ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড Logo গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কিশোর গ্রেফতার Logo যাত্রাবাড়ীতে সিটিটিসির অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার Logo আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দিনরাত মাঠে পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার Logo সুশাসনের জন্য সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ Logo সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo যেকোনো সময় বেনজীরের প্রত্যাবর্তন Logo নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের মূর্তমান প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা দক্ষিণ বৈষম্যের শিকার: মেয়র খোকন

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৯
  • ১০০ বার পঠিত হয়েছে

ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) বিভাজনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মারাত্নক ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

রবিবার নগর ভবনে ‘আধুনিক নাগরিক সেবা ও করণীয়’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তার কাছে বেশকিছু দাবিও তুলে ধরেন মেয়র।

সাঈদ  খোকন বলেন, ‘ডিসিসি বিভাজনের সময়ই ডিএসসিসি (ঢাকা দক্ষিণ) বৈষম্যের শিকার হয়েছে। বিভাজনের পরে রাজস্ব আয়ের ৪০ ভাগ পায় ডিএসসিসি ও ৬০ ভাগ পায় ডিএনসিসি। এরপর থেকে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে সংস্থাটি। এর মধ্যেও সাধ্যমত ভাল কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

২০১১ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে ভাগ করে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি নগর কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরে নগরীর অপেক্ষাকৃত উন্নত এলাকাগুলো পড়েছে। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণে প্রধানত পুরনো শহর পড়েছে।
২০১৫ সালের এপ্রিলে প্রথম বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। ঢাকার উত্তর অংশ থেকে জেতেন আনিসুল হক, দক্ষিণ অংশে জেতেন খোকন।

গত সাড়ে তিন বছরে নগরীতে অবকাঠামোগত বড় যে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো চলছে তার সিংহভাগই পড়েছে ঢাকার উত্তর অংশে। আবার নগরের আয়ও বেশি উত্তরে।

মেয়র খোকন বলেন, ‘অর্থ সংকটের পাশাপাশি ডিএসসিসি জনবলের সংকট নিয়েও চলছে। এ সংকট নিয়ে যথাযথ নাগরিক সেবা দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আট বছর আগে জনবল কাঠামো অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে তাও অনুমোদন হয়নি। এটা দুঃখজনক।’

‘৩০ বছর ধরে  হোল্ডিং ট্যাক্স মূল্যায়ণ করা হচ্ছে না। নির্বাচনের আগে আমরা ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট করতে  চেয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়  থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের কারণে তা বন্ধ করতে হয়েছিল। আমাদের এ সেবা সংস্থাটিকে স্বাবলম্বী করতে ওই প্রজ্ঞাপনটি উঠিয়ে  নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

নগর সরকারের দাবি উত্থাপন করে সভাপতির বক্তৃতায় মেয়র খোকন বলেন, ‘আমরা নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলছি। আমরা ইতিবাচক পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি। নগরবাসীকে সচেতন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়টা খুব জরুরি। এজন্য নগর সরকারের বিকল্প নেই।’

সভায় অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সচিব এস এম  গোলাম ফারুক, ঢাকা ওয়সার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসীম এ খান, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, রফিক আজম, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, সচিব শাহাবুদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা দক্ষিণ বৈষম্যের শিকার: মেয়র খোকন

আপডেট এর সময় : ০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৯

ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) বিভাজনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মারাত্নক ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

রবিবার নগর ভবনে ‘আধুনিক নাগরিক সেবা ও করণীয়’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তার কাছে বেশকিছু দাবিও তুলে ধরেন মেয়র।

সাঈদ  খোকন বলেন, ‘ডিসিসি বিভাজনের সময়ই ডিএসসিসি (ঢাকা দক্ষিণ) বৈষম্যের শিকার হয়েছে। বিভাজনের পরে রাজস্ব আয়ের ৪০ ভাগ পায় ডিএসসিসি ও ৬০ ভাগ পায় ডিএনসিসি। এরপর থেকে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে সংস্থাটি। এর মধ্যেও সাধ্যমত ভাল কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

২০১১ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে ভাগ করে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি নগর কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরে নগরীর অপেক্ষাকৃত উন্নত এলাকাগুলো পড়েছে। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণে প্রধানত পুরনো শহর পড়েছে।
২০১৫ সালের এপ্রিলে প্রথম বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। ঢাকার উত্তর অংশ থেকে জেতেন আনিসুল হক, দক্ষিণ অংশে জেতেন খোকন।

গত সাড়ে তিন বছরে নগরীতে অবকাঠামোগত বড় যে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো চলছে তার সিংহভাগই পড়েছে ঢাকার উত্তর অংশে। আবার নগরের আয়ও বেশি উত্তরে।

মেয়র খোকন বলেন, ‘অর্থ সংকটের পাশাপাশি ডিএসসিসি জনবলের সংকট নিয়েও চলছে। এ সংকট নিয়ে যথাযথ নাগরিক সেবা দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আট বছর আগে জনবল কাঠামো অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে তাও অনুমোদন হয়নি। এটা দুঃখজনক।’

‘৩০ বছর ধরে  হোল্ডিং ট্যাক্স মূল্যায়ণ করা হচ্ছে না। নির্বাচনের আগে আমরা ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট করতে  চেয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়  থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের কারণে তা বন্ধ করতে হয়েছিল। আমাদের এ সেবা সংস্থাটিকে স্বাবলম্বী করতে ওই প্রজ্ঞাপনটি উঠিয়ে  নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

নগর সরকারের দাবি উত্থাপন করে সভাপতির বক্তৃতায় মেয়র খোকন বলেন, ‘আমরা নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলছি। আমরা ইতিবাচক পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি। নগরবাসীকে সচেতন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়টা খুব জরুরি। এজন্য নগর সরকারের বিকল্প নেই।’

সভায় অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সচিব এস এম  গোলাম ফারুক, ঢাকা ওয়সার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসীম এ খান, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, রফিক আজম, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, সচিব শাহাবুদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।