ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন Logo জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে: গুলশান মিছিলের পর প্রশাসনে নড়াচড়া Logo ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ Logo রাজধানীতে প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন হত্যা: ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ Logo মানবতাবিরোধী মামলায় সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড Logo গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কিশোর গ্রেফতার Logo যাত্রাবাড়ীতে সিটিটিসির অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

ভাই, মারা যাচ্ছি, আমার ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস’

  • প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯
  • ৯১ বার পঠিত হয়েছে

নুরে আলম :জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েদের ও ছোট ভাইয়ের কাছে সঁপে যান। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে ঢাকার ইব্রাহিমপুরে নিজ বাসায় থাকতেন।

শিমুলের ভাষ্যমতে মঞ্জুর শেষ কথাগুলো মোবাইলে ফোনে তাঁর আরেক ভাই মেহফুজ জুবায়ের পলাশের সঙ্গে বলেছিলেন এভাবে, ‘ভাই, আমি মারা যাচ্ছি। সবাই অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কেউ আমাকে সাহায্য করছে না। উপায় না পেয়ে আমি অফিসের চেয়ারেই বসে আছি। তোরা আমার জন্য দোয়া করিস। ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস।’

মঞ্জুরের ছোট ভাই মোনাক হাসান শিমুল বলেন, ‘ভাই চাকরিরত অবস্থায় ২০০০ সালে কাশেম গ্রুপের মতিঝিল অফিসের সামনের রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রাচ ও হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। এক প্রকার পঙ্গু জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তারপরও কোম্পানি ভাইকে চাকরি থেকে বাদ দেয়নি। পরবর্তী সময় তাঁকে বনানীর হেড অফিসে চাকরিতে রেখে দিয়েছিল।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনভর প্রশাসনের তৎপরতা, জলাবদ্ধতায় থামেনি নগরবাসীর দুর্ভোগ

ভাই, মারা যাচ্ছি, আমার ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস’

আপডেট এর সময় : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯

নুরে আলম :জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি মোবাইল ফোনে ছেলেমেয়েদের ও ছোট ভাইয়ের কাছে সঁপে যান। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের এই বাসিন্দা পরিবার নিয়ে ঢাকার ইব্রাহিমপুরে নিজ বাসায় থাকতেন।

শিমুলের ভাষ্যমতে মঞ্জুর শেষ কথাগুলো মোবাইলে ফোনে তাঁর আরেক ভাই মেহফুজ জুবায়ের পলাশের সঙ্গে বলেছিলেন এভাবে, ‘ভাই, আমি মারা যাচ্ছি। সবাই অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে কেউ আমাকে সাহায্য করছে না। উপায় না পেয়ে আমি অফিসের চেয়ারেই বসে আছি। তোরা আমার জন্য দোয়া করিস। ছেলেমেয়েকে দেখে রাখিস।’

মঞ্জুরের ছোট ভাই মোনাক হাসান শিমুল বলেন, ‘ভাই চাকরিরত অবস্থায় ২০০০ সালে কাশেম গ্রুপের মতিঝিল অফিসের সামনের রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রাচ ও হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। এক প্রকার পঙ্গু জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তারপরও কোম্পানি ভাইকে চাকরি থেকে বাদ দেয়নি। পরবর্তী সময় তাঁকে বনানীর হেড অফিসে চাকরিতে রেখে দিয়েছিল।’