মঞ্চে গান গাওয়ার সময় হেনস্তার শিকার হয়েছেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সোমলতা আচার্য চৌধুরী। শনিবার (৫ জানুয়ারি) কলকাতার অদূরে ধূপগুড়ির কালিরহাটে দেওয়ান চন্দ্র হাইস্কুলের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে নিজের ব্যান্ডের সঙ্গে গান গাওয়ার সময় হেনস্তার শিকার হন এই সঙ্গীতশিল্পী।
সোমলতা জানান, শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) ধূপগুড়ির কালিরহাটে দেওয়ান চন্দ্র হাইস্কুলের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হয়। শনিবার সেখানে নিজের ব্যান্ড সোমলতা অ্যান্ড দ্যা অ্যাসেজকে নিয়ে যান সোমলতা। গান গাওয়ার সময় অর্নব সাহা নামের ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক মঞ্চে উঠে বার বার গান শোনা যাচ্ছে না বলে বিরক্ত করেন তাদের। এমনকি এক পর্যায়ে সোমলতার হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে দর্শকদের বিভিন্নভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টাও করেন।

অনুষ্ঠান শেষে কলকাতায় ফিরে সোমলতা নিজের ফেসবুক একাউন্ট থেকে লাইভে এসে এই হেনস্থার কথা বর্ণনা করেন। তার দাবি, ‘এ সময় লোকটি মদ্যপ ছিলেন। তিনি নিজেকে একটি পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবেও পরিচয় দেন’।
এই ব্যাপারে অর্ণব সাহাকে সংবাদকর্মীরা প্রশ্ন করলে, সোমলতার তার বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভে এসে করা অভিযোগের পুরোটাই অস্বীকার করেন। অর্ণব সাহা আরও বলেন, তিনি মদ্যপ ছিলেন না।
ওই অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫ হাজার দর্শকের সামনে গান গাইছিলেন সোমলতা। প্রায় ২ ঘণ্টা গান করন তিনি। এরপরই অর্নব সাহা মঞ্চে উঠে গান শুনতে পারছিলেন না বলে অভিযোগ করেন। এক পর্যায়ে সোমলতার হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে দর্শকদের বলেন, ‘তোমরা কেউ গান শুনতে পাচ্ছ? তোমরা এত টাকা খরচ করে এই অনুষ্ঠান দেখতে এসেছ। অথচ গানই শুনতে পাচ্ছ না’। এমনকি সোমলতা এবং তার ব্যান্ডকে আটকে রাখার হুমকিও দেন তিনি। পরে স্থানীয় পুলিশ এসে সোমলতা ও তার ব্যান্ডকে নিরাপদে হোটেলে নিয়ে যান। এছাড়াও পুলিশের কাছে তথ্য ছিল, অর্ণব সাহা তার দল নিয়ে সোমলতা এবং তার ব্যান্ডের সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। এরপরই দ্রুত হোটেল ত্যাগ করে কলকাতায় আসেন সোমলতা ও তার ব্যান্ডের সদস্যরা।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিনিধির নাম : 















