নুরে আলম সিদ্দিকী :দেশের সর্বত্রই অগ্নিসেনা সোহেল রানার অসম সাহসিকতা আর মহানুভবতার বিষয়টিই আলোচিত হচ্ছে। গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ২৬ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন অর্ধশত। সোহেল রানা কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। আগুন লাগার খবরে দায়িত্ব পালন করতে বনানীর এফ আর টাওয়ারে ছুটে যান। তিনি উঁচু ল্যাডার (মই) দিয়ে আগুন নেভানো ও আটকেপড়াদের উদ্ধারে কাজ করছিলেন।
ল্যাডারে সোহেল রানার সঙ্গে আরো দুজন ফায়ারম্যান এবং উদ্ধার হওয়া পাঁচজন থাকায় ল্যাডারটি ওভারলোড দেখাচ্ছিল। পরে আটকেপড়া বেশি মানুষের জায়গা দিতে গিয়ে তিনি লেডারের সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসছিলেন। এ সময় পা আটকে গুরুতর আহত হন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে মৃত্যুবরণ করেন। নিজের জীবন বিপন্ন করে কর্তব্য পালনের এমন নজির খুব কম দেখা যায়।
সোহেলের সুচিকিৎসার জন্য সরকার হাত বাড়িয়ে ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নিয়ে গিয়েও তাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না।
অগ্নিসেনা সোহেল রানার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন: ‘অন্যের জীবন রক্ষার্থে, নিজের জীবন উৎসর্গ করার ক্ষেত্রে সোহেল রানা এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।’
প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
সরকারের তরফ থেকে অগ্নিসেনা সোহেলের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড
প্রতিনিধির নাম : 











