ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জন গ্রেফতার Logo সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন গ্রেফতার, মামলা ৪১ Logo ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, এস্কাফ সিরাপ ও ইয়াবাসহ ৭ মাদক-অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার Logo ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo টানা ভারি বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

চাঁদপুরে ২ শতাধিক শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯
  • ১৩১ বার পঠিত হয়েছে

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গত কয়েকদিন আবহাওয়ার বিরুপ প্রতিক্রিয়ার কারণে নিউমোনিয়া, লোটা ভাইরাস, ভ্রোর্ন কাটিজ ও শ্বাস প্রশ্বাস কষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ১ থেকে ৩ বছরের শিশুরা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। গত ৩ দিনে প্রায় ২ শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। নির্ধারিত বেড শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে বর্তমানে হাসপাতালের নিচে মেঝেতে শিশুদের রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচেছ।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১২টার পর থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ১০৮জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে বলে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সেবিকারা নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, শিশু ওয়ার্ডে নির্ধারিত বেড রয়েছে ৩০টি। স্পেশাল বেড রয়েছে ৬টি। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে ১০৮জন। এর মধ্যে রাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত হয়েছে ৫৫জন এবং সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ৫৩জন শিশু।

গত কয়েকদিন একই অবস্থা রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০-৫০জন শিশু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে আবার কিছুটা সুস্থ্য হলে বাড়ীতে ফিরে যাচ্ছেন।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক মো: আনোয়ারুল আজিম জানান, বর্তমান আবহাওয়া দিনে গরম রাতে ঠান্ডা। এরকম আবহাওয়ার কারণে এ ধরনের রোগ বেশী দেখা দেয়। কয়েকদিন প্রচন্ড গরমের কারণে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আবার গভীর রাতে ঠান্ডা লাগে। এতে শিশুদের ফুসফুসে সমস্যা হয়। তিনি বলেন ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার পর থেকে ১৮ এপ্রিল বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৩৮৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৮ জন শিশু ও অন্য সব পুরুষ-মহিলা ও গাইনি বিভাগে ভর্তি রোগী। নিউমোনিয়া ও ভ্রোর্ন কাটিজ জনিত শিশু রোগী বেশী।

তিনি আরো বলেন, এসব রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পিতা-মাতাকে সচেতন হতে হবে। শিশুদের শরীর গামালে তা মুছে দিতে হবে। তাদেরকে পাতলা পোষাক পরিধান করাতে হবে। সচেতন হলে এ রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম

চাঁদপুরে ২ শতাধিক শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত

আপডেট এর সময় : ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গত কয়েকদিন আবহাওয়ার বিরুপ প্রতিক্রিয়ার কারণে নিউমোনিয়া, লোটা ভাইরাস, ভ্রোর্ন কাটিজ ও শ্বাস প্রশ্বাস কষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ১ থেকে ৩ বছরের শিশুরা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। গত ৩ দিনে প্রায় ২ শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। নির্ধারিত বেড শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে বর্তমানে হাসপাতালের নিচে মেঝেতে শিশুদের রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচেছ।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১২টার পর থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ১০৮জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে বলে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সেবিকারা নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, শিশু ওয়ার্ডে নির্ধারিত বেড রয়েছে ৩০টি। স্পেশাল বেড রয়েছে ৬টি। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে ১০৮জন। এর মধ্যে রাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত হয়েছে ৫৫জন এবং সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ৫৩জন শিশু।

গত কয়েকদিন একই অবস্থা রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০-৫০জন শিশু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে আবার কিছুটা সুস্থ্য হলে বাড়ীতে ফিরে যাচ্ছেন।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক মো: আনোয়ারুল আজিম জানান, বর্তমান আবহাওয়া দিনে গরম রাতে ঠান্ডা। এরকম আবহাওয়ার কারণে এ ধরনের রোগ বেশী দেখা দেয়। কয়েকদিন প্রচন্ড গরমের কারণে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আবার গভীর রাতে ঠান্ডা লাগে। এতে শিশুদের ফুসফুসে সমস্যা হয়। তিনি বলেন ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার পর থেকে ১৮ এপ্রিল বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৩৮৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৮ জন শিশু ও অন্য সব পুরুষ-মহিলা ও গাইনি বিভাগে ভর্তি রোগী। নিউমোনিয়া ও ভ্রোর্ন কাটিজ জনিত শিশু রোগী বেশী।

তিনি আরো বলেন, এসব রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পিতা-মাতাকে সচেতন হতে হবে। শিশুদের শরীর গামালে তা মুছে দিতে হবে। তাদেরকে পাতলা পোষাক পরিধান করাতে হবে। সচেতন হলে এ রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।