ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া Logo ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ Logo রাজধানীতে প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন হত্যা: ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ Logo মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড Logo গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কিশোর গ্রেফতার Logo যাত্রাবাড়ীতে সিটিটিসির অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে পাঁচজনের ফাঁসি

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯
  • ১১২ বার পঠিত হয়েছে

পাঁচ বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী (২৪) তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন।

একই সঙ্গে আদালত তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার মালবাগডাঙ্গা গ্রামের শ্যামাপদ রবিদাসের ছেলে নয়ন রবিদাস (২৮), সোনাপট্টি গ্রামের বীরেন রবিদাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাস (২২), চাকপাড়া গ্রামের রতন রবিদাসের ছেলে নিতাইচন্দ্র রবিদাস (২৬), সুচেন দাসের ছেলে সুভাষ দাস (৪২) ও খোকন রবিদাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাস (২৪)।

রায় ঘোষণার সময় নয়নকুমার ও প্রশান্ত উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি আঞ্জুমান আরা বেগম মামলার নথির বরাতে জানান, ২০১৫ সালে সদর উপজেলার কালিনগর বাবলাবোনা গ্রামের মফিজুল ইসলামের মেয়ে আয়েশা খাতুন (২০) নিখোঁজ হন। পরদিন ১৪ জুন সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলার মোড়ের একটি ডোবা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের পর হত্যার তথ্য আসে। ওই বছর ১৫ আগস্ট সদর থানার এসআই শামীম আকতার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক সারোয়ার রহমান একই বছর ১৪ ডিসেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন আদালতে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসামি নয়ন প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে আয়েশা খাতুনকে ১৩ জুন ডেকে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

পিপি আঞ্জুমান বলেন, আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য নিয়ে পাঁচ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দিয়েছে।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সদর উপজেলার বাথানপাড়া গ্রামের অনীল শিলের ছেলে শ্রীকৃষ্ণ (২৩), হরিশপুরের আতাবুরের ছেলে আব্দুর রহিম (৩৫) ও রাজশাহীর জিয়া কলোনির আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী সোহাগী বেগম (২৭)।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ১৪ জুন সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলা মোড় এলাকার থেকে প্রতিবন্ধী আয়শাকে (২৪) ডেকে নিয়ে একটি আমবাগানে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর দিন সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে পাঁচজনের ফাঁসি

আপডেট এর সময় : ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯

পাঁচ বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী (২৪) তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন।

একই সঙ্গে আদালত তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার মালবাগডাঙ্গা গ্রামের শ্যামাপদ রবিদাসের ছেলে নয়ন রবিদাস (২৮), সোনাপট্টি গ্রামের বীরেন রবিদাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাস (২২), চাকপাড়া গ্রামের রতন রবিদাসের ছেলে নিতাইচন্দ্র রবিদাস (২৬), সুচেন দাসের ছেলে সুভাষ দাস (৪২) ও খোকন রবিদাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাস (২৪)।

রায় ঘোষণার সময় নয়নকুমার ও প্রশান্ত উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি আঞ্জুমান আরা বেগম মামলার নথির বরাতে জানান, ২০১৫ সালে সদর উপজেলার কালিনগর বাবলাবোনা গ্রামের মফিজুল ইসলামের মেয়ে আয়েশা খাতুন (২০) নিখোঁজ হন। পরদিন ১৪ জুন সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলার মোড়ের একটি ডোবা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের পর হত্যার তথ্য আসে। ওই বছর ১৫ আগস্ট সদর থানার এসআই শামীম আকতার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক সারোয়ার রহমান একই বছর ১৪ ডিসেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন আদালতে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসামি নয়ন প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে আয়েশা খাতুনকে ১৩ জুন ডেকে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

পিপি আঞ্জুমান বলেন, আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য নিয়ে পাঁচ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দিয়েছে।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সদর উপজেলার বাথানপাড়া গ্রামের অনীল শিলের ছেলে শ্রীকৃষ্ণ (২৩), হরিশপুরের আতাবুরের ছেলে আব্দুর রহিম (৩৫) ও রাজশাহীর জিয়া কলোনির আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী সোহাগী বেগম (২৭)।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ১৪ জুন সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলা মোড় এলাকার থেকে প্রতিবন্ধী আয়শাকে (২৪) ডেকে নিয়ে একটি আমবাগানে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর দিন সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।