দিন, ৩০ দিনে এক মাস, ১২ মাসে এক বছর। বছরে ছয়টি ঋতু—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। শিক্ষাজীবনের শুরুতে পাঠ্যবইতে দুলে দুলে মুখস্থ করার অভিজ্ঞতা সবারই আছে। যদিও অধুনা নগরজীবনে টেনেটুনে চারটি ঋতু পাওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে সন্দেহ। তবে যুগ যুগ ধরে এই উপমহাদেশের সাহিত্যে, সংগীতে ছয় ঋতু তথা প্রকৃতি সব সময়ই প্রবলভাবে রয়েছে, যা পাশ্চাত্যের সাহিত্যে তেমন দেখা যায় না। আবহমান বাংলার তেমন কিছু গান কবিতার সম্ভার নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার হেমন্তের সন্ধ্যায় ঋতুর

    একটি-দুটি নয়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক আয়োজনে আবহমান বাংলার ছয় ঋতুকে উদ্‌যাপন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। অনুষ্ঠানের শিরোনাম ‘ষড়্ঋতুর পদাবলি’, যেখানে গান, কবিতা আর নৃত্যের ছন্দে শিল্পীরা ঋতুগুলোর বৈচিত্র্য আর সৌন্দর্য তুলে ধরেন। ছিল রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে লোক এমনকি আধুনিক বাংলা গানও।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, সচিব মো. বদরুল আনম ভূঁইয়া এবং প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক কাজী আসাদুজ্জামান।

    বন্দনা করা হয় গ্রীষ্মের। একাডেমির শিল্পীদের সম্মেলক কণ্ঠে শোনা যায় ‘আজি নুতন রতনে ভূষণে যতনে’ গানটি। এরপর ‘দোলে নাগরদোলা দোলে ঘুরে ঘুরে’ গানের সঙ্গে ছিল সম্মেলক নৃত্য। এরপর আবিদা রহমান গেয়ে শোনান ‘এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনার’ ও মোনালীন আজাদের কণ্ঠে শোনা যায় ‘প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন’।

    গ্রীষ্মের বন্দনা শেষে বর্ষার গান। শারমিন আক্তার ‘অম্বরে মেঘ মৃদঙ্গ বাজে’, রাফি তালুকদার ‘মাছের গান’, সুচিত্রা রানী সূত্রধর ‘চঞ্চলা হাওয়ারে’ গানে বর্ষার বন্দনা করেন। ‘শাওন গগনে ঘোর ঘন ঘটা’ গানের সঙ্গে সম্মেলক নৃত্য পরিবেশন করেন একদল শিল্পী। সম্মেলক কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘মেঘের ডমরু ঘন বাজে’। দ্বৈতকণ্ঠে রোকসানা আক্তার ও রাফি তালুকদার শোনান ‘দাওয়ায় করছে মেঘ’ গানটি।

    মোহনা দাসের ‘আমার রাত পোহালো’ গানের একক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ঋতু শরতের বন্দনা। এর পর ‘শিউলি তলায় ভোরবেলায়’ গানের সঙ্গে ছিল নৃত্য। আর শরৎ-বন্দনা শেষ হয় ‘এসো শারদ প্রাতের পথিক’ গানটির সমবেত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।

    ষোলো আনা হেমন্তপ্রেমী কবি জীবনানন্দ দাশ। তাঁর কবিতায় হেমন্ত, প্রকৃতি আর আত্মমগ্নতা একে অন্যের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। তাই ষড়্ঋতুর পদাবলি অনুষ্ঠানে হেমন্ত পর্বের শুরুতে জীবনানন্দ দাশের ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটিই যথার্থ মনে হয়েছে। আবৃত্তি করেন কাজী আসাদুজ্জামান। একক আবৃত্তির কারণে মিলনায়তনে কিছুটা নীরবতা নামে। এরপরই শোনা যায় নূপুরের আওয়াজ, ‘আয়রে ও আয়রে’ গানের সঙ্গে সম্মেলক নৃত্য। ‘আমার মাইজা ভাই সাইজা ভাই কই গেলা রে’ গানের সমবেত পরিবেশনায় দারুণ জমে ওঠে ঋতুর বন্দনার আসরটি। হীরক রাজার কণ্ঠে ‘কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে কোকিল ডাকে গাছে গাছে’ গীতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় হেমন্তের বন্দনা।

    অনুষ্ঠানে ছিল সমবেত সংগীতঅনুষ্ঠানে ছিল সমবেত সংগীতযথারীতি পরের ঋতু শীত। শুরুতেই সম্মেলক কণ্ঠে গান ‘পৌষ এল গো, পৌষ এল গো’। পরে ‘একী মায়া লুটাও কায়া জীর্ণ শীতের মাঝে’ গানের সঙ্গে ছিল নৃত্য। হিমাদ্রি রায় গেয়ে শোনালেন ‘পৌষের কাছাকাছি রোদ মাখা সেই দিন’ গানটি। আধুনিক গান ‘যেখানে সীমান্ত তোমার সেখানে বসন্ত আমার’ গানের একক পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয় বসন্ত পর্ব।

    সব শেষে ঋতুরাজ বসন্তের বন্দনা। এ পর্বের শুরুতেই সোহানুর রহমান গেয়ে শোনালেন। সুচিত্রা রানী সূত্রধর ও মোহনা দাস দ্বৈত কণ্ঠে গেয়ে শোনান ‘ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান’। এরপর রোকসানা আক্তার গেয়ে শোনান ‘তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো’। সম্মেলক কণ্ঠে শাহ আবদুল করিমের ‘বসন্ত বাতাসে সই গো’ গানের সঙ্গে সম্মেলক নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ঋতু বন্দনার এ আয়োজন।

    মঞ্চের পেছনে পর্দায় ছিল নানা ঋতুর নিসর্গ। শিল্পীদের পরিবেশনা, গান, কবিতার বাছাই, গানের সঙ্গে মিল রেখে নৃত্য আর মঞ্চের সাজসজ্জা—সব মিলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আসরে মন ভরে দর্শকের। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন তামান্না তিথি।