ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া Logo ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ Logo রাজধানীতে প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন হত্যা: ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ Logo মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড Logo গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কিশোর গ্রেফতার Logo যাত্রাবাড়ীতে সিটিটিসির অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

‘বাংলাদেশের নাম শুনলে বিশ্ববাসী সম্মানের চোখে দেখে’

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯
  • ১৫৫ বার পঠিত হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আজকে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্ববাসী বাংলাদেশের নাম শুনলে সম্মানের চোখে দেখে। এইটুকুই আমার তৃপ্তি।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ২৫শে মার্চ, গণহত্যা দিবস। ইতোমধ্যে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল, আমরা লাখো মানুষ হারিয়েছি। কাজেই এ দিনটি গণহত্যা দিবস হিসেবে যেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় সেটার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

তিনি বলেন, ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। এ দিবস আমরা আগামীকাল উদযাপন করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সুফলটা যেন বাংলার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারে। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে এবং আর্থ সামাজিকভাবে আমরা উন্নত হতে পারি। উন্নত জাতি হিসাবে বিশ্বে যেন একটা মর্যাদা ফিরে পেতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করেছি।

‘যার শুভফল দেশবাসী পেয়েছে। গত এক দশকে আজকের বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্ববাসী একসময় বাংলাদেশের কথা শুনলেই বলত, দুর্ভিক্ষের দেশ, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের দেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ মনে করে একটা অবহেলার চোখে দেখত। সত্যি কথা বলতে কি আমাদের খুব কষ্ট লাগত।

শেখ হাসিনা বলেন, এই স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ যে সংগ্রাম জাতির পিতা করেছেন বা আমরাও ভুক্তভোগী। আমাদেরও চরাই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে জীবন গেছে। আমরাও রাজপথে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। যারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশকে স্বাধীন করেছে, নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে, খুব স্বাভাবিকভাবে সেই দেশটাকে নিয়ে কেউ যদি সম্মানের সঙ্গে সেই দেশটাকে না দেখে, সেই দেশটাকে যদি অসম্মানের সঙ্গে দেখে সেটা স্বাভাবিকভাবে এটা আমাদের জন্য কষ্টের কারণ ছিল।

‘সেই কারণেই আমরা যখনি সরকারে এসেছি। আমরা প্রচেষ্টা চালিয়েছি, কত দ্রুত দেশকে আর্থ-সামাজিকভাবে উন্নতি করা যায়, উন্নত দেশ হিসাবে বিশ্বে একটা মর্যাদা অর্জন করা যায়। আজকের বাংলাদেশ অন্তত আমাদের এক দশকের প্রচেষ্টার ফলে এখন এই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগ অর্জন করতে যাচ্ছি। আমাদের মাথাপিছু আয় যেখানে এক হাজার ৭১১ মার্কিন ডলার অর্জন করেছিলাম, সেটা আমরা ১৯০৯ মার্কিন ডলার অর্জন করতে যাচ্ছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ

‘বাংলাদেশের নাম শুনলে বিশ্ববাসী সম্মানের চোখে দেখে’

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আজকে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্ববাসী বাংলাদেশের নাম শুনলে সম্মানের চোখে দেখে। এইটুকুই আমার তৃপ্তি।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ২৫শে মার্চ, গণহত্যা দিবস। ইতোমধ্যে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল, আমরা লাখো মানুষ হারিয়েছি। কাজেই এ দিনটি গণহত্যা দিবস হিসেবে যেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় সেটার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

তিনি বলেন, ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। এ দিবস আমরা আগামীকাল উদযাপন করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সুফলটা যেন বাংলার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারে। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে এবং আর্থ সামাজিকভাবে আমরা উন্নত হতে পারি। উন্নত জাতি হিসাবে বিশ্বে যেন একটা মর্যাদা ফিরে পেতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করেছি।

‘যার শুভফল দেশবাসী পেয়েছে। গত এক দশকে আজকের বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্ববাসী একসময় বাংলাদেশের কথা শুনলেই বলত, দুর্ভিক্ষের দেশ, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের দেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ মনে করে একটা অবহেলার চোখে দেখত। সত্যি কথা বলতে কি আমাদের খুব কষ্ট লাগত।

শেখ হাসিনা বলেন, এই স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ যে সংগ্রাম জাতির পিতা করেছেন বা আমরাও ভুক্তভোগী। আমাদেরও চরাই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে জীবন গেছে। আমরাও রাজপথে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। যারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশকে স্বাধীন করেছে, নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে, খুব স্বাভাবিকভাবে সেই দেশটাকে নিয়ে কেউ যদি সম্মানের সঙ্গে সেই দেশটাকে না দেখে, সেই দেশটাকে যদি অসম্মানের সঙ্গে দেখে সেটা স্বাভাবিকভাবে এটা আমাদের জন্য কষ্টের কারণ ছিল।

‘সেই কারণেই আমরা যখনি সরকারে এসেছি। আমরা প্রচেষ্টা চালিয়েছি, কত দ্রুত দেশকে আর্থ-সামাজিকভাবে উন্নতি করা যায়, উন্নত দেশ হিসাবে বিশ্বে একটা মর্যাদা অর্জন করা যায়। আজকের বাংলাদেশ অন্তত আমাদের এক দশকের প্রচেষ্টার ফলে এখন এই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগ অর্জন করতে যাচ্ছি। আমাদের মাথাপিছু আয় যেখানে এক হাজার ৭১১ মার্কিন ডলার অর্জন করেছিলাম, সেটা আমরা ১৯০৯ মার্কিন ডলার অর্জন করতে যাচ্ছি।